লেজুতি সন্তে বাটিক করার উদ্দেশ্যে এর বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দিলেন। এজন্য তিনি কাপড়ে মোষ লাগিয়ে সুন্দর নকশাও করলেন। সকলে তার নকশাকৃত বাটিকের পোশাকটির প্রশংসা করলো।

Updated: 3 weeks ago
উত্তরঃ

বস্ত্রের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রত্যক্ষ রং ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

কাপড়ে বাটিক করার পূর্বে অবাঞ্ছিত দ্রব্য ও মাড়মুক্ত করার জন্য
বিশেষ একটি প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, একে ডিগামিং বলে। কাপড়কে বিশেষ পদ্ধতিতে ধোলাই করে নেওয়াই হলো ডিগামিং। এর ফলে সুতায় ভালোভাবে রং লাগে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

বাটিক করার পূর্বে কাপড়টিকে ডিগামিং করে নিতে হয়।
এর ফলে কাপড় থেকে মাড় বা অবাঞ্ছিত দ্রব্য দূরীভূত হয় এবং সুতা সহজেই রং ধারণ করতে পারে। সেজুতি বাটিক করার জন্য কাপড়ে নকশা এঁকে তাতে মোম লাগান। একারণে প্রথমে তিনি কাপড়টি ভালোভাবে ধুয়ে নেন। তারপর ব্রাশের সাহায্যে কাপড়ের উভয় পিঠে নকশার প্রয়োজনীয় অংশ গলিত মোম দিয়ে ঢেকে দেন। এজন্য তিনি মৃদু আঁচে মোমের পাত্রটি চুলার উপর রাখেন। যাতে মোম শস্ত না হয়ে যায়। এছাড়া তিনি এমনভাবে কাপড়ে - নকশা করেন ও নকশায় মোমের প্রলেপ দেন যাতে মোম ভেদ করে রং কাপড়ের অন্য জায়গায় না লেগে যায়। এভাবেই সেজুতি কাপড়ে মোম লাগিয়ে নকশা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

যে সমস্ত রং ঠান্ডা অবস্থায় প্রয়োগ করলে ভালোভাবে বস্ত্রে লাগে সে সব রংই বাটিকের জন্য উপযোগী।

বাটিকের রং গরম হলে মোম গলে গিয়ে নকশা নষ্ট হওয়ার আশংকা থাকে। তাই রং ঠান্ডা করে প্রয়োগ করা হয়। বাটিক সহজেই রঙের বৈচিত্র্য এনে বস্তুকে আকর্ষণীয় করে তোলে। কাপড়ের উপর নকশা অঙ্কিত করে নকশার স্থানে মোম দিয়ে ঢেকে অন্যস্থানে রং ভরিয়ে এ পদ্ধতিতে ছাপা বা প্রিন্ট করা হয়। বাটিক সাধারণত তিনটি পদ্ধতিতে করা হয়। যথা- ব্রাশ, জান্টিং ও ব্লক পদ্ধতি। একারণেই সেজুতি বাটিক করার পূর্বে এর বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা নেন। নিম্নে এ পদ্ধতিগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো-
ব্রাশ পদ্ধতি: তুলি বা ব্রাশের সাহায্যে কাপড়ে মোম লাগিয়ে বাটিক করাকে ব্রাশ পদ্ধতিতে বাটিক বলে।
ব্লক পদ্ধতি: মোটা টিন অথবা পাতলা পিতলের শীট দিয়ে ব্লক তৈরি করে এ ব্লকের সাহায্যে কাপড়ে মোম লাগিয়ে বাটিক করাকে ব্লক পদ্ধতির বাটিক বলে। এ পদ্ধতিতে বাটিক করতে হলে আলাদা ধরনের টেবিল তৈরি করে ব্লক করা হয়।
জান্টিং পদ্ধতি: জান্টিং একটি পিতল বা তামার তৈরি বস্তু। যার আকৃতি
জুতার মতো, পানির কেটলির মতো বা পাখির মাথার মতো। জান্টিং সরু নলবিশিষ্ট। ধরার সুবিধার জন্য এতে একটি কাঠের হাতল থাকে।
এসকল পদ্ধতিতে কতগুলো পর্যায় অবলম্বন করে ধারাবাহিকভাবে বাটিকের কাজটি করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
7
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

উদ্ভিজ্জ রংকে প্রাকৃতিক রং বলে। গাছের বাকল, ফুল, লতা-পাতা, ফল ইত্যাদি থেকে উদ্ভিজ্জ রং পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
12
উত্তরঃ

উইলিয়াম হেনরী পারকিন নামে এক ব্যক্তি কৃত্রিম উপায়ে কুইনাইন তৈরি করতে গিয়ে একটি কৃত্রিম রং আবিষ্কার করেন।
কৃত্রিম রং আবিষ্কারের ফলে বস্ত্র রঞ্জনের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়। এরপর বস্ত্র রঞ্জনের জন্য কৃত্রিম রংই ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিক রঙের চেয়ে কৃত্রিম রং অনেক বেশি স্থায়ী এবং অনেক প্রকারের হয়। যেমন- অ্যাসিড ডাই, বেসিক ভাই, ভ্যাট রং, মরড্যান্ট রং, বিকশিত রং, এজোইক রং।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
11
উত্তরঃ

আইরিন যে পদ্ধতিতে বস্ত্র ছাপার কাজ করেছে তা হলো ব্লক ছাপা।
ব্লক ছাপা সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতি। কাঠের উপর নকশা খোদাই করে ব্লক তৈরি করা হয়। ব্লকে রং লাগিয়ে বস্ত্রে যে ছাপা দেওয়া হয় তাকে ব্লক প্রিন্ট বলে। সে ব্লক ছাপার ব্লকগুলো নিজেই তৈরি করে। ব্লক তৈরির জন্য প্রথমে কাঠে, রাবারে পছন্দমতো নকশা এঁকে নিতে হয়। এরপর ধারালো ছুরি বা ব্লেড দিয়ে রাবার বা বাটালি দিয়ে কাঠ খোদাই করে নিতে হয়। নকশার জায়গাটি উঁচু রেখে বাকি অংশ কেটে নিতে হয়। কাঠের ব্লক হলে খোদাই করার পর শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষে ওপরের অংশ মসৃণকরে নিতে হয়। রাবার হলে ছুরি কিংবা এন্টিকাটার দিয়ে কেটে সহজে ব্লক তৈরি করা যায়। আলু, গাজর, ঢেঁড়স, শাপলা প্রভৃতির সাহায্যেও ব্লক ছাপা দেয়া যায়।ব্লক তৈরির পর রং তৈরি করে টেবিল তৈরি করে নিতে হয়। এরপর যে কাপড়ে ব্লক করা হবে সেটিকে ভালো করে ধুয়ে মাড় ফেলে নিয়ে টেবিলের ওপর টানটান করে বিছাতে হয়। স্ট্যান্ড বা পাশে ছোট টেবিলের ওপর কালার ট্রে রাখতে হয়। কালার ট্রের মধ্যে ফোমের ওপর ব্রাশ বা চা চামচ দিয়ে রং মাখাতে হয়। ব্লকটি ফোমের ওপর রেখে চাল দিয়ে ব্লকে রং ভরাতে হয়। এরপর রং ভরানো ব্লকটি কাপড়ের ওপর চাপ দিলে কাপড়ে ব্লকের ছাপা হয়ে যায়। একাধিক রঙের নকশা ছাপাতে একাধিক ব্লক প্রয়োজন। সেই সাথে একাধিক কালার ট্রে ও একাধিক ব্রাশ দরকার হয়। নাবিলা এভাবেই ব্লক তৈরি করে ব্লক ছাপায় মাধ্যমে পোশাকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
13
উত্তরঃ

অনি টাইডাই এবং বাটিক প্রিন্ট দুইটি পদ্ধতি ব্যবহার করে বস্তু রঞ্জন করেছে।

টাইডাই এবং বাটিক প্রিন্ট বস্তু রঞ্জনের দুইটি পদ্ধতি। টাইডাই পদ্ধতিতে যখন রং করা হয় তখন ঐ স্থানগুলোতে যেন রং প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য কাপড়টির বিভিন্ন জায়গায় বাঁধা হয়। আর বাটিক প্রিন্ট পদ্ধতিতে কাপড়ের উপর নকশা একে ঐ স্থানে মোম দিয়ে ঢেকে, অন্যস্থানে রং লাগিয়ে নকশা করা হয়। যে কাপড়ে টাই ডাই করা হবে সেটিতে নকশা বা ডিজাইন অনুযায়ী সেলাই বা বন্ধন করতে হবে। বন্ধনকৃত বস্তুটি কমপক্ষে একঘণ্টা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। একটি পাত্রে পরিমাণমতো ফুটন্ত গরম পানিতে রং, হাইড্রোজ ও কস্টিক সোডা ভালোভাবে গুলে নিয়ে ঐ রঙের পানিতে কাপড়টিকে ৫ থেকে ১০ মিনিট সিদ্ধ করলেই রং হয়ে যাবে। তারপর ভালোভাবে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে। ২৪ ঘণ্টা পর ফুটন্ত গরম পানিতে সাবানের ১/৪ অংশ কেটে দিতে হবে। সাবান গলে গেলে কাপড়টি ঐ পানিতে ১০ মিনিট সিদ্ধ করতে হবে। তারপর ধুয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে।

যে কাপড়ে বাটিক করা হবে তা প্রথমে নিয়ম অনুযায়ী ধুয়ে নকশা এঁকে নিতে হবে। তারপর ব্রাশের সাহায্যে কাপড়ের উভয়পিঠে নকশার প্রয়োজনীয় অংশ গলিত মোম দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। সাধারণত কাপড়ে মোম লাগাবার ২৪ ঘণ্টা পর কাপড়ে রং করতে হয়। রং করার ৩০ মিনিট আগে কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর এক কাপ কুসুম গরম পানিতে পরিমাণমতো রং গুলিয়ে পরিমাণমতো ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে কাপড়টি গুলানো রঙের মধ্যে ১৫ মিনিট - নাড়াচাড়া করে রং থেকে উঠাতে হবে। তারপর ঐ রঙের সাথে - পরিমাণমতো লবণ মিশিয়ে ৩০ মিনিট নাড়াচাড়া করতে হবে। ঐ রঙের মধ্যে কাপড় কাঁচার সোডা মিশিয়ে আরও ৩০ মিনিট নাড়াচাড়া করে ঠান্ডা পানিতে চার পাঁচ বার ধুয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে। কাপড় রং করার ২৪ ঘণ্টা পর মোম ছাড়াতে হয়। মোম ছাড়াবার আগে ৩০ মিনিট ঠান্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে রাখতে হবে। একটি হাড়িতে ৩/৪ লিটার ফুটন্ত

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
15
উত্তরঃ

দেহের মাপ অনুযায়ী পোশাক কাটার পূর্বে বাদামি রঙের সমতল কাগজের উপর পোশাকের যে নকশা তৈরি করা হয় তাকে ড্রাফটিং বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
13
উত্তরঃ

যেসব রং অন্য রঙের মিশ্রণে তৈরি হয় না বরং এদের মিশ্রণের ফলে অন্যান্য রঙের সৃষ্টি হয় সেগুলোকে মৌলিক রং বলে। মৌলিক রংকে প্রাথমিক বা বিশুদ্ধ রংও বলা হয়। লাল, হলুদ ও নীল এই তিনটি মৌলিক রং।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
16
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews