নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে কোনো বস্তুর নির্দিষ্ট দিকে অবস্থানের পরিবর্তনকে ঐ বস্তুর সরণ বলে।
সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের পরিবর্তনের হারকে বেগ
বলে। অর্থাৎ বেগ =সরণ/সময়/। বেগ একটি ভেক্টর রাশি; কারণ এর মান
ও দিক উভয়ই আছে। ফলে মান ও দিক যেকোনো একটির পরিবর্তন হলেই বেগের পরিবর্তন হয়।
রাহীমার দোল খাওয়া দোলন বা স্পন্দন গতি।
ব্যাখ্যা: আমরা জানি, যখন কোনো গতিশীল বস্তু একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর বিপরীতমুখী হয় তখন তার গতিকে দোলনগতি বলে। অন্যভাবে আমরা বলতে পারি যে, পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন কোনো বস্তুর গতি যদি এমন হয় যে, পর্যায় কালের অর্ধেক সময় কোনো একদিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় পূর্ব গতির বিপরীত দিকে চলে, তবে ঐ বস্তুর গতিকে দোলন গতি বলে।, দোলনার ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, নির্দিষ্ট সময় পরপর দোলকটি এদিক-ওদিক চলে, যা দোলনগতির উদাহরণ। অতএব, রাহীমার দোল খাওয়া দোলন বা স্পন্দন গতি।
উদ্দীপকে উল্লেখিত দুই ধরনের গতি হলো দোলনার গতি অর্থাৎ দোলন গতি ও বৈদ্যুতিক পাখার গতি অর্থাৎ ঘূর্ণন গতি। এই দুই ধরনের গতি ভিন্ন। কারণ কোনো গতিশীল বস্তু একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর দিক পরিবর্তন করে বিপরীতমুখী হয়ে চললে তার গতিকে দোলন গতি বলে। কিন্তু ঘূর্ণন গতির ক্ষেত্রে গতিশীল বস্তু একই অভিমুখে চলতে থাকে। দোলনগতির ক্ষেত্রে পর্যায়কালের অর্ধেক সময় কোনো একদিকে এবং বাকী অর্ধেক সময় পর গতির বিপরীত দিকে বস্তুর সরণ ঘটলে ও ঘূর্ণন গতির ক্ষেত্রে একই ক্রমে সরণ ঘটে। দোলনগতির ক্ষেত্রে গতিপথের কোনো বিন্দুকে বস্তুটি এক পর্যায়কাল সময়ে দুইবার দুই দিক থেকে অতিক্রম করে তবে ঘূর্ণন গতির ক্ষেত্রে বস্তুটি এক পর্যায়কাল সময়ে একবার অতিক্রম করে। দোলন গতির ক্ষেত্রে একটি গতি না থাকলেও ঘূর্ণন গতির ক্ষেত্রে দুটি গতি থাকে। - ফলে দোলন গতির চেয়ে ঘূর্ণন গতি কিছুটা জটিল। তাই উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় উদ্দীপকে উল্লেখিত দুই ধরনের 'গতি ভিন্ন।
Related Question
View Allকোনো গতিশীল বস্তু যদি একই দিক থেকে একই পথ বারবার অতিক্রম করে তাহলে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে।
দেয়াল ঘড়ির দোলকের গতি দোলন বা স্পন্দন গতি।
ব্যাখ্যা: আমরা জানি, যখন কোনো গতিশীল বস্তু একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর বিপরীতমুখী হয় তখন তার গতিকে দোলনগতি বলে। অন্যভাবে আমরা বলতে পারি যে, পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন কোনো বস্তুর গতি যদি এমন হয় যে, পর্যায়কালের অর্ধেক সময় কোনো একদিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় পূর্ব গতির বিপরীত দিকে চলে, তবে ঐ বস্তুর গতিকে দোলন গতি বলে। দেয়াল ঘড়ির দোলকটির ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, নির্দিষ্ট সময় পরপর দোলকটি এদিক-ওদিক চলে, যা দোলনগতির উদাহরণ। অতএব, দেয়াল ঘড়ির দোলকের 'গতি দোলন বা স্পন্দন গতি।
খুশবুর বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব ১৫০০ মিটার। খুশবুর স্কুলে পৌছাতে সময় লাগে ১৫ মিনিট।
আমরা জানি, দ্রুতি = অতিক্রান্ত দূরত্ব/সময়
=১৫০০ মিটার =১০০ মিটার/মিনিট
১৫ মিনিট
খুশবুর দ্রুতি ১০০ মিটার/মিনিট।
হৃদিতার বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব, ১৮০০ মিটার এবং হৃদিতার স্কুলে পৌঁছতে সময় লাগে'২০ মিনিট।
আমরা জানি, দ্রুতি = অতিক্রান্ত দূরত্ব/সময়
= ১৮০০ মিটার/২০ মিনিট/= ৯০ মিটার/মিনিট
হৃদিতার দ্রুতি ৯০ মিটার/মিনিট।
আবার, সদিচ্ছার বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব ২১০০ মিটার। সদিচ্ছার স্কুলে পৌঁছাতে সময় লাগে ৩০ মিনিট।
দ্রুতি =২১০০ মিটার/৩০ মিনিট/= ৭০ মিটার/মিনিট
সদিচ্ছার দ্রুতি ৭০ মিটার/মিনিট।
অতএব, গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা পাই যে, হৃদিতার দ্রুতি বেশি।
সময়ের সাথে পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে কোনো বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তন না হলে ঐ অবস্থাকে স্থিতি বলে।
যে পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে গতি বা স্থিতি পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় প্রসঙ্গ কাঠামো। সুতরাং, প্রসঙ্গ কাঠামো হলো এমন কোনো সুনির্দিষ্ট বস্তু বা বিন্দু যার সাপেক্ষে বস্তুর স্থিতি বা গতি নির্ণয় করা হয়। প্রসঙ্গ কাঠামো হতে পারে যেকোনো ব্যক্তি, যেকোনো বস্তু, যেকোনো স্থান। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই এদের সুনির্দিষ্ট হতে হবে। আমরা যদি বাড়ি - থেকে স্কুলের দূরত্ব মাপতে চাই, সেক্ষেত্রে বাড়ি হবে প্রসঙ্গ কাঠামো। পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব জানতে চাইলে পৃথিবী হবে প্রসঙ্গ কাঠামো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!