রেজোয়ান সমুদ্র উপকূলে বাস করে। ২০০৭ সালে সিডরে তার এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়। রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ সকল সমস্যা সমাধানের জন্য জেলার সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্মকর্তার নিকট একটি আবেদন জানানো হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ সমস্যাগুলো সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

দেশে সংসদ আছে কিন্তু সংসদ অধিবেশন নেই, এমতাবস্থায় দেশের জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বিচার বিভাগের একটি অভিনব ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল।
এটি প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার বাইরে গঠিত বিশেষ বিচার ব্যবস্থা। বাংলাদেশের সংবিধানে এ ধরনের বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। সংবিধানের ১১৭ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'জাতীয় সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।' সংবিধানের ১১৭ (১) (ক) ও (খ) নং অনুচ্ছেদে অর্থদণ্ড বা অন্যদন্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলি; যে কোনো রাষ্ট্রায়াত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ কর্মসহ কোনো আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোনো সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

রেজোয়ানের এলাকার যে স্থানীয় সরকারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা হলো জেলা প্রশাসন।
উদ্দীপকের বর্ণনায় দেখা যায়, রেজোয়ান সমুদ্র উপকূলে বাস করে। ২০০৭ সালে সিডরে তার এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়। রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ সকল সমস্যা সমাধানের জন্য জেলার সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্মকর্তার নিকট একটি আবেদন জানানো হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ সমস্যাগুলো সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। পাঠ্যবইয়ের বর্ণনা মতে, জেলা প্রশাসন গঠিত হয় একজন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) ও তার অধস্তন অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে। বাংলাদেশের মাঠ পর্যায়ের অন্যতম প্রধান স্তর এই জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের প্রধান হলেন ডিসি। তিনি জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে এবং অধস্তন উপজেলার মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করেন। জেলা প্রশাসনকে কেন্দ্র করেই সমগ্র জেলার প্রশাসন পরিচালিত ও আবর্তিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

রেজোয়ানের আবেদন তার এলাকার সমস্যা সমাধানে সহায়ক ছিল। আমি এ উক্তির সাথে একমত।
রেজোয়ান আবেদন করেছিল জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্তা ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক বা ডিসির কাছে। ডেপুটি কমিশনার অন্যান্য কাজের সাথে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকেন, যা রেজোয়ানের সমস্যা সমাধানের সাথে সম্পৃক্ত।
পাঠ্যবইয়ের বর্ণনায় দেখা যায়, জেলা প্রশাসক খাদ্যশস্য সংগ্রহ এবং গুদামজাতকরণে সহায়তা করে থাকেন। খাদ্যশস্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের লাইসেন্স প্রদান, খাদ্য নিরাপত্তা গড়ে তোলা এবং খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে থাকেন। দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত স্থায়ী আদেশ ও নীতিমালা, বিভিন্ন পরিচয়পত্র, প্রজ্ঞাপন, আদেশ ও নির্দেশনা অনুযায়ী দুর্যোগকালীন ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন জেলা প্রশাসক। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা তাৎক্ষণিক পরিদর্শন, দরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি ও বাস্তবায়ন, ডিজিএফ/ভিজিডি বাস্তবায়ন ইত্যাদি কার্যাদি সম্পাদন করেন।
সুতরাং রেজোয়ানের আবেদন তার এলাকার সমস্যা সমাধানের সহায়ক ছিল এজন্য যে, রেজোয়ান যে কারণে আবেদন করেছিল তা জেলা প্রশাসকের কাজেরই অন্তর্ভুক্ত ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
21

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে বিচারকদের স্বাধীনভাবে বিচার কাজ পরিচালনা করার ক্ষমতাকে বোঝায়।
কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা বিচারের - মাপকাঠি হলো সে দেশের বিচার বিভাগ কার্য সম্পাদনে কতটুকু স্বাধীন। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা সমাজব্যবস্থার প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। জনগণের মৌলিক অধিকার, সংবিধান এবং আইন সংরক্ষণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জরুরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
111
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আবুল কালামের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদের সাদৃশ্য রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী। তিনি হলেন শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি। তাকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রিসভা গঠিত ও পরিচালিত হয়। তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ দেন। তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধান করেন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা হারালে কিংবা অন্য কোনো কারণে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন। তিনি একাধারে দলের নেতা, সংসদের নেতা, মন্ত্রিসভার মধ্যমণি, রাষ্ট্রপতির পরামর্শদাতা এবং জাতির নেতা ও পথপ্রদর্শক। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা এবং সংহতির প্রতীক।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আবুল কালাম 'Y' রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী। তাকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। তিনি এমন এক সূর্য যার চার দিকে রাজনৈতিক গ্রহগুলো আবর্তিত হয়। উদ্দীপকের 'Y' এর মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তাঁর নেতৃত্বেই মন্ত্রিসভা পরিচালিত হয়। আর তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পদের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
86
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পদ অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
একটি দেশের জনগণ তাদের সরকারের ওপরই সর্বোতভাবে নির্ভরশীল। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। এ ব্যবস্থায় জনগণ প্রধানমন্ত্রীকেই তাদের মূল আশ্রয় বলে মনে করে। তার ওপর দেশের উন্নতি, অবনতিত, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন প্রভৃতি অনেকাংশে নির্ভর করে।
বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। তাই প্রধানমন্ত্রী এ দেশের শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী। দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি পর্যন্ত সব বিষয়ের সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট। দেশের উন্নয়নে সব ধরনের পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেন। সরকারের যেকোনো ব্যর্থতা তার ওপর বর্তায়। এ কারণে তৃণমূল থেকে জাতীয় সব পর্যায়েই তাকে নিপুণ দক্ষতার পরিচয় দিতে হয়। তিনি জরুরি পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক সংকট প্রভৃতি ক্ষেত্রে জনগণের পাশে দাঁড়ান, সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং বক্তব্য-বিবৃতির মাধ্যমে জনগণকে ভরসা দেন। জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতি রক্ষার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বাংলাদেশের মতো সংসদীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রীর যথাযথ ও কল্যাণমূলক কর্মকান্ডের ফলে জনগণ সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারে এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন ঘটে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পদটি অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হলেন জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
68
উত্তরঃ

আইনসভা কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন কিংবা শাসন বিভাগের কাজ সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা বিচার বিভাগ কর্তৃক পর্যালোচনা করার ক্ষমতাই হলো বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা।
বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ধারণাটির উদ্ভব হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক। সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষাকারী হিসেবে বিচার বিভাগ এর শ্রেষ্ঠত্ব অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য সচেষ্ট থাকে। বিচার বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আইনসভা কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন সংবিধানের সাথে অসংগতিপূর্ণ, তাহলে তা বাতিল করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের রয়েছে। তেমনি শাসন বিভাগের কোনো কাজ সংবিধানসম্মত না হলে বিচার বিভাগ তা অবৈধ ঘোষণা করতে পারে। সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব ও পবিত্রতা বজায় রাখতে বিচার বিভাগ এ ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
93
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews