রুমার বয়স ৩০। সে বাচ্চা নিতে ইচ্ছুক তাই ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিতে আসে। ডাক্তার তাকে এখনই বাচ্চা নিতে পরামর্শ দেয়। কারণ গর্ভাবস্থায় যে সকল শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হয় তার মধ্যে জন্মের পূর্বকালীন অবস্থা অন্যতম। তাই ডাক্তার তাকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে বলেন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সঠিকভাবে রঙ দিতে না পারাই হলো বর্ণান্ধতা।

উত্তরঃ

সেরেব্রাল পলসি একটি স্নায়ুবিক ক্ষতিজনিত শারীরিক প্রতিবন্ধিতা। সেরেব্রাল পলসির প্রধান লক্ষণগুলো হলো জন্মের কয়েক সপ্তাহ পর আকস্মিক ঝাঁকুনি, ট্যারা দৃষ্টি, জন্ডিস ইত্যাদি। এছাড়া বয়স অনুপাতে ঘাড় নিয়ন্ত্রণ, হাঁটা, বসা ইত্যাদিরও সমস্যা দেখা যায়।

উত্তরঃ

মায়ের বয়স শিশুর বর্ধন ও বিকাশকে ব্যাহত করে। সঠিক বয়সে গর্ভধারণ না করে ৩০ বা ৩৫ বছর বয়সের পর অর্থাৎ ঋতুবন্ধের বয়স যত নিকটবর্তী হয় তখন সন্তান ধারণের ফলে সন্তানের প্রতিবন্ধী হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।

উদ্দীপকের রুমার বয়স ৩০ বছর। সে বাচ্চা নিতে ইচ্ছুক। ডাক্তারও তাকে এখনই বাচ্চা নেওয়ার পরামর্শ দিলেন। কারণ ঋতুবন্ধের দিকে বয়স যত অগ্রসর হয় তখন শরীরের বিভিন্ন হরমোনের কার্যকারিতা হ্রাস পায়। এই সময়ের গর্ভধারণ ভ্রূণের বিকাশকে মন্থর করে দেয়। তাছাড়া ৩৫ বছরের পর প্রথম সন্তান ধারণ করলে তা প্রতিবন্ধী হওয়ার আশংকা থাকে। তাই বুমার জন্য এখনই বাচ্চা নেওয়ার উপযুক্ত সময়। তাই ডাক্তারও তাকে এখনই বাচ্চা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

উত্তরঃ

মাতৃগর্ভ হলো ভ্রূণের জীবন বিকাশের ভিত্তিকাল। গর্ভাবস্থার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা ভ্রূণের বিকাশকে প্রভাবিত করে। এজন্য গর্ভকালীন সময়ে পারিপার্শ্বিক প্রভাবের উপর বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

পারিপার্শ্বিক প্রভাবের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক প্রভাব শিশুর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা শিশুটি তার মায়ের শরীরের ভেতরই আস্তে আস্তে বেড়ে ওঠে। কিন্তু এসকল বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে কতগুলো বিষয়। এর মধ্যে জন্মের পূর্বকালীন অবস্থা অন্যতম।

শিশু যখন মায়ের গর্ভে অবস্থান করে তখন সে মায়ের থেকেই পুষ্টি লাভ করে। মায়ের অপুষ্টি শিশুর মধ্যে পুষ্টিহীনতা তৈরি করে দেয়। আবার অপরিণত বা বেশি উভয় বয়সেই সন্তান ধারণ করলে তা প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের যদি বিভিন্ন রোগ থাকে বা গর্ভের প্রথম তিন মাসের মধ্যে হাম, রুবেলা, যক্ষ্মার মত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয় তাও শিশুর বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। এছাড়া মায়ের সেবনকৃত ঔষধ রক্তের Rh উপাদান তেজষ্ক্রিয় বিকিরণ প্রভৃতি বিষয়গুলো মায়ের থেকে শিশুকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। আবার গর্ভবর্তী মায়ের মানসিক প্রভাব শিশুর জন্ম পূর্বক বর্ধনকে প্রভাবিত করে। কেননা মানসিকভাবে মা ক্ষতিগ্রস্থ হলে তার শরীরে তখন যে হরমোন নিঃসরন হয় তা সন্তানের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। অর্থাৎ বলা যায় গর্ভাবস্থায় যে সকল শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হয় তার মধ্যে জন্মের পূর্বকালীন অবস্থা অন্যতম। তাই ডাক্তারের বক্তব্যটি যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনে করি।

160

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রতিটি প্রতিবন্ধী শিশুকে তার ক্ষমতার পূর্ণ বিকাশের সুযোগ করে দেওয়া আবশ্যক। তাই তাদের শিক্ষার বিকল্প নেই। প্রতিবন্ধীদের শিক্ষাদানের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিবন্ধীদের সমাজের মূল স্রোতধারায় নিয়ে আসা, সুপ্ত ক্ষমতার পূর্ণ বিকাশ, আত্মবিশ্বাস অর্জন এবং স্বনির্ভর জীবনযাপনের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজে অবদান রাখা।

477
উত্তরঃ

ডাক্তার ইমনের মধ্যে শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা খুঁজে পেলেন। শ্রবণ প্রতিবন্ধী তাদের বলা হয় যারা বধির এবং কানে শোনে না। কান ও শ্রবণ সংবেদন পরিবাহী অঙ্গের কোনো প্রকার ক্ষতির জন্য শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা দেখা দেয়।

শ্রবণ প্রতিবন্ধিতার মাত্রাভেদে কথা শোনা ও কথা বলার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়। কোনো শিশুর ০ থেকে ২৬ ডেসিবল পর্যন্ত শ্রবণ অক্ষমতা থাকলে তাদের শ্রবণে সমস্যা হয় না বলে তাদের স্বাভাবিক শ্রবণক্ষমতা সম্পন্ন হিসাবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু ২৬ ডেসিবল এর চেয়ে তীব্র শব্দগুলো শুনতে সমস্যা হলে সে অবস্থাকে শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা বলা হয়। ইমনের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাকে বার বার ডাকার পর সে সাড়া দেয়। অর্থাৎ সাধারণ ডেসিবলের শব্দ সে শুনতে পায় না। সে যেহেতু স্বাভাবিক মাত্রার শব্দ শুনতে পায় না তাই জোরে বাড়িয়ে টিভি দেখে ও তার উচ্চারণের ক্ষেত্রেও অস্পষ্টতা দেখা যায়। এসকল বৈশিষ্ট্যই একজন শ্রবণ প্রতিবন্ধীর মধ্যে লক্ষ করা যায়। তাই বলা যায়, ইমন একজন শ্রবণ প্রতিবন্ধী।

233
উত্তরঃ

ইমন যেহেতু শ্রবণ প্রতিবন্ধী তাই তাকে শ্রবণ প্রতিবন্ধিতার মাত্রা অনুসারে শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।

ইমনের মতো শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষকের দরকার। শ্রবণ সহায়ক যন্ত্র ব্যবহার করে বা না করে কেবল কানের সাহায্যে যারা অন্যের কথা শুনতে পায় না, তাদের শ্রবণ প্রতিবন্ধী বলে।

শিক্ষক যদি ধীরে ও উচ্চ স্বরে প্রতিবন্ধী শিশুর মনোযোগ আকর্ষণ করে কথা বলেন তবে তা শিশুর শিক্ষা গ্রহণের পক্ষে সহায়ক হবে। গুরুতর ও মধ্যম মাত্রার শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ইশারা ভাষা শিক্ষা দিতে হবে। এছাড়াও সকল ধরনের শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুকে ওষ্ঠপাঠ বিষয়ে শিক্ষা দিলে তাদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সহজ হয়। বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির শ্রবণ সহায়ক বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র পাওয়া যায়। শিশুর প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুযায়ী এ রকম যন্ত্র ব্যবহার করতে দেয়া যায়। তবে শ্রবণ যন্ত্র দেয়া হলে তা ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেয়াও জরুরি।

উপরিউক্ত শিক্ষা পদ্ধতিগুলো প্রয়োগের মাধ্যমে শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের শিক্ষাদান করা যাবে।

221
উত্তরঃ

প্রতিবন্ধী শিশুরা স্বাভাবিক শিশুদের মতো হয় না। সমাজের মানুষের শিক্ষা সচেতনতার অভাবের কারণে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অভিভাবকদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তাদের আচরণের অস্বাভাবিকতার কারণে এসব শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের রাস্তাঘাটে চলাচলে, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে কিংবা যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে নানা ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়।

256
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews