লিনার প্রথম সন্তান হওয়ার পর ডাক্তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে বলেন, শিশুটি সুস্থ আছে। লিনার শাশুড়ি প্রথম দুধ ফেলে সদ্যজাত শিশুকে দুধ দিতে বলেন। শাশুড়ি লিনাকে মাছ, মাংস ও শাকসবজি খেতে দেন না। ফলে শিশুটি ঠিকমতো দুধ পায় না। শিশুটির ঘরের দরজা, জানালা সব সময় বন্ধ করে রাখে। মা ও দাদি শিশুটিকে খুব স্নেহ করলেও কিছুদিন পর পরই শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। ছয় মাস পর শিশুটিকে খিচুড়ি খেতে দেয়, শিশুটি বমি করলে দাদি দুধ ছাড়া আর কিছু খাওয়াতে নিষেধ করে। লিনার দ্বিতীয় সন্তান হওয়ার পর লিনা শিশুকে প্রথম দুধ খাওয়ায়। সব সময় সুতির জামা পরায় ও খোলামেলা ঘরে শিশুকে রাখে। শিশুটি যাতে ঠিকমতো দুধ পায় সেজন্য বেশি পরিমাণে সুষম খাবার খায়। দ্বিতীয় সন্তানটির স্বাস্থ্য ভালো বলে ৬ মাস পর তাকে পরিপূরক খাবার দেয়।

লিনার দুই সন্তানের যত্ন সম্পর্কে তোমার ধারণা বিশ্লেষণ করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে নবজাতককে দৈহিক ও মানসিকভাবে সুস্থ সবল করে গড়ে তোলা সম্ভব।

নবজাতক অবস্থায় শিশু মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি। তাই জন্মগ্রহণের পরপরই নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ও যত্নের প্রয়োজন। লিনার দুই সন্তানের যত্ন সম্পর্কে আমার মতামত বিশ্লেষণ করা হলো-

লিনার সন্তানরা যখন মলমূত্র ত্যাগ করবে তখন তাকে খুব দ্রুত সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে। তার সন্তানরা যাতে নিরিবিলি ও আরামদায়ক পরিবেশে ঘুমাতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। সুতি কাপড়ের বিছানা। নরম ও আরামদায়ক হয়। তাই লিনা তার দুই সন্তানের জন্য সুতি কাপড়ের বিছানা তৈরি করবে। লিনাকে তার শিশুদের জন্য হালকা ডিজাইনের ঢিলেঢালা পোশাক পরাতে হবে। পোশাকে লুপ বা ফিতা ব্যবহার করতে পারে। শিশুদের জন্য প্রয়োজন মুক্ত আলো-বাতাসপূর্ণ ঘর। তাই লিনা তার সন্তানদের জন্য আলো-বাতাসপূর্ণ ঘরের ব্যবস্থা করবে। শরীরে তেল মালিশ করে শিশুকে সকালের নরম রোদে রাখতে হবে। এতে লিনার শিশুদের শরীরে ভিটামিন ডি সঞ্চিত হবে এবং হাড় শক্ত হবে। প্রতিদিন ঈষৎ গরম পানিতে নরম সুতি কাপড় ভিজিয়ে বাচ্চাদের চোখ, কান ও নাক পরিষ্কার করে দিতে হবে। লিনার সন্তানরা যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে সেক্ষেত্রে তাদেরকে তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে।

পরিশেষে বলা যায়, সন্তানদেরকে সুস্থসবল করে গড়ে তুলতে লিনাকে তাদের পরিচর্যার ব্যাপারে যত্নশীল হতে হবে।

160

Related Question

View All
উত্তরঃ

ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন, বয়স, পজিশন এবং অ্যামনিউটিক ফ্লুইডের পরিমাণ পরীক্ষা করার পদ্ধতি হলো আলট্রাসনোগ্রাম।

276
উত্তরঃ

২০ বছরের নিচে গর্ভধারণকারী মা-কে ঝুঁকিপূর্ণ মা বলার কারণ হলো এদের মা হওয়ার মতো মানসিক পরিপক্কতা ও শারীরিক পূর্ণতা থাকে না।

অপরিণত বয়সে যেসব মেয়ে মা হয়, তারা নানা রকম শারীরিক ও মানসিক জটিলতায় ভোগে। এছাড়াও এ বয়সে একটি মেয়ের সন্তান ধারণ করা, জন্ম দেওয়া ও পালন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকে না। ফলে সে নিজে ও তার গর্ভের সন্তান ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

247
উত্তরঃ

রহিমা ৩ মাসের গর্ভবর্তী। গর্ভবতীর ১ম তিন মাস হলো গর্ভসঞ্চারের পর থেকে ১২ সপ্তাহ।

গর্ভাবস্থায় ভূণের বৃদ্ধি-সামান্য হয় বলে পুষ্টির চাহিদা খুব একটা বৃদ্ধি পায় না। তাই রহিমার দেহকে সুস্থ রাখার জন্য, দেহের প্রয়োজনীয় গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সুষম খাদ্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়গুলো প্রাধান্য দিতে হবে। এ সময় তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যে বিষয়গুলো জরুরি সেগুলো হলো-

১. মূত্র পরীক্ষা: গর্ভসঞ্চার নির্ধারণের জন্য করা হয়।

২. রক্তের নিয়মিত পরীক্ষা: রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, হিমোগ্লোবিন, হেপাটাইটিস ভাইরাস, যৌনবাহিত রোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষা।

৩. আলট্রাসনোগ্রাম: ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন ইত্যাদি নির্ণয় করা।

231
উত্তরঃ

রহিমার মানসিক বিপর্যয় তার গর্ভের শিশুর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

রহিমার আশেপাশের পরিবেশে ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কলহ ও অশান্তি লেগেই রয়েছে। ফলে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

রহিমা গর্ভবতী, এই অবস্থায় শারীরিক যত্নের সাথে সাথে মানসিক যত্ন নেওয়া আবশ্যক। কারণ শরীর ও মন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। জন্মের পূর্বে মায়ের অনুভূতি, আবেগ, ক্রোধের সাথে ভ্রূণ শিশুর কোনো রকম যোগাযোগ থাকে না। তবুও মায়ের মনের তীব্র ক্ষোভ, উত্তেজনা, মায়ের দেহে রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে, যার প্রভাবে ভ্রূণ শিশুর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়াসহ দেহের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এতে ভ্রূণ শিশুর অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। রহিমার পারিবারিক ক্লেশ, ক্লান্তি ও অতিরিক্ত উদ্বেগ ভূণের গঠনে অস্বাভাবিকতা আনতে পারে এবং গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এ ধরনের মানসিক ক্লান্তি ও ক্লেশ শিশুর মধ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে। মায়ের মনের মানসিক অশান্তির কারণে সন্তানেরা পরিবেশের সাথে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না।

তাই রহিমার উচিত গর্ভাবস্থায় পরিবারের সকলের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখা। সবসময় ইতিবাচক পরিবেশে অবস্থান করা। রহিমা যাতে আনন্দ ও প্রফুল্লচিত্তে থাকেন, সেদিকে সকলের সচেষ্ট থাকা উচিত।

232
উত্তরঃ

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ দেখা যায়। গর্ভাবস্থায় রুবেলা (German measels), সিফিলিস, ম্যালেরিয়া এবং ধনুষ্টংকার প্রভৃতি রোগ হতে পারে। এ জাতীয় রোগ ভূণের ক্ষতিসাধন করে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।

272
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews