রেখেছি আমার আমার প্রাণস্বপ্নকে
বঙ্গোপসাগরেই,
ভয়াল ঘূর্ণি সে আমার ক্রোধ
উপমা যে তার নেই।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

পদ্মার দুই তীরে সংগ্রামী মানুষ লাঙল চালিয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্য-দুরন্ত হার্মাদ'- পঙ্ক্তিটির মধ্য দিয়ে পদ্মার প্রমত্ত রূপ দেখে অভিজ্ঞ জলদস্যুদের ভীতসন্ত্রস্ত হওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে।
জলদস্যুরা বিভিন্ন নদী ও সমুদ্রে ঘুরে বেড়ায়। বহু ঢেউ, বহু ঘূর্ণি দেখে তারা অভ্যস্ত। যেহেতু জলে ভেসে ডাকাতি করাই তাদের পেশা, তাই এক্ষেত্রে তারা যথেষ্ট অভিজ্ঞ। কিন্তু পদ্মার ভয়ংকর মূর্তি দেখে এ অভিজ্ঞ জলদস্যুরাও ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। উপর্যুক্ত পঙক্তিটিতে এ দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত পদ্মা নদীর ঘূর্ণিময় প্রলয়ংকর রূপটি প্রতিফলিত হয়েছে।
পদ্মা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। প্রবল স্রোত ও উদ্দাম গতিবেগের জন্য এ নদীকে তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার ঘূর্ণি দেখে অভিজ্ঞ জলদস্যুর বুকেও ভয় জাগে। বহু সমুদ্র ঘোরার অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ জলদস্যুরা। কিন্তু পদ্মার বুকে এসে তারাও শিউরে ওঠে। কেননা, এর ভয়াল স্রোত তাদের বুকে কাঁপন ধরায়।
উদ্দীপকে বঙ্গোপসাগরের ভয়াল ঘূর্ণির কথা বলা হয়েছে। কবি তার পুঞ্জীভূত ক্রোধকে সাগরের ভয়ংকর ঘূর্ণির সঙ্গে তুলনা করেছেন। কবি বঙ্গোপসাগরের জলঘূর্ণিকে তার অনুভূতি প্রকাশের শ্রেষ্ঠ উপমা মনে করেন। 'পদ্মা' কবিতায়ও আমরা প্রমত্ত পদ্মার ভয়ংকর রূপটিকেই দেখি। যে জলদস্যুরা নদী আর সমুদ্রের বুকে ঘুরে বেড়ায়, বহু ঢেউ দেখে যারা অভ্যস্ত, তারাও পদ্মার প্রলয়ংকর রূপ দেখে ভয়ে শিউরে ওঠে। উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার পদ্মা নদীর এ প্রমত্ত রূপের দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

পদ্মা' কবিতায় প্রকাশিত পদ্মা নদীর কল্যাণময়ী রূপ উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি বলে আলোচ্য মন্তব্যটিকে যথার্থ বলা যায়।
পদ্মা প্রমত্ত এক নদীর নাম। এটি প্রবল জলের তোড়ে সবকিছু ভাসিয়ে নেয়। প্রমত্ত ঘূর্ণিতে ডুবিয়ে দেয় বহু নৌকা আর জলযান। খরস্রোতা এ নদী তার তারুণ্য আর গতিময়তার জন্য সর্বজনবিদিত। পদ্মা তার তীরবর্তী মানুষদের জন্য তৈরি করে শস্যের সম্ভাবনা। এর পলি পড়ে ভূমি হয়ে ওঠে উর্বর। সেই ভূমিতে ফলে সোনার ফসল, পদ্মা জড় সমাজ ও সমাজের বুকে গতির প্লাবন নিয়ে আসে। আলোচ্য কবিতায় পদ্মার ভয়ংকর রূপ বর্ণনার পাশাপাশি এ নদীর প্রাণসঞ্চারী রূপও বর্ণিত হয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কবি তার বহুযুগ লালিত পুঞ্জীভূত ক্ষোউকে বঙ্গোপসাগরের ভয়াল ঘূর্ণির মধ্য দিয়ে রূপায়িত হতে দেখেন। কবি তার স্বপ্ন আর আশা বঙ্গোপসাগরের হাতে সমর্পণ করেন। অন্যদিকে, 'পদ্মা' কবিতায়ও আমরা পদ্মা নদীর ভয়ংকর ঘূর্ণির দৃশ্য দেখি। অভিজ্ঞ জলদস্যুও তা দেখে ভয়ে সন্ত্রস্ত হয়।
'পদ্মা' কবিতায় আমরা এ ছাড়াও পদ্মার ইতিবাচক নানা দিক দেখতে পাই। উদ্দীপকে গণমানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ বঙ্গোপসাগরের ভয়াল ঘূর্ণির মধ্য দিয়ে রূপায়িত হয়েছে। অন্যদিকে 'পদ্মা' কবিতায়ও ভয়ংকর ঘূর্ণির দিকটি রয়েছে। পাশাপাশি এখানে পদ্মার চারপাশ সবুজ ফসলময় করে
তোলার প্রসঙ্গটি গুরুত্ব পেয়েছে। তাই "উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে।"- এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
74

অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে চের সমুদ্রের স্বাদ, 

জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর

কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ 

তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর। 

সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল

কঠিন শ্রমের ফল শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর;

উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল

 জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়, নির্ভীক জওয়ান 

সবুজের সমারোহে জীবনের পেয়েছে সম্বল।

বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান, 

অসংখ্য জীবন, আর জীবনের অজস্র সম্ভার, 

হে নদী! জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান,

মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণবার 

তোমার সুতীব্র গতি। তোমার প্রদীপ্ত স্রোতধারা ॥

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয় নিভীক জওয়ান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
284
উত্তরঃ

'মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার'- বলতে মূলত স্থবির জনজীবনে পদ্মার গতি সঞ্চারের দিকটিকে বোঝানো হয়েছে।
পদ্মা তীব্র স্রোতঃস্বিনী নদী, প্রবল তার ঘূর্ণি। অশেষ তার উদ্দামতা। পদ্মার তীব্র বেগ ও গতি জনজীবনেও গতির প্লাবন নিয়ে আসে। জড় সমাজ যেন জেগে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে। পদ্মার তীব্র গতি মানুষের জীবনপ্রবাহের গতিহীন স্তন্দ্বতার বুকে এনে দেয় মুক্তির স্পন্দন। এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
398
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত প্রমত্ত পদ্মার বিধ্বংসী আচরণের সামঞ্জস্য লক্ষ করা যায়।
পদ্মা বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী। তীব্র গতিবেগ ও স্রোতের উদ্দাম নৃত্য এ নদীকে ভিন্নমাত্রা দিয়েছে। পদ্মা যেন তার গতিবেগ দিয়ে জনজীবনের গতি নিয়ে আসে। তবে বর্ষা মৌসুমে এ নদীর প্লাবনে মানুষের জানমালের অনেক ক্ষতি হয়। এর সুতীব্র স্রোত ভাসিয়ে নেয় মানুষের সাজানো বাগান, জনজীবন। 'পদ্মা' কবিতায় কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী রূপের পরিচয় দিয়েছেন।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর প্রলয়ংকর রূপটি দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। পদ্মার তুফান দেখে তীরবর্তী মানুষের অন্তর কেঁপে ওঠে। পদ্মায় যে সর্বনাশা
ঝড় তৈরি হয় তা প্রাণঘাতী হতে পারে নিমেষেই। উড়িয়ে নিতে পারে ঘরবাড়ি। একইভাবে, 'পদ্মা' কবিতায়ও কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী
রূপের অবতারণা করেছেন। পদ্মার স্রোতে মানুষের সাজানো বাগান ভেসে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে এ কবিতাটিতে। শুধু তাই নয়, জীবনের
অজস্র সম্ভারও হুমকির মুখে পড়ে পদ্মার করাল গ্রাসে। উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার এ দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
132
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কেবল পদ্মা নদীর বিধ্বংসী রূপটি ফুটে ওঠায় তা আলোচ্য কবিতার আংশিক রূপায়ণ।
পদ্মা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ নদী। স্বকীয় ভঙ্গিতে ঢেউ তুলে উদ্দাম গতিতে এ নদী নিরন্তর ছুটে চলে। জনজীবনে সঞ্চার করে গতি। ঝিমিয়ে পড়া জীবনও যেন পদ্মার প্রাণপ্রবাহে জেগে ওঠে। বর্ষাকালে নদীতীরের জনপদের জন্য পদ্মা ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হয়। এভাবে আলোচ্য কবিতাটিতে পদ্মা নদীর বিধ্বংসী ও কল্যাণময়ী দুই রূপই চিত্রিত হয়েছে।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর নেতিবাচক দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। পদ্মার দুরন্ত তুফান দেখে মানুষের প্রাণ আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। জীবননাশের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ তটস্থ হয়ে পড়ে। এভাবে উদ্দীপকটিতে কেবল পদ্মার সংহার রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। পক্ষান্তরে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটি দিকই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
আলোচ্য কবিতায় পদ্মা যেমন নির্মম ও প্রলয়ংকর রূপে উপস্থিত, তেমনি আশপাশের অঞ্চলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে মানুষের অন্ন সংস্থানেও পদ্মাকে ভূমিকা রাখতে দেখা যায়। পদ্মা এখানে স্রোতের বেগে মানুষের সাজানো বাগান, জীবনের অজস্র সম্ভার ভাসিয়ে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, পদ্মার পলি পড়া চরে চাষাবাদ করে সংগ্রামী মানুষ সোনার ফসল ফলায়। পেয়ে যায় জীবনের সম্বল। উদ্দীপকে পদ্মা নদীকে শুধু প্রলয়ংকর রূপেই চিত্রিত করা হয়েছে। পদ্মার কল্যাণময়ী রূপটি এখানে দৃশ্যমান নয়। অন্যদিকে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার নির্মম রূপের পাশাপাশি মমতাময়ী রূপটিও দৃশ্যমান। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
127
উত্তরঃ

ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
143
উত্তরঃ

পদ্মা' একটি সার্থক সনেট বা চতুদর্শপদী কবিতা।
'পদ্মা' কবিতায় প্রথম চারটি স্তবক তিন পঙ্ক্তিযুক্ত এবং শেষের স্তবকটি দুই পঙ্ক্তিতে বিন্যস্ত। চৌদ্দ চরণবিশিষ্ট কবিতাটির প্রতিটি পত্তি ১৮ - মাত্রার। কবিতাটির মিল বিন্যাস- কখক খগখ গঘগ ঘঙঘ ঙঙ। পুরো কবিতাটি পদ্মা নদীকে নিয়ে মূলত একটি অখণ্ড ভাবের দ্যোতনা দেয়। কবিতাটিতে বিশেষ ধরনের অন্ত্যমিল রক্ষিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
210
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews