রীমা ও সীমা ট্রেন লাইন দিয়ে হাঁটার সময় অনেক দূরে ট্রেন লাইনের উপরে একটি আলোর ঝলকানি দেখতে পেল। সাথে সাথে লাইনে কান লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর রীমা একটি শব্দ শুনতে পেল কিন্তু দাঁড়িয়ে থাকা সীমা শব্দটি ঘটনাটির ১০ সেকেন্ড পরে শুনলো। ঐ সময় বায়ুতে শব্দের বেগ ছিল ৩৫০ মি./সে. এবং লোহায় শব্দের বেগ ছিল ৫২০০ মি./সে.।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

যে সীমার মধ্যে সৃষ্ট শব্দ আমরা শুনতে পাই তাকে শ্রাব্যতার সীমা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন। মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলাচল করতে পারে না। কিন্তু চাঁদে বায়ু নেই। ফলে চাঁদে শব্দ চলাচলের জন্য কোনো মাধ্যম নেই। এজন্য চাঁদে শব্দের বেগ শূন্য। তাই চাঁদে একজনের কথা অন্যজন শুনতে পায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত
বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৫০ মি./সে.
সীমার শব্দ শুনতে প্রয়োজনীয় সময় ১০ সে.
ঘটনাস্থল থেকে সীমার দূরত্ব = ?
আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব /সময়
বা, দূরত্ব = শব্দের বেগ × সময়
              = ৩৫০ মি./সে. × ১০ সে. = ৩৫০০ মি

অতএব, সীমা ঘটনাস্থল থেকে ৩৫০০ মি. দূরে দাঁড়িয়ে ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক অনুযায়ী, লোহায় শব্দের বেগ ৫২০০ মি./সে.

তাদের থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব ৩৫০০ মি. [গ নং থেকে প্রাপ্ত]

আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়

বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ

             = ৩৫০০ মি. / ৫২০০ মি./সে.

            = ০.৬৭৩০ সে. (প্রায়)।

অর্থাৎ, রীমার শব্দ শুনতে সময় লাগে ০.৬৭৩০ সে.

আবার উদ্দীপক থেকে পাই, সীমার শব্দ শুনতে সময় লাগে ১০ সে.

দেখা যাচ্ছে শব্দ শুনতে রীমার সময় সীমার চেয়ে কম লাগে। কারণ রীমার কাছে শব্দ পৌছে লোহার মধ্য দিয়ে এবং সীমার কাছে শব্দ পৌঁছে বায়ুর মধ্য দিয়ে। আমরা জানি, শব্দের বেগ কঠিন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি এবং বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম। তাই রীমা সীমার চেয়ে আগে শব্দ শুনতে পেল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
212

তোমার ঘরের দরজায় ঠক্ শব্দ হলে তুমি বুঝতে পার তোমার দরজায় কেউ অপেক্ষা করছে। দরজার কলিংবেল বাজলেও আমরা বুঝতে পারি কেউ এসেছে। কারও পায়ের শব্দ শুনে তুমি বুঝতে পার যে, কেউ আসছে। শব্দ আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা অন্যের সাথে যোগাযোগে সহায়তা করে। আমরা আমাদের চারপাশে নানা রকম শব্দ শুনতে পাই। বাঁশির সুর, গাড়ির হর্ন, কুকুরের ঘেউ ঘেউ, ছাগলের ব্যা ব্যা, মুরগির কুকুরুকু, পাখির কলতান ইত্যাদি। শব্দ এক প্রকার শক্তি, যা আমাদের শুনার অনুভূতি জন্মায়। শব্দ কীভাবে উৎপন্ন হয়, কীভাবে সঞ্চালিত হয়, কীভাবে আমরা বিভিন্ন রকম শব্দ চিনতে পারি ইত্যাদি নিয়ে এই অধ্যায়ে আলোচনা করব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • শব্দের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
  • শব্দ সঞ্চালন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • কঠিন, তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগের তুলনা করতে পারব।
  • প্রাণী কীভাবে শব্দ শুনতে পায় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শ্রাব্যতার সীমা ও অপ্রীতিকর শব্দ (noise) ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্রে শব্দ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • দৈনন্দিন জীবনে শব্দের ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক (অপ্রীতিকর শব্দ ও দূষণ) সম্পর্কে নিজে সচেতন হব এবং অন্যদের সচেতন করব।
  • দলগত কাজে সহপাঠিদের বক্তব্য শুনব, সক্রিয় অংশগ্রহণ করব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহযোগিতা করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে শক্তি আমাদের কানে প্রবেশ করে শ্রবণের অনুভূতি জাগায় তাই শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
472
উত্তরঃ

আমরা জানি, শব্দ মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগও বিভিন্ন। যেমন- শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে কঠিন মাধ্যমে, তারপর তরল মাধ্যমে, এরপর বায়ুমাধ্যমে। রেলপাত লোহার তৈরি অর্থাৎ রেলপাত একটি কঠিন মাধ্যম। সুতরাং রেলপাতের মধ্য দিয়ে শব্দ খুব দ্রুত চলাচল করে। তাই রেলপাতে কান রাখলে দূর থেকে রেলগাড়ি চলার শব্দ রেল পাতের মধ্য দিয়ে খুব দ্রুত কানে পৌছায় বলে ঐ শব্দ শোনা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
653
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত,

বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৩০ মি./সে.

শব্দ শোনার সময় = ?

বোমা ফাটার স্থান ও তীরে অবস্থিত লোকটির দূরত্ব ৩৩০০ মিটার

আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়

বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ৩৩০ মি./সে. = ১০ সেকেন্ড

অতএব, বোমা ফাটার স্থান থেকে তীরে অবস্থিত 'লোকটি ১০ সেকেন্ড পর শব্দ শুনবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
420
উত্তরঃ

উদ্দীপক অনুযায়ী, ডুবুরি বোমা ফাটার স্থান থেকে ৩৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত।

সমুদ্রের পানিতে শব্দের বেগ ১৫০০ মি./সে.

শব্দ শোনার সময় = ?

আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়

বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ১৫০০ মি./সে. = ২.২ সেকেন্ড

'গ' হতে পাই, তীরে অবস্থিত লোকটি বোমা ফাটার শব্দ শুনে ১০ সেকেন্ড পর।

অতএব, ডুবুরি ও লোকটি একই সময়ে বোমা ফাটার শব্দ শুনতে পাবে না, ডুবুরি আগে শুনতে পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
439
উত্তরঃ

যে শব্দ শুনতে ভালো লাগে, সুখকর, মধুর ও আনন্দদায়ক সে শব্দই সুশ্রাব্য শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
409
উত্তরঃ

শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দ্বারা কোন সুর চড়া ও কোন সুর মোটা বুঝা যায় তাকে তীক্ষ্ণতা বলে। শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্ক ও দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেলে তীক্ষ্ণতা কমে এবং দৈর্ঘ্য কমলে তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। 'কাজেই বাঁশের বাঁশির দৈর্ঘ্য কম হলে শব্দের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
450
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews