Related Question
View Allখাদ্যের গুণাগুণ রক্ষার্থে ব্যবহৃত প্রযুক্তি বলতে বোঝায় এমন সকল আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতি, যা খাদ্যকে দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণযোগ্য করে তোলে এবং তার পুষ্টিগুণ, স্বাদ, রং ও গন্ধ নষ্ট না করে নিরাপদভাবে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করে।
খাদ্যের গুণাগুণ রক্ষায় ব্যবহৃত প্রধান প্রযুক্তিগুলো হলো:
১. পাস্তুরাইজেশন (Pasteurization):
দুধ ও রসের মতো তরল খাবারে ব্যবহৃত একটি প্রক্রিয়া, যেখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নির্দিষ্ট তাপে গরম করে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা হয়। এতে খাবার বেশি দিন টিকে এবং পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।
২. ক্যানিং ও বোতলজাতকরণ:
খাবারকে ধাতব ক্যান বা কাচের বোতলে ভরে হিট ট্রিটমেন্ট দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে। এতে খাবার দীর্ঘদিন ভালো থাকে এবং খাদ্যের গুণাবলি নষ্ট হয় না।
৩. ফ্রিজিং ও কোল্ড স্টোরেজ:
খাবারকে নিম্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করে জীবাণুর কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। ফলে খাদ্য সতেজ ও নিরাপদ থাকে।
৪. ভ্যাকুয়াম প্যাকিং:
এই পদ্ধতিতে খাদ্য থেকে বাতাস সরিয়ে ভ্যাকুয়াম পরিবেশে প্যাক করা হয়, যাতে অক্সিজেনের অভাবে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি না পায়। এতে খাদ্যের রং, স্বাদ ও গন্ধ অটুট থাকে।
৫. আবিকরণ বা ফার্মেন্টেশন (Fermentation):
এটি একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি, যাতে খাদ্যে ভালো ব্যাকটেরিয়া যুক্ত করে সংরক্ষণ করা হয় (যেমন: দই, আচারের ক্ষেত্রে)। এতে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বাড়ে।
৬. রেডিয়েশন বা বিকিরণ প্রযুক্তি:
নিম্ন মাত্রার বিকিরণ দিয়ে জীবাণু ধ্বংস করা হয়, বিশেষ করে শুকনো খাবার বা মসলার ক্ষেত্রে। এটি নিরাপদ ও কার্যকর।
খাদ্যপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত এসব আধুনিক প্রযুক্তি খাদ্যকে নিরাপদ, পুষ্টিকর ও দীর্ঘস্থায়ী রাখে। এগুলো আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!