থাইরক্সিন হরমোন থাইরয়েড গ্রন্থিতে উৎপাদিত হয়।
গর্ভবতী মহিলাদের টিটি টিকা দেয়া হয় গর্ভস্থ শিশুকে ধনুষ্টংকার রোগ থেকে রক্ষা করার জন্য। গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী মায়ের এই টিটি টিকা নেওয়া আবশ্যক।
রুবা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশু।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা বা মানসিক প্রতিবন্ধিতা হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্বলতা, বুদ্ধি বিকাশে ধীরগতি, শিক্ষা গ্রহণে অক্ষমতা। বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা সাধারণত শিশুর ১৮ বছরের আগেই প্রকাশ পায়।
রুবা জন্ম থেকেই অস্বাভাবিক। তার সার্বিক বিকাশ বয়সের তুলনায় কম। কোনো সাধারণ নির্দেশনা সে বুঝতে পারে না। সে অকারণে কাঁদে ও হাসে। এসব আচরণের মাধ্যমে সহজেই রুবাকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হিসেবে শনাক্ত করা যায়। যে কোনো সূক্ষ্ম কাজ কিংবা সামাজিক আচরণ সে ঠিকমতো করতে পারে না। তাকে একই নির্দেশনা বার বার দিতে হয়। যত্ন ও শিক্ষণের মাধ্যমে এসব শিশুর আচরণের উন্নয়ন ঘটানো যায়। তাই এসব শিশুদের শনাক্ত করে যথাযথ যত্ন ও শিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
রুবার মতো শিশুদের মধ্যে উদ্দীপকে বর্ণিত লক্ষণগুলো ছাড়া আরো লক্ষণ দেখা যায়।
শৈশবে শিশুর হাঁটা, চলা, বসা, কথা বলা কিংবা শিশু যদি কোনো কিছু বুঝতে অসুবিধাবোধ করে, অমনোযোগী হয়, অবাঞ্ছিত আচরণ করে তাহলে সে শিশুকে প্রতিবন্ধী বলা হয়।
রুবার সার্বিক বিকাশ বয়সের তুলনায় কম। যে কোনো সাধারণ নির্দেশনা সে বুঝতে পারে না; অকারণেই কাঁদে ও হাসে। এসব লক্ষণ দেখে বোঝা যায়, সে একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশু।
এ ধরনের শিশুদের হাঁটা, চলা, বসা, কথা বলা ইত্যাদি বিকাশগুলো বয়সের তুলনায় কম হয়। তারা কোনো বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। তাদের একই নির্দেশনা বার বার দিতে হয়। তারা কোনো নির্দেশনা সহজে বুঝতে পারে না। এসব শিশুরা কোনো শিক্ষাও সহজে গ্রহণ করতে পারে না। এমনকি মল-মূত্র ত্যাগের প্রশিক্ষণও সহজে গ্রহণ করতে পারে না। তারা সূক্ষ্ম কোনো কাজ করতে পারে না এবং অবাঞ্ছিত আচরণ করে। তারা সমবয়সীদের সাথে মিশতে পারে না। সামাজিক আচরণ ঠিকমতো প্রদর্শন করতে পারে না। এরা ঘন ঘন অজ্ঞান হয়ে যায় বা খিঁচুনি হয়। এছাড়াও বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত কিছু রোগ যেমন- ক্রিটিনিজম, মাইক্রোসেফালি দেখে বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা সহজে শনাক্ত করা যায়।
উপরিউক্ত লক্ষণগুলো দ্বারাই একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে সহজে শনাক্ত করা যায়।
Related Question
View Allমা ও সন্তানের Rh উপাদানের মিল না থাকাকে Rh অসংগতা বা Rh incompatibility বলে।
কণার শিশুকে প্রতিবন্ধী শিশু হিসেবে শনাক্ত করা যায়।
কণার শিশুটি কোনো বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারে না। হাঁটা-চলাতেও তার সমস্যা রয়েছে। এটা মূলত তার রক্তে বিলিরুবিন (Bilirubin) বেড়ে যাওয়ার কারণেই হয়েছে।
রক্তে যদি বিলিরুবিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় তবে মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতি হয় এবং শিশু মানসিক প্রতিবন্ধী হয়। গর্ভকালীন সময়ে কণা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। তাছাড়া সে ঠিকমতো খাওয়া- দাওয়াও করেনি। অর্থাৎ নিজের প্রতি খেয়াল রাখেনি। ফলে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য যতটুকু পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন তার ঘাটতি হয়েছে। এ কারণেই কণার শিশুটির হাঁটা-চলার অর্থাৎ অঙ্গ সঞ্চালনমূলক বিকাশ ব্যাহত হয়েছে।
কণার অসচেতনতা তার শিশুর প্রতিবন্ধিতার কারণ বলে আমি মনে করি।
কণার শিশুটি প্রতিবন্ধী। গর্ভকালীন সময়ে কণার ম্যালেরিয়া হয়েছিল। তাছাড়া সে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করত না। সে নিজের প্রতি খেয়াল রাখত না।
গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। কারণ গর্ভবতী মায়ের অপুষ্টির ফলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া গর্ভধারণের আগে বিভিন্ন প্রতিষেধক নেওয়াটাও জরুরি। গর্ভকালীন সময়ে কণার ম্যালেরিয়া হয়েছে। গর্ভস্থ শিশুর জন্য এ রোগের প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে শিশুর শারীরিক বিকলাঙ্গতার পাশাপাশি মানসিক প্রতিবন্ধিতাও হতে পারে। বর্তমানে কণার সন্তান কোনো কিছুর প্রতি বেশি মনোযোগ দিতে পারে না। এমনকি সে ঠিকমতো হাঁটতেও পারে না। এগুলো সবই কণার অসচেতনতার ফল।
মা ও সন্তানের Rh উপাদানের মিল না থাকাকে Rh অসংগতা বা Rh incompatibility বলে।
শিশুর শারীরিক গঠন যদি স্বাভাবিক না হয়, হাত অথবা পা না থাকে, কথা বলতে না পারে, চোখে না দেখে অথবা কম দেখে, বুদ্ধিমত্তা কম থাকে, সামাজিক আচরণ ও ভাব বিনিময় ঠিকমতো করতে না পারে, তবে এই ধরনের শিশুদের প্রতিবন্ধী শিশু বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!