'অপ্রতুল' শব্দের অর্থ যথেষ্ট নয়।
"আমাদের দেশে বাঁশ অপ্রতুল নয়।"- কথাটি দ্বারা আমানে দেশে বাঁশের সহজলভ্যতা বোঝানো হয়েছে।
আমাদের দেশে প্রায় সর্বত্রই বাঁশ পাওয়া যায়। বাঁশ সহজলভহওয়ায় বাঁশের নানা রকম ব্যবহার দেখা যায়। আমাদের দেশেও কারিগররা বাঁশ দিয়ে অনেক রুচিশীল ব্যবহারিক সামগ্রী তৈরি করছে আমাদের দেশের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি তা বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। আর তা সম্ভব হচ্ছে আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণে বাঁ পাওয়া যায় বলেই।
উদ্দীপকে 'আমাদের লোকশিল্প' প্রবন্ধের জামদানি শাড়ির কথা বলা হয়েছে।
আমাদের লোকশিল্পের অন্যতম উপাদান হলো জামদানি শাড়ি মসলিন কাপড়ের শিল্পধারা বহন করে আসছে এই শাড়ি। বর্তমান যুগে এই শাড়ি দেশে-বিদেশে আমাদের গর্বের বস্তু।
'আমাদের লোকশিল্প' প্রবন্ধে লোকশিল্পের অন্যতম প্রধান উপাদান জামদানি শাড়ির কথা বলা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলার নওয়াপাড় গ্রামেই জামদানি শাড়ির কারিগররা বসবাস করেন। ভৌগোলিক অবস্থান, আবহাওয়া ও পরিস্থিতির জন্যই এখানে পড়ে উঠেে তাঁতিদের তাঁতশিল্প। তাঁতিদের তৈরি জামদানি কথা উদ্দীপকেও প্রতিফলিত হয়েছে। শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে জামদানি পল্লি। তাঁতে রেশমি জামদানি বসিয়ে সুতি সুতায় নকশা করে চলছে জামদানি শাড়ি তৈরির আয়োজন। এভাবেই উদ্দীপকে 'আমাদের লোকশিল্প' প্রবন্ধের জামদানি শাড়ির কথা উঠে এসেছে।
"উদ্দীপকটিতে 'আমাদের লোকশিল্প' প্রবন্ধের একটি দিক প্রকাশ পেয়েছে, পূর্ণাঙ্গ বিষয় নয়।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
আমাদের দেশের লোকশিল্পসমূহ আমাদের লোকঐতিহ্যর ধারক ও বাহক। লোকশিল্প আমাদের দেশের ঐতিহ্য ও জীবনের প্রতিনিধিত্ব করে।
উদ্দীপকটিতে আমাদের লোকশিল্পের অন্যতম প্রধান উপাদান জামদানি শাড়ির কথা বলা হয়েছে। শীতলক্ষ্যার তীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে জামদানি পল্লি সেখানকার তাঁতিরা তৈরি করছেন জামদানি শাড়ি। 'আমাদের লোকশিল্প' প্রবন্ধেও জামদানি শাড়ির কথা বলা হয়েছে, যা আমাদের গর্বের বস্তু। নারায়ণগঞ্জ জেলার শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে জামদানি শাড়ির তাঁতশিল্প। প্রবন্ধে এই বিষয়টি ছাড়াও আমাদের লোকশিল্পকেন্দ্রিক আরও নানা বিষয়ের বর্ণনা রয়েছে। আছে কুটিরশিল্পের কথা, যা আমাদের নিত্যব্যবহার্য অধিকাংশ লোকশিল্পের সাথে সম্পৃক্ত। কিন্তু প্রবন্ধে এ সময়ের প্রেক্ষিতে হারিয়ে যাওয়া লোকশিল্প সংরক্ষণের কথাও বলা হয়েছে। কারণ লোকশিল্প আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
'আমাদের লোকশিল্প' প্রবন্ধে লোকশিল্পের নানা বিষয় বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে লোকশিল্পের একটি মাত্র দিক প্রকাশ পেয়েছে, প্রবন্দের পূর্ণাঙ্গ বিষয় নয়। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allখুলনা এলাকার 'মাদুর' সকলের কাছে পরিচিত।
'ঢাকাই মসলিনের কদর ছিল দুনিয়া জুড়ে' বলতে ঢাকাই মসলিনের জনপ্রিয়তার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
একসময় ঢাকা শহরের অদূরে ডেমরা এলাকার তাঁতিদের দ্বারা ঢাকাই মসলিন তৈরি হতো। মসলিন তৎকালীন মোগল বাদশাহদের বিলাসের বস্তু ছিল। এ কাপড়টি অতি সূক্ষ্ম সুতা দিয়ে বোনা হতো বলে ছোট্ট একটি আংটির ভিতর দিয়ে অনায়াসে কয়েকশ গজ মসলিন কাপড় প্রবেশ করানো সম্ভব ছিল। কারিগরি দক্ষতা নয়, কাপড় বোনার জন্য শিল্পীমন থাকা প্রয়োজন।
স্বামীর মৃত্যুর পর রহিমার কাজটি 'আমাদের লোকশিল্প' প্রবন্ধের 'নকশিকাঁথা'র প্রতিনিধিত্ব করে।
আমাদের লোকশিল্পের একটি অন্যতম উপাদান হলো নকশিকাঁথা। নকশিকাঁথা একদিকে যেমন আমাদের ঐতিহ্যের পরিচয় দেয় অন্যদিকে তেমনই অনেক মানুষের জীবিকার উপায় হিসেবে কাজ করে।
উদ্দীপকে রহিমা স্বামী মারা যাওয়ার পর উপায়ান্তর না দেখে নকশিকাঁথা সেলাইয়ের কাজ শুরু করে। সে নকশি তোলা কাঁথার মধ্যে নিজের জীবনের সুখ-দুঃখের স্মৃতি, নানা রকম ফুল ও নকশার মধ্যে দিয়ে সাজিয়ে তোলে। একটি বেসরকারি সংগঠনের মাধ্যমে সেগুলো বিদেশে পাঠানোর সুযোগ পেয়ে সে অনেক টাকা আয় করে। 'আমাদের লোকশিল্প' প্রবন্ধটিতে যা বলা হয়েছে তা হলো- বর্ষাকালে যখন চারদিকে পানি থৈ থৈ করে, ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া যায় না, এমন মৌসুমে নকশিকাঁথা সেলাই করা হতো। মেয়েরা সংসারে কাজ শেষ করে দুপুরের খাওয়া-দাওয়া সেরে পাটি বিছিয়ে পানের বাটাটি পাশে নিয়ে পা মেলে বসতেন এ বিচিত্র নকশা তোলা কাঁথা সেলাইয়ের জন্য।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রহিমার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ এবং হাতে-কলমে কাজের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখা প্রয়োজন। তা হলে নিজের উন্নতির পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন হয়।
আলোচ্য প্রবন্ধে বলা হয়েছে, আমাদের লোকশিল্প শুধু আমাদের বিলাসিতা বা শৌখিনতার জন্যই নয়। বিশ্বের বহু উন্নত দেশের কাছে এ শিল্প সমাদৃত। অতীতে মোগল বাদশাহরা এ ধরনের শিল্পকে সাদরে গ্রহণ করতেন। বর্তমানেও বহু উন্নত জাতি-গোষ্ঠীর মানুষ আমাদের লোকশিল্প অনেক মূল্য দিয়ে কিনে নিচ্ছে। 'আমাদের লোকশিল্প' প্রবন্ধের এদিক বিবেচনায় উদ্দীপকের রহিমা একজন লোকশিল্প সংরক্ষণ ও উন্নয়নের প্রতিনিধি। রহিমার মতো হাজারো নারী এ শিল্পের সাথে জড়িত থেকে বিদেশি মুদ্রা নিয়ে আসছে দেশে। তারা দেশের অর্থনীতিকে শক্তি পার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
আমাদের লোকশিল্প' প্রবন্ধে শিল্পী কামরুল হাসান নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার এবং দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য যেসব কুটিরশিল্পের কথা বলেছেন নকশিকাঁথা সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। উদ্দীপকের রহিমা ছোটবেলা থেকেই বাঁশ-বেত দিয়ে সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তৈরি করত। আচমকা স্বামী মারা গেলে নকশিকাঁথা সেলাইয়ের কাজই তার সংসারে আয় করার সুযোগ করে দিয়েছে। তাই বলা যায়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রহিমার অব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিল্পগুণ বিচারে আমাদের কুটিরশিল্প লোকশিল্পের মধ্যে পড়ে।
বর্ষাকাল নকশিকাঁথা তৈরির উপযুক্ত সময়। কারণ এ সময় বৃষ্টি থাকায় ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া যায় না এবং কৃষকবধূরা অবসর থাকে।
নকশিকাঁথা লুপ্তপ্রায় গ্রামীণ লোকশিল্প। এক সময় বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে এ নকশিকাঁথা তৈরির রেওয়াজ ছিল। বর্ষাকালে যখন চারদিকে পানি থৈ থৈ করে, ঘর থেকে বের হওয়া যায় না, এমন মৌসুমই ছিল নকশিকাঁথা সেলাইয়ের উপযুক্ত সময়। মেয়েরা সংসারের কাজ শেষ করে পাটি বিছিয়ে পানের বাটাটি পাশে নিয়ে পা মেলে বসতেন, মনের মতো করে নকশিকাঁথা সেলাই করতেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!



