শফিক ও তুহিন দুই বন্ধু। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা শেষে শফিক শিক্ষকতায় যোগ দিয়েছে। শফিক শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া আদায়েও কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন ও অধিকার আদায়ের জন্য শফিক একটি সংগঠন গড়ে তুলেছে। অন্যদিকে, তুহিন তার অন্যান্য সমমনা বন্ধুদের সাথে রাজনৈতিক সংগঠনে যোগ দিয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে ওই সংগঠনের ব্যানারে তুহিন প্রার্থী হওয়ার কথা ভাবছে। কারণ তুহিন মনে করে, রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন ছাড়া জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা অসম্ভব। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

কোনো বিশেষ নেতা যখন তার বক্তব্য ও কাজ দ্বারা জনগণকে ভীষণভাবে সন্মোহিত, অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হন তখন সেই নেতৃত্বকে সম্মোহনী নেতৃত্ব বলা হয়। সম্মোহনী নেতৃত্বের ভূমিকা জনগণকে মুগ্ধ করে, আবেগাপ্লুত করে এবং অন্ধ অনুকরণে -অনুপ্রাণিত করে। বাংলাদেশে শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রমুখের নেতৃত্বকে সম্মোহনী নেতৃত্ব বলা হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত শফিকের সংগঠনটির সাথে পাঠ্যপুস্তকের চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মিল রয়েছে।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে এমন সংগঠনকে বোঝায়, যা কিছু সংখ্যক সাধারণ স্থানে আবদ্ধ বেসরকারি লোকের সমন্বয়ে গঠিত, যারা রাজনৈতিক কার্যকলাপের মাধ্যমে আইনসভার বাইরে থেকে সরকারি নীতিমালা গ্রহণ করে ঐসব সাধারণ স্বার্থ ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৎপরতা চালায়। যেমন- শ্রমিক সংঘ, শিক্ষক সমিতি চাপসৃষ্টিকারী সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত। এসব চাপসৃস্টিকারী সংগঠন নিজেদের স্বার্থরক্ষায় আন্দোলন করে এবং স্বার্থ উদ্ধার হলে আন্দোলন বন্ধ করে দেয়।

সাধারণত এই সংগঠন নিজ নিজ স্বার্থে সরকারি নীতি নির্ধারণে ও পরিচালনায় প্রভাব বিস্তার করে। গোষ্ঠীগত স্বার্থ সংরক্ষণই এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য। এই সংগঠন যেহেতু সমস্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে সেহেতু এই সংগঠনের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব বা বিরোধের সম্ভাবনা কম থাকে। এই সংগঠন অনেক ক্ষুদ্র ও সীমিত এবং এদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের কোনো লক্ষ্য থাকে না। এই সংগঠনে সাধারণত নেতৃত্বের মাঝে স্তরভেদ দেখা যায় না এমনকি এই সংগঠন সুদৃঢ়ও নয়। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে একথা স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, উদ্দীপকে বর্ণিত শফিকের সংগঠনটির সাথে পাঠ্যবইয়ের চাপ সৃষ্টিকারী সংগঠনের মিল রয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শফিক ও তুহিনের সংগঠনের দ্বারা রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী এ দুই সংগঠনকে বোঝানো হয়েছে। নিচে এ দুটি সংগঠনের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-

রাজনৈতিক দলগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সাধারণ নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকরী করে সরকারি ক্ষমতা অর্জনের জন্য তৎপর থাকে। অপরদিকে চাপসৃষ্টিকারী সংগঠন হচ্ছে এমন এক গোষ্ঠী যার সদস্যগণ সমজাতীয় মনোভাব এবং স্বার্থের দ্বারা আবদ্ধ।
রাজনৈতিক দলের সামনে বৃহৎ জাতীয় কল্যাণের লক্ষ্য থাকে যা চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মধ্যে থাকে না।

সাংগঠনিক দিক থেকে রাজনৈতিক দল অনেক শক্তিশালী কিন্তু সাংগঠনিকভাবে চাপসৃষ্টিকারী সংগঠন অনেক দুর্বল।
রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী সংগঠনের লক্ষ্য হলো সরকারি সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করা।
রাজনৈতিক দলের কাজকর্ম প্রকাশ্য ও প্রত্যক্ষ। কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী সংগঠনের কাজকর্ম সবসময় প্রকাশ্য থাকে না।
রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কিন্তু চাপসৃস্টিকারী সংগঠন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে না।
রাজনৈতিক দলে নেতৃত্বের স্তরভেদ দেখা যায় কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী সংগঠনে নেতৃত্বের স্তরভেদ দেখা যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
61
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধারণ অর্থে নেতৃত্ব বলতে নেতার গুণাবলিকে বোঝায়। পৌরনীতিতে নেতৃত্ব বলতে বোঝানো হয় কোনো ব্যক্তি বা দলের নেতা কতখানি গুণের অধিকারী এবং তা অন্যকে কতটুকু প্রভাবিত করতে পারে তাকে। সমাজবিজ্ঞানী কিম্বল ইয়ং-এর মতে, “নেতৃত্ব হলো এক ধরনের আধিপত্য যাতে অনুসারীরা তাকে সানন্দে মেনে চলে।” অর্থাৎ এটি এমন এক কৌশল, যা তার অনুসারীদেরকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে তাদেরকে উদ্দীপ্ত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
285
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠনটির সাথে রাজনৈতিক দলের ভূমিকার সাদৃশ্য রয়েছে।

গণতন্ত্র হলো প্রতিনিধিত্বমূলক ও পরোক্ষ ব্যবস্থা। বর্তমানকালের বিশাল জনসংখ্যা বিশিষ্ট জাতীয় রাষ্ট্রের নাগরিকদের পক্ষে প্রত্যক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশ নেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এজন্য গড়ে উঠেছে প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থা। এরূপ ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলগুলো গণতন্ত্রের পরোক্ষভাবে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে থাকে। এজন্য পরোক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারকে 'দলীয় সরকার' বলা হয়। রাজনৈতিক দলের মূলভিত্তিই হলো প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র। 'আর রাজনৈতিক দল বলতে এমন এক জনসমষ্টিকে বোঝায় যারা রাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধানের পন্থা জনসম্মুখে = প্রচারের মাধ্যমে জনসমর্থন লাভের চেষ্টা করে। জনসমর্থন পেলে - নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা দখল করে এবং সরকার গঠন করে = থাকে। এর বিশেষ দিক হলো-

১. জনগণকে সংঘবদ্ধ করবে একটি আদর্শের ভিত্তিতে

২. তাদের আদর্শ ও নীতি প্রচার করে সমর্থন আদায় করবে;

৩. বৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখল করার চেষ্টা করে;

৪. সরকার গঠন করলে দলীয় নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবে;

৫. জনকল্যাণে কাজ করবে;

৬. সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে।

 

 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
169
উত্তরঃ

এখানে রাজনৈতিক দলের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, ক্ষমতা লাভই এর মূল উদ্দেশ্য। রাজনৈতিক দলের অনেকগুলো উদ্দেশ্যের মধ্যে ক্ষমতা লাভ অন্যতম একটি উদ্দেশ্য।

প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলসমূহ তাদের আদর্শ ও নীতিমালা প্রচারের মাধ্যমে জনসমর্থন লাভের চেষ্টা করে থাকে। জনসমর্থন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো সরকার গঠন করে বা করার চেষ্টা করে। জোসেফ সুম্পিটার বলেন, "রাজনৈতিক দল হলো একটি গোষ্ঠী যার সদস্যরা রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের জন্য প্রতিযোগিতামূলক সংগ্রামে একযোগে কাজ করে যেতে সম্মত হয়।" আবার অধ্যাপক গ্যাটেল রলেন যে, "রাজনৈতিক দল কমবেশি সংগঠিত নাগরিকদের গোষ্ঠী, যারা রাজনৈতিক একক হিসেবে কাজ করে এবং যারা তাদের ভোটদান ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সাধারণ নীতিমালা কার্যকর করতে চেষ্টা করে।" অন্যদিকে, ম্যাকাইভার মনে করেন যে, রাজনৈতিক দল দলীয় আদর্শের ভিত্তিতে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠনের চেষ্টা করে থাকে।

অর্থাৎ আমরা দেখতে পাই যে, রাজনৈতিক দলের সকল কার্যক্রমের মূলভিত্তি হলো জনসমর্থন লাভের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া।
নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা গ্রহণ করতে রাজনৈতিক দল সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। আর সরকার গঠন করার মতো পর্যাপ্ত জনসমর্থন না পেলে বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় এবং সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করতে থাকে। ক্ষমতা লাভ করার জন্যই রাজনৈতিক দলের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
154
উত্তরঃ

"রাজনৈতিক দল আদর্শের প্রচারক হিসেবে কাজ করবে” কথাটি বলেছেন অধ্যাপক ম্যাকাইভার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
355
উত্তরঃ

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা মূলত দলীয় শাসনব্যবস্থা। এরূপ ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলগুলো জনসমর্থন আদায়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করে। গণতন্ত্রে দলীয় সরকার দেশ পরিচালনা করে। দল ব্যবস্থা ছাড়া গণতন্ত্র অর্থহীন। এজন্য রাজনৈতিক দলকে গণতন্ত্রের প্রাণ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
302
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews