দাগ অপসারণের সময় কাপড়ের প্রকৃতি ও ব্যবহার বিবেচনা করা উচিত। হক 'ক' তে আছে অ্যালকোহল, কেরোসিন, তারপিন।
ছক 'খ' তে আছে বেনজিন, গ্লিসারিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড। ছক 'ক' ও 'খ' এর অপসারকগুলো রেশম কাপড়ের সব ধরনের দাগ দূর করতে ব্যবহার করা যায়। রেশম কাপড়ে চা ও কফির দাগ লাগলে পানি, গ্লিসারিন, অ্যালকোহল মিশ্রণ, বোরাক্স পাউডার, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, কার্বনটেট্রাক্লোরাইড প্রভৃতি দিয়ে তোলা যায়। রেশম কাপড়ে তেল বা চর্বিজাতীয় দাগ লাগলে বেনজিন, পেট্রোল পাউডার, চকের গুঁড়া ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। রেশম কাপড়ে রক্তের দাগ লাগলে বোরাক্স পাউডার, হাইড্রোজেন ডিটারজেন্ট, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ব্যবহার করে দাগ উঠানো যায়। এ ধরনের কাপড়ে হলুদের দাগ লাগলে দাগযুক্ত স্থানে কয়েক ফোঁটা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ভালোভাবে ধুয়ে শুকাতে হবে। রেশম কাপড়ে রঙের দাগ লাগলে অ্যালকোহলের দ্রবণ, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, নিউট্রাল ডিটারজেন্ট, বোরাক্স পাউডার ব্যবহার করতে হয়। এতে যদি দাগ না ওঠে তবে একটি তুলার প্যাডে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ঐ দাগের উপর বৃত্তাকারে স্পঞ্জ করে পরিষ্কার করতে হবে। তীব্র অপসারক রেশম কাপড়ের ক্ষতি করে। কিন্তু অ্যালকোহল, কেরোসিন, তারপিন, বেনজিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, গ্লিসারিন এগুলো কোনোটিই তীব্র অপসারক দ্রব্য নয়। তাই এগুলো রেশম কাপড়ে ব্যবহার করা যায়। এর ফলে এই কাপড়ের কোনো ক্ষতি হয় না।
পরিশেষে বলা যায়, রেশম কাপড়ের সব ধরনের দাগ অপসারণে ছক 'ক' ও 'খ' এর দ্রব্যগুলো সমভাবে কার্যকরী।
Related Question
View Allপোশাক ছিঁড়ে গেলে, ছিদ্র হলে বা ফেঁসে গেলে সেসব স্থান সূতা দিয়ে ভরাট করাকে রিফু বলে।
কাপড় সংস্করণের একটি পদ্ধতি হলো তালি নকশা। একে অ্যাপ্লিকও বলা যায়।
ভিন্ন রঙের কাপড়ে নকশা এঁকে সেটি কেটে ছেঁড়া জায়গার উপর প্রথমে টাক সেলাই দিয়ে পরবর্তীতে বোতাম ফোঁড় দিয়ে আটকাতে হবে। এই নকশার মতো আরও নকশা পুরো পোশাকে লাগিয়ে দিলে তালি দেওয়ার ব্যাপারটি বোঝা যাবে না। এতে পোশাকের সৌন্দর্য বেড়ে যাবে।
ছক 'খ' এর দ্রব্যগুলো উদ্ভিজ্জ দাগ অপসারণ করে।
পোশাক ও গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত কাপড়ে বিভিন্ন ধরনের দাগ লাগে। দাগ হলো কোনো অবাঞ্ছিত চিহ্ন, যা সাধারণভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করা যায় না। উৎস অনুসারে বিভিন্ন প্রকার দাগকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১. প্রাণিজ; ২. উদ্ভিজ্জ; ৩. খনিজ; ৪. চর্বিজাতীয়; এবং ৫. রঙের দাগ। ছক 'খ' তে আছে বেনজিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও গ্লিসারিন। এগুলো উদ্ভিজ্জ দাগ অপসারণে ব্যবহৃত হয়। চা, কফি, ফলের রস, মদ প্রভৃতির দাগ হলো উদ্ভিজ্জ দাগ। এ ধরনের দাগ দূর করতে গরম পানি, বোরাক্স দ্রবণ, গ্লিসারিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, বেনজিন প্রভৃতি ব্যবহৃত হয়। পোশাকের দাগ অপসারণের জন্য সতর্কতার সাথে অপসারক দ্রব্য ব্যবহার করতে হবে। কারণ বিভিন্ন প্রকৃতির তন্তুর ওপর অপসারকগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া করে। কোনো কোনো অপসারক পশমি ও রেশমি কাপড় নষ্ট করে কিন্তু সুতি ও লিনেন কাপড়ের কোনো ক্ষতি করে না। সুতি কাপড়ে চা ও কফির দাগ লাগলে পানি, গ্লিসারিন, অ্যালকোহলের মিশ্রণ, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, বোরাক্স ব্যবহার করে দাগ তোলা যায়।
সুতি কাপড়ে রঙের দাগ লাগলে তা উঠাতে লবণ-পানি, অ্যামোনিয়ার দ্রবণ, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও বোরাক্স ব্যবহৃত হয়। এছাড়া তেল ও চর্বির দাগ লাগলে গরম পানি, সাবান, বেনজিন, চকের গুঁড়া, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড ব্যবহার করে দাগ তোলা হয়।
সুতরাং বলা যায়, ছকের বেনজিন, গ্লিসারিন ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড সুতি কাপড়ের বিভিন্ন ধরনের দাগ অপসারণে বেশি উপযোগী।
কাপড় সংস্করনের একটি পদ্ধতি অ্যাপ্লিক যা অনেকটা নকশা তালিকার মতো
পোশাক ছিঁড়ে গেলে, ছিদ্র হলে বা ফেঁসে গেলে সেসব স্থান সুতা দিয়ে ভরাট করাকে রিফু বলে।
ছেঁড়া কাপড় সময়মতো মেরামত না করলে ছেঁড়া অংশটি ধীরে ধীরে আরও বড় হয়ে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন ছেঁড়া কাপড় রিফু করলে তা পুনরায় ব্যবহারযোগ্য হয়। কাপড়ের রং ও জমিনের সাথে মিল রেখে রিফুর সুতা নির্বাচন করতে হবে। রিফু করার জন্য চিকন, লম্বা সুঁচ ব্যবহার করতে হবে। একটি ফ্রেমের মধ্যে ছেঁড়া অংশ টান টান করে আটকে রিফু করতে হবে। এভাবেই রিফুর মাধ্যমে পোশাককে ব্যবহারযোগ্য করা যাবে
ছক 'খ' এর দ্রব্যগুলো উদ্ভিজ্জ দাগ অপসারণ করে।
পোশাক ও গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত কাপড়ে বিভিন্ন ধরনের দাগ লাগে। দাগ হলো কোনো অবাঞ্ছিত চিহ্ন, যা সাধারণভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করা যায় না। উৎস অনুসারে বিভিন্ন প্রকার দাগকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১. প্রাণিজ; ২. উদ্ভিজ্জ; ৩. খনিজ; ৪. চর্বিজাতীয়; এবং ৫. রঙের দাগ। ছক 'খ' তে আছে বেনজিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও গ্লিসারিন। এগুলো উদ্ভিজ্জ দাগ অপসারণে ব্যবহৃত হয়। চা, কফি, ফলের রস, মদ প্রভৃতির দাগ হলো উদ্ভিজ্জ দাগ। এ ধরনের দাগ দূর করতে গরম পানি, বোরাক্স দ্রবণ, গ্লিসারিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, বেনজিন প্রভৃতি ব্যবহৃত হয়। পোশাকের দাগ অপসারণের জন্য সতর্কতার সাথে অপসারক দ্রব্য ব্যবহার করতে হবে। কারণ বিভিন্ন প্রকৃতির তন্তুর ওপর অপসারকগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া করে। কোনো কোনো অপসারক পশমি ও রেশমি কাপড় নষ্ট করে কিন্তু সুতি ও লিনেন কাপড়ের কোনো ক্ষতি করে না। সুতি কাপড়ে চা ও কফির দাগ লাগলে পানি, গ্লিসারিন, অ্যালকোহলের মিশ্রণ, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, বোরাক্স ব্যবহার করে দাগ তোলা যায়।
সুতি কাপড়ে রঙের দাগ লাগলে তা উঠাতে লবণ-পানি, অ্যামোনিয়ার দ্রবণ, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও বোরাক্স ব্যবহৃত হয়। এছাড়া তেল ও চর্বির দাগ লাগলে গরম পানি, সাবান, বেনজিন, চকের গুঁড়া, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড ব্যবহার করে দাগ তোলা হয়।
সুতরাং বলা যায়, ছকের বেনজিন, গ্লিসারিন ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড সুতি কাপড়ের বিভিন্ন ধরনের দাগ অপসারণে বেশি উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!