দুই বা ততোধিক এককের সমন্বয়ে গঠিত এককেই লব্ধ একক বলে।
কোনো কিছু পরীক্ষা বা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ফলাফল পাওয়ার জন্য যে ধারাবাহিক প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, তাই হলো বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার ধাপ।
উদ্দীপকে 'খ' এর বস্তুটি হলো পাথর যা একটি অসম আকৃতির বস্তু। বস্তুটির আয়তন মাপ চোঙের সাহায্যে সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়। নিচে বস্তুটির আয়তন নির্ণয় পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হলো-
বর্ণনা:
১. প্রথমে সুতা দিয়ে শক্ত করে পাথরটিকে বেঁধে নিতে হবে।
২. তারপর একটি মাপচোঙে পানি ঢেলে এবং পানির পাঠ খাতায় লিখতে হবে।
৩. এরপর পাথরটি মাপচোঙের পানিতে ডুবাতে হবে। এর ফলে পানি উপরে উঠে আসবে। আবার পানির পাঠ খাতায় লিখতে হবে।
৪. দুটি পাঠের পার্থক্য হিসাব করে পাথরটির আয়তন নির্ণয় করা যাবে।
উদ্দীপকে চিত্র 'ক' ও চিত্র 'খ' -এর পদার্থ দুটি যথাক্রমে সুষম আকৃতির ফোম ও অসম আকৃতির পাথরখণ্ড। অর্থাৎ চিত্র 'ক' ও চিত্র 'খ' পদার্থ দুটির মধ্যে আয়তন নির্ণয়ে পার্থক্য আছে। নিচে যুক্তিসহ তা বিশ্লেষণ করা হলো-
সুষম আকৃতির বস্তুর ক্ষেত্রে মিটার স্কেলের সাহায্যে দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা নির্ণয় করে এর আয়তন নির্ণয় করা যায়। কিন্তু অসম বস্তু পাথরের ক্ষেত্রে আয়তন এ পদ্ধতিতে নির্ণয় করা যায় না। এক্ষত্রে মাপচোঙ ব্যবহার করে আয়তন নির্ণয় করা হয়। এ পদ্ধতিতে মাপচোঙে আয়তনের এককে দাগ কাটা থাকে, যা থেকে সরাসরি বস্তুর আয়তন মাপা যায়। প্রথমে মাপচোঙে আংশিক পানি পূর্ণ করা হয়। এ অবস্থায় পানির উপরিতলের পাঠ নেওয়া হয়। এর পর অসম বস্তু পাথরটিকে একটি সুতা দিয়ে বেঁধে মাপচোঙের মধ্যে ডুবিয়ে দেই এবং মাপচোঙের পানির পাঠ নেই। এ দ্বিতীয় পাঠ থেকে প্রথম পাঠ বিয়োগ করে অসম বস্তু পাথরের আয়তন পাওয়া যায়।
উপরের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, চিত্র-'ক' ও চিত্র-'খ' পদার্থ দুটির মধ্যে আয়তন নির্ণয়ে পার্থক্য আছে।
Related Question
View Allআমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিমাপের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কারণ জীবনধারণের জন্য প্রতিনিয়তই আমাদেরকে বিভিন্ন জিনিসের আদান-প্রদান করতে হয়। যেমন- কেনাকাটা, কোনো কিছুর পরিমাণ নির্ণয় করা, এমনকি বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও পরিমাপের প্রয়োজন। কারণ পরিমাপ ব্যতীত এ কাজগুলো কোনোভাবেই সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে পরিমাপের প্রয়োজন হয়।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
এবং দৈর্ঘ্য = ১০ মিটার
আমরা জানি,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য প্রস্থ
প্রস্থ= ক্ষেত্রফল/দৈর্ঘ্য
= ৪০ বর্গমিটার/১০ মিটার== ৪ মিটার
অতএব, ফারহানের পড়ার ঘরের প্রস্থ ৪ মিটার।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
পড়ার টেবিলের দৈর্ঘ্য = ১ মিটার
পড়ার টেবিলের প্রশ্ন = ৫০ সে. মি.
মি. [ ১০০ সে. মি. = ১ মি.]
= ০.৫ মি
পড়ার টেবিলের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য প্রস্থ) বর্গএকক
= (১ ০ ০.৫) বর্গমিটার
= ০.৫ বর্গমিটার
অতএব, একটি টেবিলের ক্ষেত্রফল = ০.৫ বর্গমিটার
ঘরের ফাঁকা জায়গার ক্ষেত্রফল = (৪০ ১) বর্গমিটার
= ৩৯ বর্গমিটার
অতএব, টেবিল দুটি রাখার পর ঘরে ৩৯ বর্গমিটার ফাঁকা জায়গা থাকবে
ক্যান্ডেলা হলো দীপন ক্ষমতা অর্থাৎ আলোক ঔজ্জ্বল্য পরিমাপের একক।
যেসব একক একাধিক মৌলিক এককের সমন্বয়ে গঠিত - তাদেরকে যৌগিক একক বলে। যেমন, আয়তনের একক ঘনমিটার, যা তিনটি মৌলিক দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার একক মিটার এর গুণফল। -তাই আয়তনের একক একটি যৌগিক একক।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
