'রূপসী বাংলা' কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতা। মূলত বাংলার প্রকৃতি, রূপ, সৌন্দর্য তার কাব্যের উপজীব্য। শুধু তাই নয়, তার অন্য সব কাব্যেও দেখা যায় তাঁর প্রকৃতিপ্রেম। এই প্রেমের পিছনে রয়েছে বাঙলার নৈসর্গিক সৌন্দর্যের প্রভাব। শুধু তিনিই নন, মাইকেল মধুসূদন দত্ত থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, আল মাহমুদ, মহাদেব সাহা সবাই বাংলার কোমল ও কঠিন দুই রূপের বহিঃপ্রকাশে পাগলপারা।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

বাংলা মায়ের মেয়েরা কান্নাফুলের নকশা বোনে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলা মায়ের দুপুরের তন্দ্রা ভেজে ঘুঘুর বিলাপজলে।

দুপুরে বাংলার মানুষ ও প্রকৃতিতে নীরবতা ও ক্লান্তি নেমে আসে। সারাদিনের পরিশ্রমের উপর এসময় মানুষের চোখে তন্দ্রা নেমে আসে। আর ক্লান্ত ঘুঘুর ডাকে সে তন্দ্রা আরও ঘনীভূত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কবিদের বাংলা ও বাংলার প্রকৃতিপ্রেম, রূপ ও সৌন্দর্য থেকে কবিতা রচনার প্রেরণার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। 'গরবিনী মা-জননী' কবিতার কবিও তার জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও গর্ববোধ থেকে কবিতা রচনা করেছেন।

উদ্দীপকে জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যের কথা বলা হয়েছে, যা বাংলার প্রকৃতির রূপে মুগ্ধতার ফল। একইভাবে, মাইকেল মধুসূদন দত্ত থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়সহ আরও অনেক কবি বাংলার নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও কোমল-কঠিন দুই রূপের প্রতি পাগলপারা হয়ে কাব্যচর্চা করেছেন। এই অপার সৌন্দর্য ও রূপের প্রতি আকর্ষণই তাদের কবিতা লেখার প্রধান অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

'গরবিনী মা-জননী' কবিতার কবি সিকান্দার আবু জাফরও তার জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক রূপ, ঐতিহ্য এবং সংগ্রামী গৌরবকে তার কবিতার মূল উপজীব্য করেছেন। উদ্দীপকের মতো তিনিও বাংলার অকৃত্রিম সৌন্দর্য, মানুষের দৃঢ়তা এবং দেশের প্রতি গভীর মমত্ববোধকে তার লেখার প্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের আলোচ্য দিকটিই 'গরবিনী মা-জননী' কবিতার কবির কবিতা লেখার প্রেরণা।

Satt AI
Satt AI
6 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক 'গরবিনী মা-জননী' কবিতার একটি বিশেষ দিক, অর্থাৎ বাংলার প্রকৃতির রূপ ও সৌন্দর্যকে তুলে ধরলেও, কবিতার মূল ভাব ও ব্যাপকতাকে সম্পূর্ণরূপে ফুটিয়ে তুলতে পারেনি। উদ্দীপকে মূলত কবি জীবনানন্দ দাশসহ অন্যান্য বরেণ্য কবি-সাহিত্যিকদের কাব্যে বাংলার প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের প্রভাব এবং সেই সৌন্দর্যচেতনার গভীরতা বর্ণনা করা হয়েছে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে যে 'রূপসী বাংলা' কাব্যে জীবনানন্দ দাশ বাংলার প্রকৃতি, রূপ, সৌন্দর্যকে উপজীব্য করেছেন এবং তাঁর অন্যান্য কাব্যেও প্রকৃতিপ্রেম দেখা যায়। মাইকেল মধুসূদন দত্ত থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, আল মাহমুদ, মহাদেব সাহা প্রমুখ কবি-সাহিত্যিকরাও বাংলার কোমল ও কঠিন দুই রূপের বহিঃপ্রকাশে মুগ্ধ ছিলেন। এটি বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও এর প্রতি কবিদের আকর্ষণকে চমৎকারভাবে উপস্থাপন করে।

তবে সিকান্দার আবু জাফরের 'গরবিনী মা-জননী' কবিতাটি কেবল বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত নয়। এই কবিতাটি বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহস, সংগ্রাম এবং সর্বোপরি আত্মমর্যাদাশীল 'মা-জননী' রূপী বাংলাদেশের গৌরবময় সত্তাকে ধারণ করে। এটি মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা, তার অর্জন ও ত্যাগের মহিমাকে তুলে ধরে। উদ্দীপকের বর্ণনা বাংলার রূপ ও সৌন্দর্যকে প্রকাশ করলেও, 'গরবিনী মা-জননী' কবিতার মূল উপজীব্য যে মাতৃভূমির গর্বিত অস্তিত্ব, তার সংগ্রাম ও বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস, সেটিকে সেভাবে তুলে ধরতে পারেনি।

সুতরাং, উদ্দীপক 'গরবিনী মা-জননী' কবিতার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিষয়ক দিকটিকে আংশিকভাবে উপস্থাপন করলেও, কবিতার কেন্দ্রীয় ভাব, অর্থাৎ মাতৃভূমির গৌরব, সাহস, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের বৃহত্তর চিত্রকে সম্পূর্ণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেনি। কবিতাটির নামেই যে 'গরবিনী' শব্দটি রয়েছে, তার গভীর তাৎপর্য উদ্দীপকের বর্ণনায় অনুপস্থিত।

Satt AI
Satt AI
6 days ago
378

গরবিনী মা-জননী

সিকান্দার আবু জাফর

ওরে আমার মা-জননী

জন্মভূমি বাঙলারে

তোর মত আর পুণ্যবতী

ভাগ্যবতী বল মা কে ॥

কার চোখে মা নদীর কাজল

সবুজ তৃণের আঁচল বুকে

কার পায়ে মা ধুলোর নূপুর

সন্ধ্যা দুপুর বেজেই চলে।

রোজ ভোরে কে শিশির খোঁপায়

বকুল যুথীর গন্ধ মাখে

কার দুপুরের তন্দ্রা ভেজে

ক্লান্ত ঘুঘুর বিলাপ-জলে ॥

কামার কুমোর জেলে চাষী

বাউল মাঝি ঘর-উদাসী,

কার ছেলেরা নিত্য হাজার

মরণ-মারের দণ্ড গোনে,

ছেলের বুকের খুন ছোপানো

কোন্ জননীর আঁচল-কোণে

দুর্ভাগিনী কার মেয়েরা

কান্নাফুলের নকশা বোনে ॥

সেই মাকে যার হাজার হাজার

মা-নাম-ডাকা পাগল ছেলে

মায়ের নামে ঝাঁপিয়ে পড়ে

ভয়ঙ্করের দুর্বিপাকে।

কার ছেলে মা উপড়ে ফ্যালে

বুলেট ফাঁসির শাসন-কারা

দুখের ধূপে সুখ পুড়িয়ে

কার ছেলে মুখ উজল রাখে ॥

তুই তো সে-মা ও মা

তুই তো রে সেই গরবিনী

রক্তে-ধোওয়া সরোজিনী

যুগ-চেতনার চিত্তভূমি

নিত্যভূমি বাঙলারে ।

(অংশবিশেষ)

Related Question

View All
উত্তরঃ

'রক্তে-ধোওয়া সরোজিনী' বলতে আত্মত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত দেশমাতৃকাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

'গরবিনী মা-জননী' কবিতার কবি দেশমাতৃকা বাংলাকে তুলনা করেছেন কোমল পদ্মের সাথে। দেশমাতৃকার মর্যাদা রক্ষার জন্য এদেশের সন্তানেরা অনেক সংগ্রাম করেছে, বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। এ কারণেই কবি দেশমাতাকে 'রক্তে-ধোওয়া সরোজিনী' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
620
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সাজিদের মাধ্যমে 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় উল্লিখিত দেশমাতৃকার মুক্তির লক্ষ্যে যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকারের অঙ্গীকার করার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় সর্বাবস্থায় বাংলা মাকে রক্ষার দৃঢ়প্রতিজ্ঞার কথা উঠে এসেছে। এই মায়ের মর্যাদা রক্ষার জন্য তাঁর সন্তানেরা অনেক কষ্ট স্বীকার করে। তবুও কোনো অন্যায় অবিচারকে তারা মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। দেশমাতৃকার জন্য প্রয়োজনে বুকের তাজা রক্ত উৎসর্গ করতেও তাদের দ্বিধা নেই। উদ্দীপকে বর্ণিত সাজিদ তার মাকে অনেক ভালোবাসে। মায়ের মুখের হাসির জন্য সে যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। এমন মাতৃভক্তির প্রকাশ 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায়ও লক্ষ করা যায়। সাজিদের বক্তব্যে কবিতার এ বিশেষ দিকটিই ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
348
উত্তরঃ

প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'গরবিনী মা-জননী' কবিতা উভয় ক্ষেত্রেই মায়ের মহিমা ও তাঁর প্রতি সন্তানের গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তি প্রকাশ পেয়েছে।

সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় দেশমাতৃকার বন্দনা প্রকাশিত হয়েছে। মাতৃভূমি মমতা দিয়ে তাঁর সন্তানদের বুকে আগলে রাখেন। দেশমাতৃকার মর্যাদা রক্ষায় তাই তার সন্তানেরাও থাকে অবিচল।

উদ্দীপকে বর্ণিত সাজিদ তাঁর মায়ের অসামান্য ত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন। শত প্রতিকূলতার মাঝেও তাঁর রত্নগর্ভা মা সন্তানদের মানুষ করেছেন। সাজিদ তাই মায়ের প্রতি সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে অঙ্গীকার করেছেন- মায়ের মুখের হাসি ফোটাতে তিনি যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকবেন।

'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় দেশকে মায়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে। মা-ই পৃথিবীতে আমাদের সবচেয়ে আপনজন। মায়ের মতো দেশও আলো-বাতাস দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। তাই মাকে আমরা যেমন ভালোবাসি দেশের জন্যও আমাদের তেমন ভালোবাসাই জ্ঞাপন করতে হবে। মায়ের জন্য আমরা যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকব। দেশের মর্যাদা রক্ষার জন্য নিজিদের বিলিয়ে দিতে থাকব। উদ্দীপকে মায়ের কথা বলা হয়েছে, আর আলোচ্য কবিতায় দেশমাতৃকার কথা। তবে উভয় ক্ষেত্রেই মায়ের জন্য একই অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। সার্বিক বিবেচনায় তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
274
উত্তরঃ

সাহসী ও সংগ্রামী সন্তানদের কারণে বাংলাদেশ গর্বিত।

বিভিন্ন পেশাজীবী সন্তান দেশমাতৃকার কোল জুড়ে থাকে। এই মাকে রক্ষা করার জন্য এই সন্তানরা শত কষ্ট সহ্য করে। কোনো অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারকে তারা মেনে নিতে পারে না। দেশের জন্য তারা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতেও দ্বিধা করে না। দেশমাতৃকাকে সমস্ত দুঃশাসন থেকে রক্ষার জন্য মায়ের সন্তানরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা যেকোনো দুঃসময়ে জেল জুলুম ফাঁসির দণ্ড মাথায় নিয়ে নিজের সুখ শান্তি ও আলস্য পরিহার করে দেশের জন্য আত্মত্যাগ করতে দ্বিধা করে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
219
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews