লাবণ্য একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। কাজের প্রয়োজনে তাকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। তিনি সব সময় আরামদায়ক ও রুচিসম্মত পোশাক পরিধান করেন। তিনি ফ্যাশন পরিবর্তনে অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, ভৌগোলিক ও সংস্কৃতির প্রভাবককে দায়ী করেন।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

স্টাইল হলো ব্যক্তি বিশেষের চিন্তা চেতনা ও সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

বস্ত্রের রং, জমিন, ছাপা, নকশা, গঠন ও মূল্য ইত্যাদি পোশাকের গুণগত মান প্রকাশ করে।
পোশাক আমাদের শালীনতা রক্ষা, দৈহিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি, শীত ও তাপ থেকে রক্ষা, কাজ করার সুবিধা এবং রোগজীবাণু, আগুন ও অন্যান্য অনিষ্টকর দ্রব্যাদির হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। তাই পোশাক ক্রয়ের সময় গুণগত মান অবশ্যই যাচাই করা উচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

পোশাক নির্বাচনে পেশা মূখ্য ভূমিকা পালন করে।
পোশাক ব্যক্তিকে প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়া পোশাক শালীনতা রক্ষা করে। বিশেষ করে শ্রমজীবী নারীরাসময় বাঁচানোর পাশাপাশি পোশাকের আরামের দিকটিও বিবেচনায় রাখেন। লাবণ্য একজন চাকরিজীবী নারী। কাজের প্রয়োজনে তাকে বাইরে যেতে হয়। আরামদায়ক পোশাক পরলে সহজে চলাচল ও দীর্ঘ সময় বাইরে থাকা যায়। নতুবা যে পোশাক পরে শরীরে আরাম অনুভূত হয় না, সেটি পরলে স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটা-চলা করা যায় না। ফলে কাজ করা কষ্টকর হয়ে পরে। রুচিসম্মত পোশাক পরলে সকলেই তা পছন্দ করে এবং তা দৃষ্টিকটু হয় না। পোশাকের মাধ্যমে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায়। রুচিসম্মত পোশাক ব্যক্তিকে অন্যের থেকে আলাদা করে তোলে। তাছাড়া নিজ রুচিমতো পোশাক পরিধান করলে হাঁটা-চলা, কাজকর্ম সকল ক্ষেত্রে - স্বাচ্ছন্দ্যবোধ তৈরি হয়। একারণেই লাবণ্য পোশাক পরার সময় আরাম ও রুচি এ দুটি বিষয়কেই বেশি প্রাধান্য দেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

রিপার বাবা ফ্যাশন পরিবর্তনে বিভিন্ন প্রভাবককে দায়ী করেন।

রিপার বাবা বলেন, পোশাকের ধরন আমাদের সময়ও নানা কারণে পরিবর্তন হয়েছে।
মানুষ স্বভাবগত কারণে ফ্যাশন পরিবর্তন করতে পছন্দ করে। ফ্যাশন পরিবর্তন তরুণ সমাজকে বেশি আকৃষ্ট করে। যদিও কোনো ফ্যাশনই পুরোপুরি উচ্ছেদ হয় না। পরিবর্তিত, পরিমার্জিত হয়ে পুনরায় ফিরে আসে। একঘেয়েমি দূরীকরণে মানুষ ফ্যাশনে পরিবর্তন আনে। প্রথমে যে ফ্যাশনটি জনপ্রিয়তা পায় তা আবার এক সময় বিলুপ্ত হয়ে যায়।
এভাবেই ফ্যাশনে পরিবর্তন আসে। নিম্নে ফ্যাশন পরিবর্তনের কারণগুলো আলোচনা করা হলো-

১. কোনো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সে দেশের ফ্যাশনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে।
২.কোনো কোনো ক্ষেত্রে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের স্টাইল ফ্যাশন। হিসেবে মানুষ গ্রহণ করে।
৩. সমাজ ব্যবস্থা ফ্যাশনকে প্রভাবিত করে। পাশ্চাত্যে যে পোশাক গ্রহণযোগ্য আমাদের সমাজে সে পোশাক গ্রহণযোগ্য নয়।
৪. বর্তমানে বহির্বিশ্বের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। ফলে এক দেশের ফ্যাশন সহজেই অন্যদেশের মানুষ গ্রহণ করতে পারছে।
৫. বর্তমানে নারীরা ঘরে বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই সমান ভূমিকা পালন করে। ফলে সহজেই পরিধানযোগ্য, আরামদায়ক ও কার্যকরী পোশাকের প্রতি তারা আকৃষ্ট হচ্ছে।
৬. শিক্ষার ফলে মানুষ ফ্যাশন সচেতন হচ্ছে। ফ্যাশন ডিজাইনিং এর ওপর পড়াশোনা করছে। ফলে নতুন নতুন ডিজাইন ফ্যাশনের প্রতিযোগিতাকে বাড়িয়ে তুলছে।
৭. দেশীয় সংস্কৃতি ফ্যাশনকে প্রভাবিত করছে। কোনো দেশের ফ্যাশনের পরিবর্তন তার সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত ভাবধারাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়।
৮. বর্তমানে কর্মসংস্থানের সুযোগ বেড়েছে। ফলে পোশাকের ফ্যাশনে পরিবর্তন আসছে। এছাড়াও বস্ত্রশিল্পের উন্নয়ন, বিজ্ঞাপন, প্রযুক্তিগত প্রভাব ফ্যাশন পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।
সুতরাং, রিপার বাবার উক্তিটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
16

Related Question

View All
উত্তরঃ

স্টাইল হলো ব্যক্তি বিশেষের চিন্তা-চেতনা ও সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
36
উত্তরঃ

ফ্যাশন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চক্রাকারে পরিবর্তিত হয়।
প্রথমে একটি ফ্যাশনের প্রবর্তন ঘটে, তা জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ধীরে ধীরে তার প্রচলন বৃদ্ধি পায়। এক সময় ফ্যাশনটির পতন ঘটে। পূর্বে যে ফ্যাশন ছিল তা আবার নতুন করে ফিরে আসে। অর্থাৎ ফ্যাশন একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে চক্রাকারে ঘুরে ঘুরে আসে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
27
উত্তরঃ

সোহানার জামায় সজ্জামূলক ডিজাইন করা হয়েছে।
কোনো কিছু করার আগে যে পরিকল্পনা বা রূপরেখা চিন্তা করা হয় তাই ডিজাইন। ডিজাইন প্রধানত দুই প্রকারের হয়। যথা- গঠনমূলক ও সজ্জামূলক ডিজাইন।পহেলা বৈশাখে সোহানা সাদার উপর লাল এপ্লিক করে একটি জামা তৈরি করল। এটিকে সজ্জামূলক ডিজাইন বলে। এ ধরনের ডিজাইনের মাধ্যমে পোশাকের বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। সজ্জামূলক ডিজাইন এমনভাবে করতে হবে যাতে বস্তুর বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং সেই সাথে বস্তুটি সুবিধাজনকভাবে ব্যবহার করা যায়। সজ্জামূলক ডিজাইন করার সময় লক্ষ রাখতে হবে যেন নকশার উপাদান ও নীতিসমূহ অনুসরণ করা হয়। যেমন- ব্যাগের ক্ষেত্রে মূল আকারের সঙ্গে মিল রেখে সজ্জামূলক ডিজাইনের আকার দেওয়া আবশ্যক। পোশাকে সূচী কাজ সজ্জামূলক ডিজাইন। সোহানা তার সাদা জামার উপর লাল এপ্লিক করে। এপ্লিক এক ধরনের সজ্জামূলক ডিজাইন। তাই বলা যায়, সোহানা তার জামায় সজ্জামূলক ডিজাইন করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
24
উত্তরঃ

সোহানার বস্ত্র নির্বাচন ও ক্রয় যথার্থ হয়নি বলে আমি মনে করি।
পোশাক নির্বাচন ও ক্রয় করার সময় আয়, পেশা, বয়স, পরিবারের সদস্য সংখ্যা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করতে হয়। তা না হলে পোশাক নির্বাচন ও ক্রয় ব্যর্থ হয়। সোহানা তার মায়ের জন্য একটি জামদানি শাড়ি কিনল। আর বাবার জন্য একটি জমকালো পাঞ্জাবি কিনল। এক্ষেত্রে তার পোশাক নির্বাচনটি সঠিক হয়নি। বয়স্কদের জন্য স্বাস্থ্যের অনুকূল ও বয়সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক নির্বাচন করতে হবে। সেক্ষেত্রে তারা আরাম পাবে "এরকম পোশাক নির্বাচন ও ক্রয় করতে হবে। এজন্য সোহানার উচিত ছিল তার মা-বাবার জন্য হালকা রং এবং সাদাসিধা ডিজাইনের পোশাক কেনা। এছাড়া সোহানা তার ছোট বোনের জন্য একটি ফ্রক কেনে। কিন্তু ফ্রকটি সে পরতে পারল না। কারণ একেক বয়সে একেক রকম পোশাক উপযোগী। শিশুর পোশাক স্বাস্থ্যসম্মত, ঢিলেঢালা, ডিজাইন বিবর্জিত এবং উজ্জ্বল রঙের হতে হবে। কৈশোরে এবং যৌবনে পোশাক পরিধান করার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে সৌন্দর্য এবং ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলা। এজন্যে সাধারণত উজ্জ্বল রঙের, বৈচিত্র্যময় ও আধুনিক ডিজাইনের পোশাক নির্বাচন করতে হয়। এসকল বিষয়ে লক্ষ না রেখে সোহানা তার ছোট বোনের জন্য ফ্রক কেনে। তাই সে ফ্রকটি পরতে পারল না। এছাড়া সোহানা পোশাক ক্রয়ের সময় অনেক অর্থ ব্যয় করে। ফলে তার বাবা আপত্তি করেন। কারণ পোশাক নির্বাচন ও ক্রয়ে প্রথমেই আয়ের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। পরিবারের আয় বেশি হলে বস্ত্র খাতে বরাদ্দ বেশি হবে। আর আয় কম হলে এ খাতে বরাদ্দ সীমিত হবে। সীমিত বাজেটে পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে পোশাক যেন টেকসই এবং প্রচলিত ফ্যাশন উপযোগী হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, সোহানা উল্লিখিত বিষয়গুলো মেনে চললে তার পোশাক নির্বাচন ও ক্রয় যথার্থ হতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
26
উত্তরঃ

Yarn dying হলো তন্তু থেকে সুতা তৈরি হওয়ার পর একে রং প্রয়োগ করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
30
উত্তরঃ

কাপড়ের রং, প্রকৃতি, দাগের উৎস ও স্থায়িত্ব জানার পর দাগ যথাযথভাবে দূর করার কতগুলো সাধারণ নিয়ম রয়েছে।
কাপড়ে দাগ লাগাই মাত্রই তা দ্রুত দূর করার চেষ্টা করতে হবে। দাগ ওঠানোর সময় কাপড়ের প্রকৃতি ও ব্যবহার বিবেচনা করা উচিত। দাগের উৎস যদি অজানা থাকে তবে প্রথমে মৃদু অপসারক ব্যবহার করতে হবে। কাপড় অপসাপরক দ্রবণের মধ্যে বেশিক্ষণ ভিজিয়ে রাখা ঠিক নয়। সাদা ও রঙিন কাপড় থেকে আলাদা আলাদাভাবে দাগ অপসারণ করা উচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
30
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews