রিতার বয়স ১২ বছর। প্রায়ই তাকে বিষণ্ণ, হতাশ ও একাকী মনে হয়। মা রিতার মধ্যে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন লক্ষ করেন। মা রিতাকে প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে ধারণা দেন এবং চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক বললেন, 'শারীরিক স্বাস্থ্যের সাথে সাথে মানসিক স্বাস্থ্যও রক্ষা করা আবশ্যক এবং এক্ষেত্রে সকলের সচেতন হওয়া উচিত।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

শরীর ও মনের দিক থেকে সুস্থ অবস্থা ও পরিবেশের সাথে সুস্থ সজাতি বিধান করাকে মানসিক স্বাস্থ্য বলে।

উত্তরঃ

শরীর ও মনের দিক থেকে সুস্থ অবস্থা ও পরিবেশের সাথে সুস্থ সঙ্গতি বিধান করাকে মানসিক স্বাস্থ্য বলে।

মানসিক সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তি পরিবেশের সাথে সঙ্গতি রেখে চলতে পারে, দৈনন্দিন জীবনের সমস্যাগুলো সহজে সমাধান করতে পারে। অবাঞ্ছিত ও অসামাজিক আচরণ থেকে বিরত থাকে। মনের জটিল প্রক্রিয়াগুলো সহজ পথে পরিচালিত করতে পারে। উল্লিখিত আচরণগুলো দেখেই মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে বোঝা যায়।

উত্তরঃ

রিতার মা তাকে প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে ধারণা দেন। WHO-এর মতে, প্রজনন স্বাস্থ্য শুধু প্রজননতন্ত্রের কার্য এবং প্রজনন প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত রোগ, অসুস্থতার অনুপস্থিতিকেই বোঝায় না, এটি শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, কল্যাণকর এবং পরিপূর্ণ সুস্থ অবস্থার মধ্য দিয়ে প্রজনন প্রক্রিয়া সম্পাদনের একটি অবস্থাকে বোঝায়।

সকল বয়সের নারী-পুরুষেরই প্রজনন স্বাস্থ্য রক্ষা করা প্রয়োজন। প্রজনন স্বাস্থ্যজনিত রোগ সম্পর্কে ধারণা, কুসংস্কারমুক্ত থাকা, যৌন ও প্রজনন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গর্ভকালীন শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা প্রয়োজন। প্রজনন স্বাস্থ্যের কিছু উপাদান রয়েছে। যথা- বয়ঃসন্ধিকালে প্রজনন স্বাস্থ্য, নিরাপদ মাতৃত্ব, উপযুক্ত বয়সে গর্ভধারণ, শিশুর জন্মপূর্ব যত্ন, নবজাতকের পরিচর্যা, মা ও শিশুর পুষ্টি, অনিরাপদ গর্ভপাত রোধ, পরিবার পরিকল্পনা, প্রজননতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের সেবা ও রোগ প্রতিরোধ, মেনোপজজনিত সমস্যা ইত্যাদি। প্রতিটি ব্যক্তিকেই তার শরীর সুস্থ রাখার জন্য প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানা উচিত।

উত্তরঃ

শারীরিক স্বাস্থ্যের সাথে সাথে মানসিক স্বাস্থ্যও রক্ষা করা আবশ্যক এবং এক্ষেত্রে সকলের সচেতন হওয়া উচিত।

মানসিক স্বাস্থ্য বলতে পরিবেশের সাথে সুস্থ সঙ্গতি বিধান ও মনের দিক থেকে সুস্থ থাকাকে বোঝায়। ব্যক্তি যখন তার মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা করতে পারে তখন পরিবেশের সাথে সঙ্গতি রেখে চলতে পারে ও তার আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

মনের জটিল প্রক্রিয়াগুলোকে সহজ ও ঈপ্সিত পথে পরিচালিত করতে পারে মানসিক স্বাস্থ্য। দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা দেখা দিলে সেগুলো সহজে সমাধান করতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক থাকলে অবাঞ্ছিত ও অসামাজিক আচরণ হতে বিরত থাকা যায়। এছাড়া সমাজ জীবনে স্বাভাবিক, তৃপ্তিদায়ক, আনন্দদায়ক ও কার্যকর পরিবেশ রক্ষা করা সহজ হয়। মানসিকভাবে স্বাস্থ্যবান একজন মানুষ তার নিজের ক্ষমতা বুঝতে পারে এবং জীবনের স্বাভাবিক চাপসমূহের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্য বাদ দিয়ে একজন ব্যক্তি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারে না। কেননা শরীর ও মন একে অপরের সাথে জড়িত।

সুতরাং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সকলের সচেতন থাকা উচিত।

193

Related Question

View All
292
উত্তরঃ

স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়াকে মেনোপজ বলে। 

নারীরা সাধারণত ১৫-৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত গর্ভধারণ করতে সক্ষম। ৫০-৫৫ বছর বয়সে বা তার আগেই অনেকের মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থাকে 'মেনোপজ বলে।

262
উত্তরঃ

নাঈম HIV ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। প্রাণঘাতী AIDS রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে একটি হলো পরীক্ষা না করে শরীরে রক্ত গ্রহণ করা। আর এইডস রোগের লক্ষণ হলো দীর্ঘদিন জ্বর ও কাশিতে ভোগা এবং শরীরের ওজন দ্রুত হ্রাস পাওয়া।

নাঈমের রক্তের প্রয়োজন হওয়ায় পরীক্ষা না করেই এক ব্যক্তির রক্ত শরীরে গ্রহণ করে। এর কিছুদিন পর থেকেই সে দীর্ঘদিন জ্বর ও কাশিতে ভোগে। জ্বর ও কাশি না কমায় ডাক্তার হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। নাঈমের রোগের লক্ষণগুলো AIDS এর অনুরূপ হওয়ায় বলা যায়, নাঈম AIDS-এ আক্রান্ত হয়েছে।

268
উত্তরঃ

HIV AIDS যেসব কারণে সংক্রমিত হয় সেগুলোকে HIV AIDS এর ঝুঁকি বলা হয়। HIV AIDS-এর ঝুঁকিগুলো হলো-একই সুঁচ ও সিরিঞ্জ একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহার, অপরীক্ষিত রক্ত শরীরে গ্রহণ, অপারেশনের সময় অপরিশোধিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার, এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান গ্রহণ, অনিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক ও HIV আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করানো।

নাঈম অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ করে। সাধারণত অপরীক্ষিত রক্তে HIV ভাইরাস থাকতে পারে। এ রক্ত যে গ্রহণ করবে তার দেহে HIV ছড়াবে। এ কারণেই নাঈম HIV ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

তাই রক্ত গ্রহণের প্রয়োজন হলে আগে রক্ত পরীক্ষা করে নিতে হবে। নয়তো HIV AIDS-আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে। সুতরাং নাঈমের অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ যৌক্তিক হয় নি বলে আমি মনে করি।

273
উত্তরঃ

মানসিক স্বাস্থ্যের সুস্থতা ও স্বাভাবিকতায় যেসব বিষয় প্রভাব বিস্তার করে সেগুলোকে মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদান বা নির্ধারক বলে। 

মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদান হিসেবে জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং সামাজিক পরিবেশগত অবস্থাকে বিবেচনা করা হয়। মূলত মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদানগুলোই মানুষের সামগ্রিক বিকাশ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।

 

331
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews