মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্র কণাই পরমাণু।
বর্তনীর চাবি অন করলে যখন ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্ত থেকে বাল্বের ভেতর দিয়ে পরিবাহী তারের মাধ্যমে ঋণাত্মক প্রান্ত পর্যন্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় তখন ঐ বর্তনীকে পূর্ণ বর্তনী বলে।
রিমা ২টি বাল্ব, ১টি ব্যাটারি ও কিছু তারের সাহায্যে একটি সরল বর্তনী তৈরি করল। পার্শ্বে রিমার তৈরি করা বর্তনীটি এঁকে বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করে দেখানো হলো-

রিমা ২টি বাল্ব, ১টি ব্যাটারি ও কিছু তারের সাহায্যে একটি সরল বর্তনী তৈরি করল।
ব্যাটারি হলো বিদ্যুতের উৎস। কোনো পরিবাহী তারের সাথে ব্যাটারি সংযোগ দিলে তারটির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে। রিমা যখন বর্তনী তৈরি করে তাতে ব্যাটারির সংযোগ দিল তখনই ব্যাটারি থেকে বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। বর্তনীটিতে কোনো সুইচ না থাকায় সরাসরি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে বাল্বে পৌছায়। বাল্বে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার সাথে সাথে বাল্বের ফিলামেন্ট প্রচুর তাপ উৎপাদন করে এবং বাল্বের এই ফিলামেন্ট প্রজ্জ্বলিত হয়ে আলো বিকিরণ করতে থাকে।
এভাবে ব্যাটারির সংযোগ দেওয়ার সাথে সাথে দুটি বাল্বই জ্বলে উঠে।
Related Question
View Allযেসব পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে।
একটি দণ্ড চুম্বককে সুতার সাহায্যে ঝুলিয়ে দিলে স্থির অবস্থায় তা সবসময় উত্তর-দক্ষিণ মুখ করে থাকে। ঝুলন্ত চুম্বকটিকে একটু এদিক-সেদিক ঘুরিয়ে ছেড়ে দিলে কিছুক্ষণ দোল খেয়ে আবার উত্তর দক্ষিণ বরাবর অবস্থান নেবে। এ ঘটনা, থেকে অবশ্যই ধারণা করা যায় যে, একটি বাহ্যিক বল দণ্ড চুম্বকটির উপর ক্রিয়া করে তাকে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর থাকতে বাধ্য করছে। পৃথিবীর সবজায়গায়ই এ ঘটনা দেখা যায়। এ থেকে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, পৃথিবী একটি বিরাট চুম্বক।
উদ্দীপকের ১ম চুম্বকটি ঘর্ষণ প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়েছে।

কৌশল: একটি দণ্ড চুম্বক ও একটি চৌম্বক পদার্থ লোহার দণ্ড নিই। লোহার দণ্ডটিকে টেবিলের ওপর রাখি। এবার দন্ড চুম্বকটিকে লোহার দণ্ডের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ঘষে নিই। আবার দণ্ড চুম্বকটিকে তুলে নিয়ে পূর্বের মতো এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে ঘষে নিই। এভাবে বেশ কয়েকবার একমুখী ঘর্ষণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করি। এবার একটি লোহার পিন লোহার, দণ্ডটির নিকটে আনি। দেখা যাচ্ছে, লোহার পিনটি দণ্ডটি কর্তৃক আকৃষ্ট হচ্ছে। অর্থাৎ লোহার দন্ডটি চুম্বকে পরিণত হয়েছে। যদি চুম্বকটির উত্তর মেরু দ্বারা ঘর্ষণ করা হয় তাহলে প্রথম যে প্রান্ত থেকে ঘর্ষণ শুরু হয়েছে দন্ডের সেখানে উত্তর মেরু এবং শেষপ্রান্তে দক্ষিণ মেরুর সৃষ্টি হয়েছে।
এটিই হলো ঘর্ষণের মাধ্যমে চুম্বক তৈরির কৌশল।
উদ্দীপকের ২য় প্রকারের চুম্বকটি বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়। এ পদ্ধতিতে একটি লোহার পেরেককে সাধারণ বৈদ্যুতিক তার দিয়ে পেঁচিয়ে কুণ্ডলী তৈরি করা হয়।

চিত্র: বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে তৈরি চুম্বক
তারপর তারের দুই প্রান্তকে একটি ব্যাটারির দুই প্রান্তের সাথে সংযুক্ত করে একটি আলপিনকে পেরেকের যেকোনো প্রান্তে আনলে দেখা যায় যে পেরেকটি আলপিনকে আকর্ষণ করে। কিন্তু তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিলে পেরেকটি আর আলপিনকে আকর্ষণ করে না।
অর্থাৎ পেরেকটি অস্থায়ী চুম্বকে পরিণত হয়েছে। এভাবে তৈরি চুম্বক ক্ষণস্থায়ী কিন্তু শক্তিশালী। কারণ এদের চৌম্বকত্বের মাত্রা নির্ভর করে প্রবাহিত ব্যাটারির বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর। বিদ্যুৎ প্রবাহ বেশি হলে এদের চৌম্বকত্বের মাত্রাও বেশি হয়। অন্যদিকে ঘর্ষণ পদ্ধতিতে তৈরি ১ম চৌম্বক স্থায়ী হলেও তাদের চৌম্বকত্বের মাত্রা এতো বেশি হয় না।
উপরের আলোচনা হতে বলা যায়, ২য় প্রকারের চুম্বকটি শক্তিশালী হলেও ক্ষণস্থায়ী।
যখন কোনো বিদ্যুৎ যেখানে সৃষ্টি হয় সেখানেই স্থির বা আবদ্ধ থাকে, কোনো পদার্থের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় না তাকে স্থির বিদ্যুৎ বলে।
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই বিদ্যুৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে। ধাতুসমূহ বিদ্যুৎ পরিবাহী। কারণ ধাতুসমূহের সর্বশেষ কক্ষপথে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে, যা স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারে। আর এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলোই বিদ্যুৎ পরিবহনে অংশগ্রহণ করে। এ মুক্ত ইলেকট্রনগুলোর উপস্থিতির কারণে ধাতু বিদ্যুৎ পরিবাহী হয়ে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!