রিতা ঢাকা হলিক্রসের ছাত্রী। সে একদিন তার বন্ধু ইশিতাকে জানায়, তার বাড়ি ময়মনসিংহ। তাদের মধ্যে পাঁচ ধরনের গোত্র রয়েছে। গোত্র ও উপ-গোত্রকে তাদের ভাষায় 'চাটচী' বলে। তাদের গোত্রগুলো ক্ষুদ্র হয় বলে রক্তের সম্পর্ক নির্ণয় করা সহজ। ইশিতা মুসলিম মেয়ে। সে এসব শুনে আনন্দ পায়।   

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোচ নৃগোষ্ঠীর ভাষা তিব্বতি-বর্মী ভাষা পরিবারভুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কোচদের প্রধান খাদ্য ভাত। ভাতের সঙ্গে তারা বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ডাল, মাছ, ডিম, মাংস প্রভৃতি খেতে পছন্দ করে। শূকরের মাংস তাদের খুব প্রিয়। উৎসব-অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকার পিঠা, পায়েস, দই, মিষ্টির আয়োজন করে। তারা পানীয় হিসেবে ঘরে তৈরি মদপান করে। আর পান-সুপারি দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন করে। ডাব্বা, হুঁক্কা, বিড়ি, সিগারেট ইত্যাদি দ্বারা তারা ধূমপানের নেশা মেটায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

রিতা গারো নৃগোষ্ঠীর সদস্য।

রিতার বাড়ি ময়মনসিংহে। তাদের মধ্যে পাঁচ ধরনের গোেত্র রয়েছে। গোত্র ও উপ-গোত্রকে তাদের ভাষায় 'চাটচী' বলে। উদ্দীপকে বর্ণিত এসব তথ্য গারো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অনুরূপ। গারোদের সামাজিক সংগনের বর্ণনা নিচে দেয়া হলো।

গারোদের পাঁচটি গোত্র হলো-সাংমা, মারাক, মমিন, সিরা ও আবেং। তাদের এ ধরনের বিভিন্ন দল, গোত্র ও উপ-গোত্রকে তাদের ভাষায় 'চাটচী' এবং বংশকে 'মাহারি' বলা হয়। চাটচী শব্দের অর্থ হলো আত্মীয় বা জ্ঞাতি। এরা আবার ছোট ছোট কয়েকটি ক্ষুদ্র গোত্রে বিভক্ত। যার নাম 'মাচং'। আবার প্রতিটি মাচং-এর অধীনে কয়েকটি করে ক্ষুদ্র গোত্র রয়েছে যাকে 'মাহারি' বলা হয়। এ মাহারি দ্বারা মূলত একই বংশের লোককে নির্দেশ কর হয়ে থাকে। গারোদের প্রতিটি গোত্র ও উপ-গোত্রে বহির্বিবাহ এবং মাতৃসূত্রীয় রীতি অনুসৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

রিতার পরিবার অর্থাৎ গারো পরিবার মাতৃসূত্রীয়।

ঢাকা হলিক্রস কলেজের ছাত্রী রিতার বাড়ি ময়মনসিংহ। তাদের মধ্যে পাঁচ ধরনের গোত্র রয়েছে। গোত্র ও উপ-গোত্রকে তাদের। ভাষায় 'চাটচী' বলে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, রিতা গারো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য। আর গারো পরিবার মাতৃসূত্রীয়।

মাতৃসূত্রীয় পরিবার ব্যবস্থায় সন্তান-সন্ততি মাতৃধারায় সম্পত্তি ও পারিবারিক নাম উত্তরাধিকার সূত্রে অর্জন করে এবং মা, মামা ও নানাকে পিতা, চাচা ও দাদার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। আমাদের দেশে গারো ও খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে এ ধরনের পরিবারব্যবস্থা লক্ষ করা যায়। গারো পরিবারে সন্তানরা মায়ের পরিচয়ে সমাজে পরিচিত হয়। এসব পরিবারে বা সমাজে মহিলারাই সর্বক্ষমতার অধিকারী। সন্তানরা মায়ের বংশ ধারার সদস্য বলেই বিবেচিত হয়। মেয়েরা বংশানুক্রমে মায়ের সম্পত্তিতে অধিকার পায়। গারোদের মধ্যে উত্তরাধিকার লাভ করে ছোট মেয়ে।

পরিশেষে বলা যায়, মাতৃসূত্রীয় পরিবার ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যের সাথে গারো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবার ব্যবস্থার সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, গারো পরিবারের সদস্য রিতার পরিবার মাতৃসূত্রীয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
150
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক সমাজবিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত হয়।

চল্লিশের দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী লেখক রাধাকমল মুখার্জি, ডি এন মজুমদার, নির্মল কুমার বসু ও বিনয় কুমার সরকার বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সে সময় কয়েকজন মার্কসবাদী বাঙালি সমাজবিজ্ঞানীর লেখা পাওয়া যায়। এসব সমাজচিন্তাবিদগণ বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক অনেক আলোচনা সমালোচনা করেন এবং সমাজ পরিবর্তনের কথা বলেন। যার ফলে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমি নির্মিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.8k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বর্ণনা অনুসারে 'ক' দ্বারা সমাজবিজ্ঞান বিষয়কে নির্দেশ করা হচ্ছে।

১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক সমাজবিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত হয়। ১৯৪৮ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ দখলকারী ব্রিটিশদের হাত থেকে মুক্তি অর্জনের আগে চল্লিশের দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী লেখক রাধাকমল মুখার্জি, ডিএন মজুমদার, নির্মল কুমার বসু ও বিনয় কুমার সরকার বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সে সময় কয়েকজন মার্ক্সবাদী বাঙালি সমাজবিজ্ঞানীদের লেখা পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- এমএন রায়, মোজাফফর আহমদ, সুশোভন সরকার, গোপাল হালদার ও বিনয় ঘোষ। এসব সমাজচিন্তাবিদ বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক অনেক আলোচনা সমালোচনা করেছেন এবং সমাজ পরিবর্তনের কথা বলেছেন। এসব সমাজচিন্তাবিদদের মাধ্যমে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমি নির্মিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
283
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, সমাজবিজ্ঞান বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠী নিয়ে আলোচনা করে। এ বর্ণনার আলোকে বলা যায়, এখানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে।

সাধারণ অর্থে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বলতে একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে বোঝায়। নৃবিজ্ঞানী ই. বি. টেইলর সাধারণ সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে স্বতন্ত্র গোষ্ঠীকেই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। অন্যদিকে জেরি ও জেরির ভাষায়, 'ক্ষুদ্র গোষ্ঠী হলো মানুষের এমন এক গোষ্ঠী যারা স্বতন্ত্র ইতিহাসের সম্মিলিত অনুভূতি থেকে উৎসারিত একটি পরিচয় বহন করে'। প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরই নিজস্ব সংস্কৃতি, প্রথা, আদর্শ, মূল্যবোধ, বিশ্বাস ও ঐতিহ্য থাকে। নৃবিজ্ঞানী ন্যারোল-এর মতে, অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক বিভাজন সম্পর্কে দলীয় সচেতনতা হলো ক্ষুদ্রগোষ্ঠীর সদস্যদের মূল উপাদান। অন্যদিকে, নৃবিজ্ঞানী কোহেন ও ইয়ামস ক্ষুদ্র সম্প্রদায় তথা উপজাতি বলতে এমন এক জনগোষ্ঠীকে বুঝিয়েছেন, যারা তাদের জীবিকার জন্য খাদ্যসংগ্রহ, উদ্যান, কৃষি ও পশুপালনের ওপর নির্ভরশীল। আবার উইলিয়াম পি. স্কট-এর মতে, যে গোষ্ঠীর সাধারণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে এবং যারা নিজস্ব পরিচিতিসহ বৃহৎ কোনো সমাজের উপগোষ্ঠী হিসেবে বসবাস করে তারাই হলো ক্ষুদ্র গোষ্ঠী। এসব সংজ্ঞার আলোকে বলা যায়, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নিজস্ব সংস্কৃতির অধিকারী, তারা আধুনিক পেশাসহ এক ধরনের নির্দিষ্ট জীবিকা পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং তারা বাস করে একটি নির্দিষ্ট এলাকায়। সর্বোপরি তাদের জীবন একই ধরনের সামাজিক আচার-আচরণ, প্রথা, বিশ্বাস, বিচারব্যবস্থা, অনুসরণীয় রীতিনীতি ও মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
461
উত্তরঃ

গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো বলতে বোঝায়, যে ব্যবস্থা বা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গ্রামে ক্ষমতার বিকাশ ও প্রয়োগ ঘটে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর ও অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান বলেন, “শ্রেণিসমূহের অবস্থান ও পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের ভূমিকার প্রেক্ষাপটে গ্রামীণ সমাজে সামাজিক শক্তিসমূহ যে কাঠামোর মধ্য দিয়ে বিকশিত হয়, তাকে গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো বলা যেতে পারে।” উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ভূমি মালিক ও বর্গা চাষিদের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে উভয় শ্রেণিই গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোর অংশ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.9k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews