'লিচু-চোর' কাজী নজরুল ইসলামের একটি মজার কবিতা। কবিতায় কবির বাল্যকালে গাছের ফল চুরি ফরেনখাওয়ার মজার কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। গ্রামীণ শিশুরা নির্মূল আনন্দে অন্যের গাছের আম, জামা লিচু ইত্যাদি ফল চুরি করে পেড়ে খায়। কবি ও তাঁর বন্ধুদের তেমনই লিচু চুরি করে খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। একদিন কবি লিচু চুরি করতে গিয়ে সাদীর হাতে ধরা পড়ে মার খেয়েছিলেন এবং কোনো রকমে তার হাত থেকে বাঁচলেও কুকুরের তাড়া খেয়ে নাস্তানাবুদ হয়েছিলেন। কবিতার সেই ঘটনা তিনি তাঁর বন্ধুদের বলেছিলেন এবং আর চুরি না করার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। শিশুদের নিষ্পাপ আনন্দ, তাদের দুরন্তপনা এবং প্রকৃতির সঙ্গে তাদের গভীর সম্পর্কের বর্ণনাময় এ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সংযোজন।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allলিচু-চোরকে: হাবুদের ডাল-কুকুর বাবুদের তাল-পুকুরে তাড়া করেছিল। সে যখন লিচু পাড়ার জন্য তাল-পুকুরে যাচ্ছিল তখন হাবুদের ডাল-কুকুর আকে ভয়ানকভাবে তাড়া করে।
লিচু-চোর আস্তে গিয়ে গাছে চড়েছিল। সে ইয়া বড়ো এক কাস্তে নিয়ে গাছে চড়েছিল।
লিচু-চোর লিচু গাছে চড়েই ছোটো একটি ডাল ধরেছিল। সাথে সাথে ডালটি মড়াৎ করে ভেঙে সড়াৎ জোরে সে মালীর ঘাড়ের ওপর গিয়ে পড়ে।
মালী গাছের আড়ালে ছিল। লিচু-চোরের দৃষ্টিতে সে বড়ো নচ্ছার অর্থাৎ দুষ্ট লোক ছিল।
লিচু-চোর ডিঙিয়ে দেয়াল পার হলো। দেয়াল পার হয়ে সে এক ভিটরে শেয়াল দেখতে পেল। আসলে সেটা ছিল ভোলা নামের একটি কুকুর।
লিচু-চোর ভোলা নামের কুকুরকে দেখে আঁতকে উঠল। তার আঁতকে ওঠা দেখে কুকুরটি তাকে তাড়া করে ছোটা শুরু করল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!