দেখতে দেখতে শীতকাল এসে গেল। সূর্যের তাপ কমে গেল। চারপাশ কুয়াশায় ভরে গেল। তখন ঘাসফড়িং আর খাবার খুঁজে পায় না। খেলতেও পারে না।
Related Question
View Allসে পিঁপড়াকে জিজ্ঞাসা করল, কী সুন্দর দুপুর! আলোয় চারদিক ঝলমল করছে। এমন সময় কী করছ তুমি? এসো, আমরা খেলা করি।
শীঘ্রই শীতকাল এসে যাবে
ঘাসফড়িং ভাবল, পিঁপড়াটা খুব বোকা।
সূর্যের তাপ কমে গেল।
চারপাশ কুয়াশায় ভরে গেল।
পিঁপড়া বলল, আমি আমার খাবার সঞ্চয় করেছি।
পিঁপড়া বলল, এখন তবে নেচে বেড়াও
সময়ের কাজ সময়ে না করলে কষ্ট তো তোমাকে পেতেই হবে।
শরতের এক দুপুরবেলা ঘাসফড়িংয়ের সাথে পিঁপড়ার দেখা হয়। ঘাসফড়িং পিঁপড়াকে বলে, কী সুন্দর দুপুর! আলোয় চারদিক ঝলমল করছে। এমন সময় কী করছ তুমি? এসো, আমরা খেলা করি।
ঘাসফড়িং পিঁপড়াকে খেলতে ডাকলে পিঁপড়া বলে তার অনেক কাজ রয়েছে। শীঘ্রই শীতকাল এসে যাবে। তখন সে ঘর থেকে বের হতে পারবে না। তাই গরমকাল থাকতেই সে খাবার সঞ্চয় করছে। তুমি তোমার কাজ করো, আমি আমার কাজ করি।
শীতকালে সূর্যের তাপ কমে যায়। চারপাশ ভরে যায় কুয়াশায়। ঘাসফড়িং আর খাবার খুঁজে পায় না। খেলতেও পারে না। সে ক্ষুধায় কষ্ট পায়।
ঘাসফড়িং পিঁপড়ার কাছে খাবার চায়। কারণ গরমকালে ঘাসফড়িং শুধু খেলেছে আর গান গেয়েছে। সে খাবার সঞ্চয় করেনি। শীতকালে সে খাবার খুঁজে পায় না। ফলে ক্ষুধায় কষ্ট পেয়ে ঘাসফড়িং পিঁপড়ার কাছে খাবার চায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!