যে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মাছের বিভিন্ন পাখনার পাখনারশ্মির সংখ্যা প্রকাশ করা হয় তাকে পাখনা সূত্র বলে। রুই মাছের পাখনা সূত্র হলো:
D. 15-16(3/12-13); P1.16-17; P2.9; A. 7(2/5); C. 19 (Rahman, 2005)
এখানে, D = Dorsal fin বা পৃষ্ঠ পাখনা; = Pectoral fin বা বক্ষ
পাখনা; = Pelvic fin বা শ্রোণি পাখনা; A = Anal fin বা. পায়ু
পাখনা এবং C = Caudal fin বা পুচ্ছ পাখনা।
Related Question
View Allমিউট্যান্ট জিন হলো এমন একটি জিন যা মিউটেশনযুক্ত হয়েছে, যার ফলে এটি স্বাভাবিক জিনের তুলনায় ভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে, ঠান্ডা লাগলে এবং কানের সংক্রমণের ফলে ওটিটিস মিডিয়া বেশি হয়। এছাড়াও মাতৃদুগ্ধ পান না করলে বা কম পান করলে ওটিটিস মিডিয়া হতে পারে।
উদ্দীপকে মূক-বধিরের প্রতীক দেখানো হয়েছে। দুইজন মূক-বধির ব্যক্তির বিয়ে হলে, জনুতে সবাই স্বাভাবিক হবে কিন্তু এপিস্ট্যাটিক জিন বহন করবে। ফলে জনুতে বিভিন্ন অনুপাতে স্বাভাবিক মূক-বধির সন্তান পাওয়া যাবে। নিচে চেকার বোর্ডের মাধ্যমে জনুর ফলাফল দেখানো হলো-
F₁ জনুর মধ্যে ক্রস:

সুতরাং জনুতে স্বাভাবিক বাক শ্রবণক্ষম এবং মূকবধির সন্তানের সংখ্যা হলো যথাক্রমে ৯ এবং ৭ অর্থাৎ ৯: ৭ অনুপাতে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।
সুতরাং জনুতে সন্তান-সন্ততির মধ্যে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম এবং মূক-বধির সন্তানের সংখ্যা হবে 'যথাক্রমে ৯ এবং ৭ অর্থাৎ ৯:৭অনুপাতে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।
দুইজন মূক বধির ব্যক্তির মধ্যে বিয়ে হলে জনুতে ৯:৭ অনুপাতে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম ও মূক-বধির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। নিচে এর. জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-
দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত দুটি প্রচ্ছন্ন জিন একে অপরের প্রকট অ্যালিলকে বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা প্রদান করলে জিনের সেই আন্তঃক্রিয়াকে বলা হয় দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস। মানুষের জন্মগত মূক-বধিরতা দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিলের কারণে হয়ে থাকে। দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত এপিস্ট্যাটিক প্রচ্ছন্ন জিন এর জন্য দায়ী। এ দুটি জিনের একটি যখন হোমোজাইগাস প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে তখন অন্য প্রকট জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায়। এখানের জিনোটাইপ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দ্বৈত এপিস্টাটিক জিন dd অথবা ee এর উপস্থিতিতে মূক-বধির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। ও প্রচ্ছন্ন জিন দ্বৈত অবস্থায় থাকার কারণে প্রকট হোমোজাইগাস জিন DD ও EE বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায়। ফলে জনুতে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম ও মূক-বধিরের অনুপাত ৯: ৭ হয়।
জিনগত ভিন্নতার কারণে একই প্রজাতির জীবের মধ্যে যে অমিল দেখা যায় তাই হলো প্রকরণ।
উদ্দীপকে 'ক' দ্বারা জনুর ফিনোটাইপিক অনুপাত ১:২:১ কে বোঝানো হয়েছে যা মেন্ডেলের দুইটি মৌলিক সূত্রের মধ্যে প্রথম মৌলিক সূত্রের ব্যতিক্রম। মেন্ডেলের প্রথম সূত্র মতে, জনুতে ৩: ১ ফিনোটাইপিক অনুপাত পাওয়া যায়। পক্ষান্তরে দ্বিতীয় সূত্র মতে, জনুতে ৯:৩:৩:১ অনুপাত পাওয়া যায়। কিন্তু, উদ্দীপক 'ক'-এর ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ প্রকটতার কারণে ৩: ১ এর পরিবর্তে ১:২:১ অনুপাত পাওয়া যায়। যা মেন্ডেলের প্রথম সূত্রেরই ব্যতিক্রম।
মেন্ডেলের ১ম সূত্রকে জননকোষ বিশুদ্ধতার সূত্র বা মনোহাইব্রিড ক্রসের সূত্র বলা হয়। মনোহাইব্রিড ক্রসে পিতামাতা থেকে আগত ফ্যাক্টর বা জিনগুলো মিশ্রিত বা পরিবর্তিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং পরবর্তীতে জননকোষ বা গ্যামেট সৃষ্টির সময় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়। মেন্ডেল তার পরীক্ষায় বিশুদ্ধ লম্বা (TT) ও বিশুদ্ধ খাটো (11) মটর গাছের মধ্যে ক্রস ঘটান। জননকোষ সৃষ্টির, সময় ফ্যাক্টরগুলো পৃথক হয়ে যায়, অর্থাৎ লম্বা গাছের জননকোষে ফ্যাক্টর 'T' এবং খাটো গাছের জননকোষে ফ্যাক্টর । প্রবেশ করবে। পুরুষ ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের , জনুর উদ্ভিদের জিনোটাইপ হবে Tri T জিন: জিনের উপর প্রকট। তাই এদের ফিনোটাইপ লম্বা হয়।
, জনুর মধ্যে ক্রস ঘটালে দু'ধরনের গ্যামেট উৎপন্ন হবে। এদের কোনোটিতে থাকবে । এবং কোনোটিতে থাকবে।। উভয় উদ্ভিদের গ্যামেটগুলোর মিলন ঘটলে জনুতে ফিনোটাইপিক অনুপাত হবে ৩ লম্বা: ১ খাটো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!