রিনার বিয়ে হয়েছে দুই বছর হলো। কিন্তু প্রায় সময়ই তাকে স্বামী ও শাশুড়ির নির্যাতনের শিকার হতে হয়। কারণ, তার বাবা শ্বশুর বাড়ির চাহিদামতো টাকা-পয়সা ও আসবাবপত্র দিতে পারেননি। রিনার মতো মেয়েদের নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকার ১৯৮০ সালে একটি আইন প্রণয়ন করে। 

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যৌন নিপীড়নের সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছর কারাদণ্ড।

উত্তরঃ

কিশোর অপরাধীদের বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত বিশেষ ধরনের আদালতকেই কিশোর আদালত বলা হয়।

১৯৭৪ সালের শিশু আইনের মাধ্যমে কিশোর আদালত স্থাপনের বিধান রাখা হয়। এ আদালতের লক্ষ্য হলো কিশোরদের আচরণ সংশোধন করা। কিশোর আদালত মূলত অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত কোনো শিশুর মামলার বিচার করে। এক্ষেত্রে কিশোর আদালতের বিচারকার্য সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশে মাতাপিতা এবং অভিভাবকদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন করার বিধান রাখা হয়েছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে ১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইনকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনে বহুবিবাহের ক্ষেত্রে আইনগত প্রতিবন্ধকতা রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, বিবাহ রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা সৃষ্টির মাধ্যমে স্বামী পরিত্যক্তদের দেনমোহর প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধান করা হয়েছে। ফলে পুরুষের জন্য বাধ্যতামূলক দেনমোহর একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এরই প্রভাব হিসেবে যৌতুকের প্রচলন শুরু হয়।

ধীরে ধীরে সামাজিকভাবে যৌতুকের নেতিবাচক প্রভাব বাড়তে থাকে। সেইসাথে বাড়তে থাকে নারী নির্যাতন ও নারী হত্যার মতো অপরাধ। এরই প্রেক্ষিতে যৌতুক নিরোধ আইন প্রণীত হয়। যৌতুক একটি বড় ধরনের সামাজিক কু-প্রথা যা নারী উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, পাশাপাশি নারী ও তার পরিবারকে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করে। এ আইনের মাধ্যমে সমাজ থেকে যৌতুক নিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি হলো যৌতুক যা সমাজে ব্যাপক | নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

বাংলাদেশের নারী নির্যাতন একটি নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। আমাদের দেশে সাধারণত যে সব কারণে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে তার মধ্যে যৌতুক অন্যতম। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বিয়ের পূর্বশর্ত হিসেবে বর পক্ষ কনে পক্ষের কাছে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বা বিলাসজাত দ্রব্য যৌতুক হিসেবে দাবি করে। আবার অনেক ক্ষেত্রে বিয়ের আগে কোনো শর্ত বা প্রতিশ্রুতি না থাকলেও বরপক্ষ বিয়ের পর যৌতুক দাবি করে।

সাধারণত কনেপক্ষ যৌতুক দিতে অস্বীকার করলে বর বা তার পরিবার স্ত্রীর ওপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দাবির পরিমাণ ক্রমাগত বাড়তেই থাকে। এর ফলে অনেক সময় মেয়ের বাবা ছেলে পক্ষের দাবি মেটাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। কখনও কখনও দেখা যায় কনে লজ্জায় বা পিতার অসামর্থ্যের কথা ভেবে বার বার যৌতুক চাইতে অস্বীকার করে। এতে তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। এক সময় সে সইতে না পেরে আত্মহত্যার নেতিবাচক ও চরম পথ বেছে নেয়। এর ফলে উভয় পরিবারই সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। যৌতুকের কারণে পারিবারিক অশান্তির পাশাপাশি সামাজিক অস্থিরতারও সৃষ্টি হয়। তাই বলা যায়, যৌতুক সমাজে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

133

Related Question

View All
উত্তরঃ

সামাজিক সমস্যা হলো এমন এক প্রতিকূল পরিস্থিতি যা সমাজের অধিকাংশ মানুষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

309
উত্তরঃ

পাত্র-পাত্রী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সময় কন্যাপক্ষ বরপক্ষকে বা বরপক্ষ কন্যাপক্ষকে ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকৃতভাবে যে উপঢৌকন দিয়ে থাকে তাকে যৌতুক বলে। এখানে উপঢৌকন বলতে বাড়িঘর, জায়গা-জমি, নগদ অর্থ বা যেকোনো প্রকার আর্থিক সুবিধা ইত্যাদিকে বোঝানো হয়েছে।

626
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাল্যবিবাহ নামক সামাজিক সমস্যা সমাধানে সমাজকর্মের অনুশীলন দেখানো হয়েছে।

বাল্যবিবাহ বলতে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়েকে বোঝানো হয়। বাংলাদেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিয়ের জন্য ছেলের বয়স কমপক্ষে ২১ বছর এবং মেয়ের বয়স ১৮ বছর হতে হবে। সে অনুযায়ী পাত্র বা পাত্রীর বয়স এর কম হলে তা বাল্যবিবাহ হিসেবে বিবেচিত হবে। বাল্যবিবাহ আমাদের দেশের অন্যতম সামাজিক সমস্যা। তবে এ সমস্যার কারণ চিহ্নিত করে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা দূর করা সম্ভব।

উদ্দীপকে দেখা যায়, কুমিল্লার লালমাই থানায় দাপাড় গ্রামের কৃষক রহিম মিয়া মাত্র তের বছর বয়সে ফরিদাকে বিয়ে দিয়েছেন যা উপরের বর্ণনানুযায়ী বাল্যবিবাহের অন্তর্ভুক্ত। এক্ষেত্রে ঐ এলাকার একজন সমাজকর্মী অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়াকে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে তা সমাধানের জন্য সমাজকর্মের পদ্ধতি অনুশীলন করেছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যা সমাধানে সমাজকর্মের অনুশীলন দেখানো হয়েছে।

227
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সমাজকর্মের পদ্ধতি প্রয়োগ করে বাল্যবিবাহ ছাড়াও বাংলাদেশের অন্যান্য সামাজিক সমস্যা, যেমন- নারী ও শিশু নির্যাতন, যৌতুক, মাদকাসক্তি, কিশোর অপরাধের মতো সমস্যা সমাধান করা যায়।

বাংলাদেশে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা বিদ্যমান। আমাদের সমাজে প্রতিনিয়ত নারী ও শিশুরা বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। বিয়ের সময় কন্যাপক্ষের কাছে যৌতুক দাবি করা হচ্ছে। আবার, শিশু-কিশোরদের বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। এছাড়া মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতা, সঙ্গদোষ, কৌতূহল, হতাশা প্রভৃতির কারণে যুবকবয়সীরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সমাজকর্মের পদ্ধতি ও কৌশল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এক্ষেত্রে সমাজে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। এতে সমস্যাগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি সমস্যাগুলো দূর করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় সামাজিক আইন প্রণয়নে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। একইসাথে সরকার প্রণীত আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন করতে পারলে এ সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব হবে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, কৃষক রহিম মিয়া মাত্র তের বছর বয়সে ফরিদাকে বিয়ে দিয়েছেন, যা ওপরের বর্ণনানুযায়ী বাল্যবিবাহের অন্তর্ভুক্ত। এক্ষেত্রে এলাকায় কর্মরত সমাজকর্মী সমস্যা সমাধানে সমাজকর্মের সমস্যা চিহ্নিতকরণ সচেতনতা সৃষ্টি আইন প্রণয়নে চাপ প্রয়োগ আইন প্রণয়ন আইনের বাস্তবায়ন পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। একইভাবে এ পদ্ধতি অনুসরণ করে সমাজে বিরাজমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

উপরের আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, বাংলাদেশের যৌতুক, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদকাসক্তি, কিশোর অপরাধ প্রভৃতিসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে উদ্দীপকে বর্ণিত সমাজকর্মের পদ্ধতিটি প্রয়োগ করা যায়।

238
উত্তরঃ

১৯৮৩ সালের নারী নির্যাতন আইন নারীদের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও এর অনেকগুলো সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন- নারীর মানসিক নির্যাতনের শাস্তি এ আইনে নেই। এছাড়া যৌতুক আদায়ের জন্য যে অপরাধ করা হয় তা প্রতিরোধে যে আইনি বিধান রাখা হয়েছে তা কঠোর কিন্তু যৌতুক লেনদেনের ব্যাপারে তেমন কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এ আইনে নারী নির্যাতন প্রতিকারে শাস্তির বিধান করলেও বিবাহ ভাঙনজনিত পরিস্থিতিতে স্ত্রী ও সন্তানদের অধিকার এবং স্বার্থরক্ষার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেই। তাছাড়া নির্যাতিত নারীসমাজের এক বিরাট অংশই এ আইনের আলো থেকে বঞ্চিত। এর কার্যকারিতার অভাবে দেশে নারী নির্যাতন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

514
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews