রিপার বাবা ফ্যাশন পরিবর্তনে বিভিন্ন প্রভাবককে দায়ী করেন।
রিপার বাবা বলেন, পোশাকের ধরন আমাদের সময়ও নানা কারণে পরিবর্তন হয়েছে।
মানুষ স্বভাবগত কারণে ফ্যাশন পরিবর্তন করতে পছন্দ করে। ফ্যাশন পরিবর্তন তরুণ সমাজকে বেশি আকৃষ্ট করে। যদিও কোনো ফ্যাশনই পুরোপুরি উচ্ছেদ হয় না। পরিবর্তিত, পরিমার্জিত হয়ে পুনরায় ফিরে আসে। একঘেয়েমি দূরীকরণে মানুষ ফ্যাশনে পরিবর্তন আনে। প্রথমে যে ফ্যাশনটি জনপ্রিয়তা পায় তা আবার এক সময় বিলুপ্ত হয়ে যায়। এভাবেই ফ্যাশনে পরিবর্তন আসে l
নিম্নে ফ্যাশন পরিবর্তনের কারণগুলো আলোচনা করা হলো-
১. কোনো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সে দেশের ফ্যাশনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে।
২.কোনো কোনো ক্ষেত্রে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের স্টাইল ফ্যাশন হিসেবে মানুষ গ্রহণ করে।
৩. সমাজ ব্যবস্থা ফ্যাশনকে প্রভাবিত করে। পাশ্চাত্যে যে পোশাক গ্রহণযোগ্য আমাদের সমাজে সে পোশাক গ্রহণযোগ্য নয়।
৪. বর্তমানে বহির্বিশ্বের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। ফলে এক দেশের ফ্যাশন সহজেই অন্যদেশের মানুষ গ্রহণ করতে পারছে।
৫. বর্তমানে নারীরা ঘরে বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই সমান ভূমিকা পালন করে। ফলে সহজেই পরিধানযোগ্য, আরামদায়ক ও কার্যকরী পোশাকের প্রতি তারা আকৃষ্ট হচ্ছে।
৬. শিক্ষার ফলে মানুষ ফ্যাশন সচেতন হচ্ছে। ফ্যাশন ডিজাইনিং এর ওপর পড়াশোনা করছে। ফলে নতুন নতুন ডিজাইন ফ্যাশনের প্রতিযোগিতাকে বাড়িয়ে তুলছে।
৭. দেশীয় সংস্কৃতি ফ্যাশনকে প্রভাবিত করছে। কোনো দেশের ফ্যাশনের পরিবর্তন তার সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত ভাবধারাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়।
৮. বর্তমানে কর্মসংস্থানের সুযোগ বেড়েছে। ফলে পোশাকের ফ্যাশনে পরিবর্তন আসছে। এছাড়াও বস্ত্রশিল্পের উন্নয়ন, বিজ্ঞাপন, প্রযুক্তিগত প্রভাব ফ্যাশন পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।
সুতরাং, রিপার বাবার উক্তিটি যথার্থ।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allস্টাইল হলো ব্যক্তি বিশেষের চিন্তা-চেতনা ও সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ।
ফ্যাশন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চক্রাকারে পরিবর্তিত হয়।
প্রথমে একটি ফ্যাশনের প্রবর্তন ঘটে, তা জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ধীরে ধীরে তার প্রচলন বৃদ্ধি পায়। এক সময় ফ্যাশনটির পতন ঘটে। পূর্বে যে ফ্যাশন ছিল তা আবার নতুন করে ফিরে আসে। অর্থাৎ ফ্যাশন একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে চক্রাকারে ঘুরে ঘুরে আসে।
সোহানার জামায় সজ্জামূলক ডিজাইন করা হয়েছে।
কোনো কিছু করার আগে যে পরিকল্পনা বা রূপরেখা চিন্তা করা হয় তাই ডিজাইন। ডিজাইন প্রধানত দুই প্রকারের হয়। যথা- গঠনমূলক ও সজ্জামূলক ডিজাইন।পহেলা বৈশাখে সোহানা সাদার উপর লাল এপ্লিক করে একটি জামা তৈরি করল। এটিকে সজ্জামূলক ডিজাইন বলে। এ ধরনের ডিজাইনের মাধ্যমে পোশাকের বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। সজ্জামূলক ডিজাইন এমনভাবে করতে হবে যাতে বস্তুর বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং সেই সাথে বস্তুটি সুবিধাজনকভাবে ব্যবহার করা যায়। সজ্জামূলক ডিজাইন করার সময় লক্ষ রাখতে হবে যেন নকশার উপাদান ও নীতিসমূহ অনুসরণ করা হয়। যেমন- ব্যাগের ক্ষেত্রে মূল আকারের সঙ্গে মিল রেখে সজ্জামূলক ডিজাইনের আকার দেওয়া আবশ্যক। পোশাকে সূচী কাজ সজ্জামূলক ডিজাইন। সোহানা তার সাদা জামার উপর লাল এপ্লিক করে। এপ্লিক এক ধরনের সজ্জামূলক ডিজাইন। তাই বলা যায়, সোহানা তার জামায় সজ্জামূলক ডিজাইন করেছে।
সোহানার বস্ত্র নির্বাচন ও ক্রয় যথার্থ হয়নি বলে আমি মনে করি।
পোশাক নির্বাচন ও ক্রয় করার সময় আয়, পেশা, বয়স, পরিবারের সদস্য সংখ্যা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করতে হয়। তা না হলে পোশাক নির্বাচন ও ক্রয় ব্যর্থ হয়। সোহানা তার মায়ের জন্য একটি জামদানি শাড়ি কিনল। আর বাবার জন্য একটি জমকালো পাঞ্জাবি কিনল। এক্ষেত্রে তার পোশাক নির্বাচনটি সঠিক হয়নি। বয়স্কদের জন্য স্বাস্থ্যের অনুকূল ও বয়সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক নির্বাচন করতে হবে। সেক্ষেত্রে তারা আরাম পাবে "এরকম পোশাক নির্বাচন ও ক্রয় করতে হবে। এজন্য সোহানার উচিত ছিল তার মা-বাবার জন্য হালকা রং এবং সাদাসিধা ডিজাইনের পোশাক কেনা। এছাড়া সোহানা তার ছোট বোনের জন্য একটি ফ্রক কেনে। কিন্তু ফ্রকটি সে পরতে পারল না। কারণ একেক বয়সে একেক রকম পোশাক উপযোগী। শিশুর পোশাক স্বাস্থ্যসম্মত, ঢিলেঢালা, ডিজাইন বিবর্জিত এবং উজ্জ্বল রঙের হতে হবে। কৈশোরে এবং যৌবনে পোশাক পরিধান করার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে সৌন্দর্য এবং ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলা। এজন্যে সাধারণত উজ্জ্বল রঙের, বৈচিত্র্যময় ও আধুনিক ডিজাইনের পোশাক নির্বাচন করতে হয়। এসকল বিষয়ে লক্ষ না রেখে সোহানা তার ছোট বোনের জন্য ফ্রক কেনে। তাই সে ফ্রকটি পরতে পারল না। এছাড়া সোহানা পোশাক ক্রয়ের সময় অনেক অর্থ ব্যয় করে। ফলে তার বাবা আপত্তি করেন। কারণ পোশাক নির্বাচন ও ক্রয়ে প্রথমেই আয়ের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। পরিবারের আয় বেশি হলে বস্ত্র খাতে বরাদ্দ বেশি হবে। আর আয় কম হলে এ খাতে বরাদ্দ সীমিত হবে। সীমিত বাজেটে পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে পোশাক যেন টেকসই এবং প্রচলিত ফ্যাশন উপযোগী হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, সোহানা উল্লিখিত বিষয়গুলো মেনে চললে তার পোশাক নির্বাচন ও ক্রয় যথার্থ হতো।
Yarn dying হলো তন্তু থেকে সুতা তৈরি হওয়ার পর একে রং প্রয়োগ করা।
কাপড়ের রং, প্রকৃতি, দাগের উৎস ও স্থায়িত্ব জানার পর দাগ যথাযথভাবে দূর করার কতগুলো সাধারণ নিয়ম রয়েছে।
কাপড়ে দাগ লাগাই মাত্রই তা দ্রুত দূর করার চেষ্টা করতে হবে। দাগ ওঠানোর সময় কাপড়ের প্রকৃতি ও ব্যবহার বিবেচনা করা উচিত। দাগের উৎস যদি অজানা থাকে তবে প্রথমে মৃদু অপসারক ব্যবহার করতে হবে। কাপড় অপসাপরক দ্রবণের মধ্যে বেশিক্ষণ ভিজিয়ে রাখা ঠিক নয়। সাদা ও রঙিন কাপড় থেকে আলাদা আলাদাভাবে দাগ অপসারণ করা উচিত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!