ব্যাংক গৃহস্থলী বিভিন্ন জিনিসপত্র, পরিবারের জন্য ব্যবহৃত গাড়ি ও ফ্ল্যাট ক্রয় ইত্যাদি খাতে যে ঋণ দেয় তাকে ভোক্তা ঋণ বলে।
ঋণগ্রহীতা যদি কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি ব্যাংকের নিকট এমনভাবে বন্ধক দেয় যে, সম্পত্তির দখল ঋণগ্রহীতার নিজের দখলেই থাকে তখন তাকে হাইপোথিকেশন বা দখলহীন বন্ধক বলে।
এরূপ বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতা সম্পত্তির দখল নিজের কাছে রাখলেও ব্যাংকে দলিলপত্র প্রদান করে উক্ত সম্পত্তি জামানত হিসেবে প্রদান করে। জমির দখল ঋণগ্রহীতার কাছে থাকে তাই ব্যাংকের জন্য এটি দখলহীন বন্ধক।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঋণের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মি. লালুর ঋণটি সাধারণ ঋণ বা ধার।
সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রেখে ব্যাংক গ্রাহকদেরকে যে দীর্ঘমেয়াদি বা মধ্যম মেয়াদি ঋণ প্রদান করে তাকে সাধারণ ঋণ বা ধার বলে।
উদ্দীপকে মি. লালু স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রেখে সিটি ব্যাংক থেকে ১০,০০,০০০ টাকা ঋণ নিয়েছেন, তিনি বিভিন্ন সময়ে এ ঋণের টাকা উত্তোলন করেন। এ ঋণ তহবিলে স্থানান্তর হওয়ার পর থেকে সুদ ধার্য শুরু হয়। তিনি বিভিন্ন সময়ে অর্থ উঠালেও তাকে বছর শেষে ১৫% হারে ১,৫০,০০০ টাকা সুদ দিতে হয়, যা সাধারণ ঋণের বৈশিষ্ট্য। যেহেতু মি. লালু স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছেন। তাই সবদিক বিবেচনা করে বলা যায়, এটি সাধারণ ঋণ। সুতরাং, ঋণের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মি. লালুর ঋণটি সাধারণ ঋণ বা ধার।
উদ্দীপকে মি. বুলুকে দেওয়া ঋণ ব্যবসায়ের চলতি মূলধনের প্রয়োজন পূরণে সহায়ক বলে আমি মনে করি।
ব্যক্তির প্রয়োজন অনুযায়ী ঋণ বিভিন্ন ধরনের হয়। সাধারণ ঋণ বা ধার থেকে নগদ ঋণের সুদের হার বেশি। তারপরেও প্রয়োজনের বিবেচনায় ঋণ গ্রহণ করতে হয়।
উদ্দীপকে মি. বুলু একজন ব্যবসায়ী। তিনি সিটি ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। মি. বুলু ১৮% হার সুদে ১০,০০,০০০ টাকা নগদ ঋণ গ্রহণ করেন। ব্যবসায়ের চলতি মূলধন নির্বাহ করার জন্য সাধারণত নগদ ঋণ গ্রহণ করতে হয়। উদ্দীপকে মি. বুলুর স্বল্পমেয়াদের জন্য ঋণের প্রয়োজন হওয়ায় তিনি নগদ ঋণ গ্রহণ করেছেন। সাধারণত মধ্য ও স্বল্প মেয়াদের জন্য নগদ ঋণ গ্রহণই উত্তম। তাই বলা যায়, ব্যবসায়ের চলতি মূলধনের প্রয়োজন মেটাতে নগদ ঋণ মি. বুলুর জন্য সহায়ক হবে।
Related Question
View Allযে ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাংক তার গ্রাহককে অগ্রিম ঋণ মঞ্জুর করে, কিন্তু সরাসরি নগদে সেই টাকা উত্তোলনের অনুমতি দেয় না তাকে নগদ ঋণ বলে।
ব্যাংক অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উৎস থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করে তাই ব্যাংক তহবিল।
ব্যাংক একটি আর্থিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক ব্যবসায়ের সফলতা অর্জনে এ তহবিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকের নিজস্ব অর্থ ও ধার করা অর্থের সমন্বয়ে এ তহবিল গঠিত হয়।
জনাব রানার ব্যাংক জামানতটি পণ্য বন্ধক।
ঋণগ্রহীতা জামানত হিসেবে পণ্যের দখল ঋণদাতাকে দিলে তাকে পণ্য বন্ধক বলা হয়। এক্ষেত্রে পণ্যের মালিকানা ঋণগ্রহীতার, আর দখলস্বত্ব ঋণদাতার কাছে থাকে। ঋণ পরিশোধ করলে ঋণগ্রহীতা পণ্য ফিরে পায়। অন্যথায়, ঋণদাতা তা বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করে।
উদ্দীপকের জনাব রানার মোটরসাইকেল তৈরির কারখানা আছে। ব্যবসায়িক কাজে তার বড় অঙ্কের ঋণের প্রয়োজন হয়। তাই তিনি তার তৈরিকৃত মোটরসাইকেল জামানত রেখে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়। পণ্য বন্ধকের ক্ষেত্রেও প্রস্তুতকৃত পণ্য জামানত রেখে ঋণ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে মোটরসাইকেল হলো জনাব রানার জন্য প্রস্তুতকৃত পণ্য। এটা বন্ধক রেখে সে ৪ কোটি টাকা ঋণ পায়। জনাব রানার জামানতটি পণ্য বন্ধকের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। তাই বলা যায়, জনাব রানা পণ্য বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছিলেন।
উদ্দীপক অনুযায়ী সমতা বন্ধক অর্থাৎ কারখানার জায়গাটির দলিল জামানত হিসেবে বেশি উপযুক্ত।
যে সম্পত্তির দলিলপত্র নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণদাতা জামানত হিসেবে রাখেন, তাকে সমতা বন্ধক বলে। এক্ষেত্রে সম্পত্তির দখল ঋণগ্রহীতার কাছেই থাকে। উত্তম জামানত ব্যাংকের ঋণের বিপরীতে ক্ষতির আশঙ্কা কমায়।
উদ্দীপকে জনাব রানা ও জনাব সবুজ দুজনেরই মোটরসাইকেল তৈরির কারখানা রয়েছে। তাদের বড় অঙ্কের ঋণের প্রয়োজন। জনাব রানা তার তৈরিকৃত মোটরসাইকেল জামানত রেখে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়। অন্যদিকে, জনাব সবুজ কারখানার জায়গাটির দলিল বন্ধক রেখে ৬ কোটি টাকা ঋণ নেয়। ঋণের জামানতের ক্ষেত্রে ব্যাংক কতগুলো বিষয় বিবেচনা করে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে জামানতের মূল্যের স্থিতিশীলতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচ্য বিষয়।
জনাব রানার জামানত হলো পণ্য বন্ধক। অন্যদিকে, জনাব সবুজের জামানত হলো সমতা বন্ধক। মোটরসাইকেলের মূল্য চাহিদা অনুসারে ভিন্ন হয়। তবে জায়গার মূল্য তুলনামূলকভাবে বেশি স্থিতিশীল। আবার আইনগত দিক বিবেচনায়ও জায়গার দলিল বেশি গ্রহণযোগ্য। তাই জনাব সবুজের সমতা বন্ধক ব্যাংকের কাছে বেশি উপযুক্ত।
ব্যাংক যে হিসাবের মাধ্যমে গ্রাহককে ঋণের টাকা প্রদান করে তাকে ঋণ হিসাব বলে।
গ্রাহক সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে KYC ফর্ম গ্রাহকের লেনদেনের সচ্ছতা নিশ্চিত করে।
KYC-এর পূর্ণরূপ হলো Know Your Customer। এ ফর্মে ব্যাংক গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, পেশা, কাজের ধরন ও অন্যান্য যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে গ্রাহক সহজে কোনো অবৈধ লেনদেন করতে পারে না। এভাবে লেনদেনের সচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!