তালিকার লেখাটিকে Tahoma ফন্ট 15 সাইজ এবং লাল রঙে সাজাতে হলে যথাক্রমে ফন্ট নাম, ফন্ট সাইজ এবং ফন্ট কালার অপশনসমূহ ব্যবহার করতে হবে। এজন্য অবশ্যই পুরো লেখাটি প্রথমে select করে নিতে হবে। এরপর Home মেনুর Font group প্রবেশ করতে হবে।
Tahoma ফন্ট ব্যবহার: Font এর নামের dropdown বক্স থেকে 'Tahoma' ফন্ট নামটি select করলেই লেখাটি Tahoma ফন্টে দেখাবে।
15 সাইজ নির্ধারণ: Fout নামের ভানপাশে লেখা সংখ্যার drop down বক্স থেকে '15' সাইজটি select করতে হবে যাতে করে
লেখাটি 15 সাইজে প্রকাশিত হবে।
লাল রঙ দেওয়া: Font group এর A আইকনের ড্রপ-ডাউন বক্সে click করে লাল রঙ নির্ধারণ করলে পুরো লেখাটি লাল হয়ে যাবে।
Related Question
View Allবর্তমানে প্রচলিত একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রামের নাম হলো মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft Word)
কম্পিউটারে কোনো কিছু লেখার দুটি প্রধান সুবিধা নিম্নরূপ:
১. কম্পিউটারে কোনো কিছুর লেখার ক্ষেত্রে সম্পাদনার সুযোগ পাওয়া যায়।
২. এর মাধ্যমে লেখালেখি করে তা document, আকারে, PDF আকারে, Image আকারে সংরক্ষণ করা যায় এবং পরবর্তীতে তা ব্যবহারে কাজ করা যায়।
রাজ্জাক সাহেব যে যন্ত্র দুটির আলোচনা করেছেন তার একটি হলো টাইপরাইটার এবং অপরটি কম্পিউটার। নিচে যন্ত্র দুটির মধ্যে পার্থক্য নির্দেশিত হলো:
টাইপরাইটার | কম্পিউটার |
১. টাইপরাইটার একটি যন্ত্র যা লেখালেখির কাজে ব্যবহৃত হয়। | ১. কম্পিউটার বহুমুখী কাজে ব্যবহার করা হয়। যেমন- লেখালেখি, হিসাব, ডিজাইন করা। |
২. এর ব্যবহারে লেখা সম্পাদনার কোনো সুযোগ নেই। | ২. এতে লেখা সম্পাদনার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে |
৩. এতে কোনো লেখা সংরক্ষণ করা যায় না, সামান্য কিছু পরিবর্তনে পুরোনো কোনো লেখা পুরোটা টাইপ করতে হয়। | ৩. এতে লেখা কোনো document সংরক্ষণ করা যায় এবং পরবর্তীত তা Open করে যেকোনো পরিবর্তন করা যায় |
টাইপরাইটার | কম্পিউটার |
৪. এ যন্ত্র ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা যায় না। | ৪. এ যন্ত্রে সফটওয়্যার ব্যবহার করে কিংবা calculator এর সাহায্যে হিসাব-নিকাশ করা যায়। |
৫. টাইপরাইটারের কীবোর্ড অনেকটা কম্পিউটারের মতো হলেও এতে অনেক কাজ করার সুযোগ নেই | ৫. কম্পিউটার কীবোর্ড ব্যবহার করে অনেক ধরনের কাজ করা যায়। |
৬. টাইপরাইটার কালির বদলে রিবন ব্যবহার করে অক্ষর লিখতে হয়। | ৬. কম্পিউটারে লেখালেখি একটি যান্ত্রিক পদ্ধতি এতে কালির প্রয়োজন হয় না। |
রাজ্জাক সাহেব কম্পিউটার সফটওয়্যার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যবহারে পাবেন এমন দশটি সুবিধা নিম্নরূপ:
১. নির্ভুলভাবে লেখালেখির কাজ করা যায়। লেখা সংশোধনের সুবিধা পাওয়া যায়। সংশোধনের ব্যবস্থাও এতে রয়েছে। এতে সম্পাদনা করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বানান
২. নানাভাবে লেখাকে উপস্থাপন করা যায়। ছবি, গ্রাফ, টেবিল ইত্যাদি সংযোজন করে document কে আকর্ষণীয় করা যায়।
৩. ফাইন্ড-রিপ্লেস কমান্ড ব্যবহার করে বড় কোনো document অল্প সময়ে শব্দ খোঁজা যায়, প্রতিস্থাপন করা যায়।
৪. একই সাথে একাধিক document নিয়ে কাজ করা যায়।
৫. প্রয়োজনবোধে তথা এক Jocument থেকে অন্য document এ কপি করা যায়।
৬. Document সংরক্ষণ করে পরবর্তীতে ব্যবহার করা যায়। কোনো document বার বার ব্যবহারের দরকার হলে সময় বাঁচাতে তা template আকারে সংরক্ষণ করা যায়।
৭. Document সংরক্ষণ করে যেকোনো সময় যতবার ইচ্ছা প্রিন্ট করা যায়।
৮. এতে ফাইলের ব্যবস্থাপনা সহজ।
৯. Electronic যোগাযোগ ব্যবস্থার যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময় document প্রিন্ট করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!