রায়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদটি দক্ষিণ অঞ্চলের অধিকারে ছিল। এর ফলে উন্নয়নমূলক কাজ উত্তরাঞ্চল থেকে দক্ষিণাঞ্চলে বেশি হয়েছে। এলাকার লোকজনকে যেকোনো প্রয়োজনে দক্ষিণাঞ্চলের ওপর নির্ভর করতে হতো। এতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ প্রভাবশালী ও ক্ষমতাবান হয়ে উঠে। তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি ও অত্যাচারের কারণে উত্তরাঞ্চলের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। তারা বুঝতে পারে চেয়ারম্যান পদটি উত্তরাঞ্চলের দখলে না আসা পর্যন্ত তাদের প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। তাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উত্তরাঞ্চলের মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে তাদের প্রার্থীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেন। কিন্তু নানা কৌশলে দক্ষিণাঞ্চলের লোকজন নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে দেয়নি।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সর্বশেষ মুঘল সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

১৯৪০ সালে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক লাহের প্রস্তাব উত্থাপন করে। এ প্রস্তাবের মূল বিষয় ছিল-

১. ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রস্তাবিত, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে পরিহার করে ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী পাশাপাশি এলাকাসমূহকে পৃথক 'অঞ্চল' হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
২. ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোকে নিয়ে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করতে হবে।
৩. এ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য প্রদেশগুলো হবে সম্পূর্ণরূপে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম।
৪. সংখ্যালঘুদের অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য সংবিধানে কার্যকর ও বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা থাকতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের নির্বাচনটি পাকিস্তানের ইতিহাসের ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনকে মনে করিয়ে দেয়।

রায়পুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদটি দক্ষিণাঞ্চলের দখলে থাকলে উত্তরাঞ্চলের মানুষ শোষণ ও বঞ্চনার শিকার হয়। তাই তারা জোটবদ্ধ হয়ে পরবর্তী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদটি উত্তরাঞ্চলে নিয়ে আসে। উদ্দীপকের রায়পুরা ইউনিয়নের ন্যায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের হাতে। ফলে পূর্ব বাংলার মানুষ শোষণ ও অত্যাচারের শিকার হতো। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টির শুরু থেকে প্রশাসনিক ক্ষমতা পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে থাকে। ফলে তারা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক প্রভৃতি দিক থেকে পূর্ব বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করতে থাকে। প্রচলিত সংবিধান অনুযায়ী ১৯৫১ সালে পাকিস্তানের সকল প্রদেশে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও পশ্চিম পাকিস্তানিরা কোনো নির্বাচন দেয়নি। নির্বাচন নিয়ে অনেক টালবাহানার পর ১৯৫৪ সালে পূর্ববাংলার নির্বাচনের তারিখ ধার্য করে। ফলে পূর্ববাংলার মানুষরা এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঐক্যবদ্ধ হয়। পূর্ববাংলার সকল রাজনৈতিক দল মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে যেন মুসলিম লীগকে পরাজিত করা যায়। ১৯৫৩ সালের '৪ ডিসেম্বর পূর্ববাংলার ৪টি রাজনৈতিক দল মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২৩৭টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে। অন্যদিকে মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রায়পুরা ইউনিয়নের নির্বাচনের সাথে ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, প্রশ্নোল্লিখিত বক্তব্যটি আমি সমর্থন করি। নিম্নে মতামতের স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো।

যুক্তফ্রন্টের নিরঙ্কুশ জয় শুরু থেকেই মুসলিম লীগ সুনজরে দেখেনি। তারা যুক্তফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আরম্ভ করে। এ সময় শেরে বাংলা এ, কে, ফজলুল হক কলকাতা সফরে দুই বাংলা নিয়ে আবেগপ্রবণ বক্তব্য দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরাগভাজন হন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারিকে সরকারি ছুটি ও বর্ধমান হাউসকে বাংলা ভাষার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দিলে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় সরকার সুযোগ খুঁজতে থাকে যেকোনো অজুহাতে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করর্তে। একই সময় 'নিউইয়র্ক টাইমস' এ ফজলুল হকের এক সাক্ষাৎকার বিকৃত করে প্রকাশত হয় যে তিনি পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা চার। এতে মুসলিম লীগ সরকার তাকে রাষ্ট্রদ্রোহী বলে ঘোষণা দেয়। অবশেষে কেন্দ্রীয় মুসলিম লীগ সরকার ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে ভারত শাসন আইনের ৯২ (ক) ধারা বলে ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট সরকার বাতিল করে পূর্ব বাংলাক গভর্নরের শাসন জারি করে। এ শাসন ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দের ২ জুন পর্যন্ত বহাল থাকে। মাত্র ৫৬ দিনের শাসনের পর যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার অবসান হয়। মূলত মুসলিম লীগ ও পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের ষড়যন্ত্রে এবং যুক্তফ্রন্টের শরিফ দলের মধ্যে কোন্দলের - কারণে ঘন ঘন সরকার বদল হতে থাকে। মাত্র চার বছরে সাত মন্ত্রিসভার পতন হয়। কেন্দ্রিয় সরকার তিনবার গভর্নরের শাসন জারি করে। যুক্তফ্রন্টের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও কেন্দ্রিক সরকারের চক্রান্তের ফলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারেনি।

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের রায়পুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের পরিণতি ও যুক্তফ্রন্ট সরকারে পরিণতি একই হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
124
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

শহিদ মিনার নির্মাণের উদ্দেশ্য হলো ভাষাশহিদদের স্মরণ ও ভাষার প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন।
১৯৫২ সালের ভাষার জন্য শহিদ হওয়া ব্যক্তিদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও তাদের স্মৃতিসংরক্ষণের জন্য ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ শুরু করে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের বাবা তা উদ্বোধন করেন। কিন্তু পুলিশ ও সেনাবাহিনী তা ভেঙে ফেললে ১৯৫৭ সালে বর্তমান স্থানে শহিদ মিনার স্থাপন শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
506
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মানভূমের ভাষা আন্দোলনের সাথে আমার * পঠিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাদৃশ্য খুঁজে পাই।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মানভূমের বাঙালিদের মধ্যে ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলন গড়ে ওঠে। এসময় রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরের হিন্দি ভাষা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ আন্দোলনের সাথে আমার পঠিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের * সাদৃশ্য লক্ষণীয়। অনুরূপ ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬.৪০% মানুষের মুখের ভাষা বাংলার পরিবর্তে মাত্র ৭.২০% মানুষের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা এসে ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। তাছাড়া ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে ঘোষণা করলে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন নতুন মাত্রা ও সর্বাত্মক রূপলাভ করে। এ সময়ে তমদ্দুন মজলিস ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক হরতাল আহূত হলে স্থানীয় প্রশাসন ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ১ মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে এবং সকল সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়। সরকারের এ ঘোষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা মিছিল বের করলে পুলিশের গুলিতে সালাম, আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার শহিদ হন। যার ফলে বিশ্ব ইতিহাসে ভাষার জন্য আন্দোলনের এক অবিনশ্বর ইতিহাস রচিত হয়।

অতএব উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে পূর্ব-বাংলার ভাষা আন্দোলনের মিল পরিলক্ষিত হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদ উজ্জীবিত হয় যা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূলমন্ত্র ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
374
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বাংলা ভাষা আন্দোলনে 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল' উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটায়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি সর্বপ্রথম নিজেদের স্বতন্ত্র সত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়। আর এ চেতনাই পরবর্তীতে প্রতিটি গণআন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগায় এবং সকল বৈষম্য থেকে মুক্তির পথ সুগম করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে শাসক দল মুসলিম লীগের সকল বৈষম্যমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে গণরায় প্রদানের মাধ্যমে যুক্তফ্রন্টকে জয়ী করে। বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত বাঙালি জাতি পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বাধিকারের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। সর্বোপরি এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাই ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯৫২ সালে। বাঙালি জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা অর্জন করে তার ধারাবাহিকতাতেই স্বাধীনতা অর্জন করে।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা দেয় তার মধ্যে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল। তাই উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
701
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। কাল রাত বলতে নৃশংস ও ভয়ংকর রাতকে বোঝানো হয়। ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে বাঙালি জাতির উপর যে জঘন্য ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় এ রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। এ রাতে অসংখ্য নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করা হয় এবং ঢাকা শহরের রাস্তায় লাশের স্তূপ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
548
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews