রুবেল তার বিদেশি বন্ধু জেমসকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও তার পূর্ববর্তী সময়ের ইতিহাস বর্ণনা করলেন। রুবেল স্পষ্ট করেই ব্যাখ্যা করলেন, অতীতে বাংলাদেশ ছিল ধনসম্পদে ভরপুর। ব্রিটিশ ও পাকিস্তানিদের শাসন ও শোষণে এদেশ পরিণত হয় একটি গরিব ও অনুন্নত রাষ্ট্রে। পাকিস্তানিদের বিমাতাসুলভ আচরণ আমাদের জাতীয় আয়, জীবনযাত্রার মান, ব্যবসায়-বাণিজ্য সর্বক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি করে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ দেশকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশ এখন আর স্থবির রাষ্ট্র নয়।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক কাঠামো বলতে সমাজের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড, অর্থনীতির খাতসমূহের গঠন ও আকৃতি, অর্থ ব্যবস্থার গতিবেগ ও উন্নয়ন এবং মানুষের সাথে মানুষের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ধরনকে বোঝায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। এসময় যোগাযোগ ও পরিবহনব্যবস্থা উন্নত ছিল না। কৃষি ব্যবস্থা ছিল সম্পূর্ণরূপে সনাতন পদ্ধতি নির্ভর এবং আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার ছিল না। অন্যদিকে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল অনেক বেশি কিন্তু অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাত্রা ছিল একেবারে শূন্য। তাই সামগ্রিকভাবে বলা হয়, স্বাধীনতা-পূর্ববর্তী সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল দুর্বল এবং বিপর্যস্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে পাকিস্তান শাসন আমলে আমাদের অর্থনৈতিক বৈষম্য নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

১৯৪৭ সাল থেকে দীর্ঘ চব্বিশ বছরের শাসনামলে পাকিস্তানের শাসকবর্গ পূর্ব পাকিস্তানের স্বার্থ ও উন্নয়ন চাহিদা পরিকল্পিতভাবে অবজ্ঞা করেছিল। পূর্ব পাকিস্তানের উৎপাদিত কাঁচা পাট, চামড়া, চা, ইক্ষু প্রভৃতি পণ্যের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ পশ্চিম পাকিস্তানের শিল্প ও অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় করা হতো। যেমন- ১৯৫৫-৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান লাভ করেছিল ১১৩ কোটি ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা, অপরদিকে পশ্চিম পাকিস্তানে পেয়েছিল ৫০০ কোটি টাকা। একইভাবে ১৯৬০-৬১ সাল থেকে ১৯৬৪-৬৫ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান লাভ করেছিল ৬,৪৮০ মিলিয়ন টাকা আর পশ্চিম পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তা ছিল ২২,২৩০ মিলিয়ন টাকা।
পাকিস্তানি আমলে বিশেষত ষাটের দশকে বিদেশি সাহায্যপুষ্ট পরিকল্পনার আওতায় দেশে উন্নয়ন কার্যক্রম চালানো হলেও পূর্ব পাকিস্তানের এ অঞ্চলে উন্নয়নের মৌলিক ভিত্তি রচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কৃষি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও রূপান্তরের কথা বিবেচিত হয়নি। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি ক্রমান্বয়ে সংকটের দিকে ধাবিত হয় এবং বিনিয়োগের অভাবে বেকারত্ব ক্রমশ বাড়তে থাকে।
অতএব বলা যায়, স্বাধীনতা পূর্ব সময়ে পাকিস্তান শাসনামলে বাংলাদেশ ছিল শোষিত, নির্যাতিত এবং চরমভাবে বৈষম্যের শিকার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময়। নিচে আমার মতামত দেওয়া হলো-
দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে একটি নিম্ন-মধ্য আয়ের উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই বিশ্ব উন্নয়ন ধারার সাথে প্রতিযোগী অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের একটি প্রধান লক্ষ্য হলো রূপকল্প-২০২১ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা। একই সঙ্গে ২০১৫ সাল নাগাদ Millenium Development Goal-MDG পূরণ করাও দেশের আরেকটি আর্থসামাজিক লক্ষ্য।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও দারিদ্র্য বিমোচন আগামীদিনে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর একটি পদক্ষেপ। এর আওতায় ই-গভর্ন্যান্স চালুকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দারিদ্র্য ও বেকারত্ব হ্রাস, দুর্নীতি দমন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং ধর্ম নিরপেক্ষ, উদার ও প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করা হবে।
জিডিপি বৃদ্ধির মাধ্যমে মোট রাজস্ব ও জাতীয় সঞ্চয় বৃদ্ধির প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থনীতির স্বাভাবিক গতিধারা বজায় রেখে ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে জিডিপি'র শতকরা হিসাবে মোট রাজষের পরিমাণ হয়েছে ১৩.৪% ও ১৪.০%। শিল্প খাতের প্রসার ঘটছে এবং শিল্প উৎপাদনের সূচক প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বৃহৎ শিল্পের সুষ্ঠু সংরক্ষণ এবং মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের উন্নয়নে শিল্পনীতিকে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
রপ্তানি বৃদ্ধি ও রপ্তানি খাতের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ১০.২% বেশি।
এছাড়াও, বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এরূপ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
সুতরাং, উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময় এবং এভাবে এগিয়ে যেতে থাকলে ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
30
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন দেশ হলো বাংলাদেশ। ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বাংলাদেশের। অবস্থান বিস্তৃত। এ দেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। সাগরের অবস্থান বাংলাদেশের দক্ষিণে হওয়ার কারণে এ দেশের অবস্থান প্রান্তীয়। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
115
উত্তরঃ

উদ্দীপকে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে। নিচে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রের প্রকৃতি তুলে ধরা হলো-

দারিদ্র্য যেকোনো দেশের জন্যই অভিশাপ। সাধারণত স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ থাকে। সেই দেশগুলোর জনগণের আয় অনেক কম থাকার কারণে সেসব দেশে সঞ্চয়ের পরিমাণও কম হয়। একটি দেশে যখন সঞ্চয়ের পরিমাণ কম হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই সেই দেশে বিনিয়োগ কম হবে। বিনিয়োগ যখন কম হয়, তখন সেই দেশের জনগণ বেকার থাকে। তাদের কর্মসংস্থানের অভাব দেখা দেয়, ফলে নিয়োগ কম হয়। একটি দেশে নিয়োগ, কর্মসংস্থান কম থাকার অর্থ সে দেশের উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো অচল থাকে অথবা উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধও থাকতে পারে। ফলে উৎপাদন কম হয়। একটি দেশের উৎপাদন কম হলে আয় কম হবে, এটাই স্বাভাবিক। এভাবেই একটি দেশ দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ থাকে।
অতএব বলা যায়, একটি দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
89
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অধিক জনসংখ্যা এ দেশের প্রধান বৈশিষ্ট্য। অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৭ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় ২৩.৫ ভাগ লোক বর্তমানে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে।

এ দেশেও তাই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিদ্যমান রয়েছে। এ দেশে অধিক জনসংখ্যার কারণে শ্রম সস্তা। এই সস্তা শ্রমের কারণে জনগণের আয় কম। আয় কম হওয়ার কারণে সঞ্চয় কম। ফলে বিনিয়োগ কম। তবে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে, যার ফলে দেশের অধিক জনসংখ্যার কিছু অংশের কর্মসংস্থান রয়েছে। তার পরও প্রায় ৩ কোটির উপরে বেকার জনগোষ্ঠী এ দেশে রয়েছে। ফলে এই নিয়োগ কম হওয়ায় আশানুরূপ উৎপাদন হচ্ছে না। আশানুরূপ উৎপাদন না হওয়ার কারণে জনগণের আয়ও কম হচ্ছে। এভাবেই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বাংলাদেশকে ঘিরে রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করছে। দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র যত দিন বাংলাদেশ থেকে দূর না হবে, তত দিন বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
85
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১৭৫২ মার্কিন ডলার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত কৃষি। এদেশের মোট শ্রম শক্তির ৪৫.১% কৃষির উপর নির্ভরশীল এবং প্রায় ৭৫% মানুষ কৃষির উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। ২০১৬-১৭অর্থবছরে দেশের জিডিপির ১৪.৭৯% আসে কৃষি থেকে। বাংলাদেশের শিল্পের কাঁচামালের বেশিরভাগই আসে কৃষি থেকে। তাই বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
131
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews