কক্সবাজার অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের অভিগমন সার্বিক পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের অভিগমন বাধ্য হয়ে, স্বেচ্ছায় নয়। ফলে এই অঞ্চলে তাদের অভিগমনে প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর চাপ পড়বে। অভিবাসনের ফলে সামাজিক আচার-আচরণ আদান-প্রদান হয়। সুতরাং, অভিগমনের ফলে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের রীতিনীতির অনুপ্রবেশ ঘটবে। অধিকহারে রোহিঙ্গাদের সংস্কৃতি রপ্ত করলে ঐ অঞ্চল তথা কক্সবাজারের সামাজিক বৈশিষ্ট্য ক্ষুণ্ণ হবে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিদ্যমান দুর্ভোগজনিত (বাসস্থান ও ক্ষুধা নিবৃত্তিতে) আচরণ দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
রোহিঙ্গাদের অভিবাসনের ফলে কক্সবাজার তথা বাংলাদেশের জনসংখ্যা কাঠামোর পরিবর্তন হবে। এমনিতেই বাংলাদেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি, অভিবাসনের ফলে তা আরও বেড়ে যাবে এবং অন্যান্য জনমিতিক উপাদানও (নারী পুরুষ অনুপাত, নির্ভরশীলতার অনুপাত) প্রভাবিত হবে।
পরিশেষে বলা যায়, রোহিঙ্গাদের অভিগমন কক্সবাজার অঞ্চলে সার্বিক পরিবেশের (প্রাকৃতিক ও সামাজিক) ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। Activate Wing
Related Question
View Allনিজের বাসস্থান ছেড়ে অন্য স্থানে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস (গ্রাম থেকে শহরে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে) করাই অভিবাসন।
বলপূর্বক অভিগমনে কিছু মানুষ শরণার্থী হয়।
বলপূর্বক অভিগমনে যথা- গৃহযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক বৈষম্য বা যুদ্ধের কারণে যে সমস্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে সাময়িকভাবে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং সুযোগমত স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকে তাদেরকে শরণার্থী বলে। যেমন- কক্সবাজারে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় গ্রহণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!