"লবণ" শব্দটি সাধারণত রসায়নে একটি আয়নিক যৌগ বা খাদ্য লবণ (যেমন সোডিয়াম ক্লোরাইড) কে বোঝায়। রসায়নে, লবণ হল অ্যাসিড এবং ক্ষারকের মধ্যে বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন একটি পদার্থ। খাদ্য লবণ, যা টেবিল লবণ নামেও পরিচিত, এটি সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)। এটি খাবারকে লবণাক্ত করতে এবং খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
হাইড্রোসিল এসিড এটি এসিড এবং ক্ষারের বিক্রিয়ায় তৈরি যৌগ অতএব এটি লবণ। অন্যদিকে সোডিয়াম ক্লোরাইড একটি ভোজ্য লবণ।
লেবুর রস, ভিনেগার, চুন, এন্টাসিড ঔষধ, খাবার লবণ এগুলো আমাদের िপ্রানী প্রম। এদের মধ্যে কোনোটি অম্ল বা এসিড, কোনোটি ক্ষারক থাকার কোনোটি হয়তো লবণ। এদের রাসারনিক ধর্ম ভিন্ন ভিন্ন। ধর্ম অনুযায়ী এদের একেকটি এক এক কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• অম্ল ও ক্ষারকের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
• কানের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব:
• লবণের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব:
• নিরপেক্ষ পদার্থ ব্যাখ্যা করতে পারব;
• পরীক্ষণ কার্যক্রমে যন্ত্রপাতির ব্যবহার সঠিকভাবে করতে পারব;
• আমাদের জীবনে অম্ল, ক্ষার ও লবণের অবদান উপলব্ধি করতে পারব:
• পরীক্ষণ কার্যক্রম চলাকালীন জনী নর সদস্যদের সচেতন করতে পারব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!