শব্দগুলো দিয়ে বাক্য গঠন করো

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ফরমাস - অচেনা লোকটি কাঞ্চনমালাকে পিঠা বানানোর ফরমাস দেয়।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

আষ্টেপৃষ্ঠে -জল্লাদকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলা হলো।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

কাঁকন - সোনার কাঁকন দিয়ে রানি দাসী কিনলেন।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

ফুরসত - রাজবাড়ির সকল কাজকর্ম করে কাঞ্চনমালার একটুও ফুরসত থাকে না।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

প্রতিজ্ঞা - রাজার জীবনে প্রতিজ্ঞা ভঙ্গের কারণে ঘোর বিপদ ঘনিয়ে এলো।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

জল্লাদ -নকল রানি অচেনা মানুষ ও কাঞ্চনমালার গর্দান নিতে জল্লাদকে হুকুম দেয়।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

রানি - রানি পিঠা বানাতে শুরু করল

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

নিঝুম -নিঝুম রাতে জোনাকিরা জ্বলছে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

সুখ - বন্ধুর জন্য বাঁশি বাজিয়ে রাখাল বড়ো সুখ পায়।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

রাজপুত্র - রাজপুত্র তার রাখাল বন্ধুকে বলে তাকে সে তার মন্ত্রী বানাবে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

প্রতিজ্ঞা - প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীকে কেউ বিশ্বাস করে না।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

টনটন - কাঁটা বিঁধে হাতটা ব্যথায় টনটন করছে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

ময়ূর -ময়ূর পেখম তুলে নৃত্য করে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

পদ্মলতা -রানি কাঞ্চনমালা উঠানে পদ্মলতা আঁকেন।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

চিনচিন - মাথায় চিনচিন করে ব্যথা করছে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

ঝলমল - সূর্যের আলোতে চারদিক ঝলমল করে ওঠে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

বাঁশি -রাখাল মধুর সুরে বাঁশি বাজায়।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

রাজ্য -রাজার অসুস্থতার সংবাদ শুনে রাজ্যজুড়ে কান্নাকাটির রোল পড়ে যায়।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

ভনভন চারদিকে মাছি ভনভন করছে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

টনটন - রাজার সারা শরীর ব্যথায় টনটন করছে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

থৈথৈ - বর্ষার পানিতে চারপাশ থৈথৈ করছে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

রইরই - হৈহৈ কাণ্ড আর রইরই ব্যাপার।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

কনকন – কনকনে ঠাণ্ডায় আগুন পোহানোর মজাই আলাদা।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

ঝনঝন - যুদ্ধের ময়দানে ঢাল তলোয়ার ঝনঝন করে উঠল।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
235

কাঞ্চনমালা আর কাঁকনমালা

অনেক দিন আগের কথা। এক দেশে ছিল এক রাজা। রাজার একটাই পুত্র। রাজপুত্রের সঙ্গে সেই রাজ্যের রাখাল ছেলের খুব ভাব। দুই বন্ধু পরস্পরকে খুব ভালোবাসে। রাখাল মাঠে গর্ চরায়, রাজপুত্র গাছতলায় বসে তার জন্য অপেক্ষা করে। নিঝুম দুপুরে রাখাল বাঁশি বাজায়। রাজপুত্র তার বন্ধু রাখালের গলা জড়িয়ে বসে সেই সুর শোনে। বন্ধুর জন্য বাশি বাজিয়ে রাখাল বড় সুখ গায়। আর, তা শুনে রাজপুত্রের মন খুশিতে ঝলমলিয়ে ওঠে। রাজপুত্র বন্ধুর কাছে প্রতিজ্ঞা করে, বড় হয়ে রাজা হলে রাখালকে তার মন্ত্রী বানাবে।

তারপর একদিন রাজপুত্র রাজা হয়। লোকলস্কর, সৈন্যসামন্তে গমগম করে তার রাজপুরি। রাজপুরি আলো করে থাকে রানি কাঞ্চনমালা। চারদিকে সুখ। এত সুখের মধ্যে রাখালবন্ধুর কথা মনে পড়ে না। রাজপুত্র বন্ধুকে ভুলে যায় ।

এদিকে, রাখালবন্ধুর কিন্তু খুব মনে পড়ে বন্ধু রাজপুত্রের কথা। শেষে সে একদিন চলেই আসে বন্ধুকে একটুখানি দেখার জন্য। কিন্তু রাজপ্রাসাদের রক্ষীরা অমন গরিব রাখালকে ভিতরে ঢুকতে দেয় না। মনভরা কষ্ট নিয়ে সারাদিন প্রাসাদের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে সে। রাজার দেখা মেলে না। দিনশেষে মনের কষ্ট নিয়ে দুঃখী রাখাল চলে যায়, কেউ তা জানে না ৷

এক রাতে রাজা ঘুমাতে যান। কিন্তু ভোরবেলা যখন তার ঘুম ভাঙে, তখনই দেখা যায় কী সর্বনাশ ঘটেছে! রাজা দেখেন যে তার শরীরে গেঁথে আছে অগুনতি সুচ। রাজা কথা বলতে পারেন না, শুতে পারেন না, খেতেও পারেন না। রাজ্যজুড়ে কান্নাকাটির রোল পড়ে যায়। রাজা বোঝেন – প্রতিজ্ঞা ভঙ্গের সেই অপরাধেই আজকে তার এই দশা। রানি কাঞ্চনমালা চোখের জল মুছতে - মুছতে রাজ্য দেখাশোনা শুরু করেন।

কাঞ্চনমালা একদিন নদীর ঘাটে স্নান করতে যান ৷ কোথা থেকে জানি একটা মেয়ে এলো। এসে তাকে বলে, রানির যদি দাসীর দরকার হয়, তো সে দাসী হবে। রাজার শরীর থেকে সুচ খোলার জন্য একজনের দরকার ছিল রানি কাঞ্চনমালার। মেয়েটাকে সেই কাজের জন্য নিয়ে নেন রানি। নদীর ঘাটে গেছেন রানি, সঙ্গে কী করে থাকে টাকাকড়ি! তখন হাতের সোনার কাঁকন দিয়েই রানিকে কিনতে হয় ওই দাসী। তাই তার নাম কাঁকনমালা ৷

গায়ের গয়নাগুলো কাঁকনমালার কাছে রেখে নদীতে ডুব দিতে যান রানি । চোখের পলকে কাঁকনমালা রানির সব গয়না আর শাড়ি পরে নেয়। রানি ডুব দিয়ে উঠে দেখেন দাসী হয়ে গেছে রানি, আর

রানি কাঞ্চনমালা হয়ে গেছেন দাসী। নকল রানি কাঁকনমালার ভয়ে কাঁপতে থাকে কাঞ্চনমালা। কাঁপতে থাকে রাজপুরীর সকলে। সকলে ভাবতে থাকে, তাদের রানি তো আগে এমন ছিল না।

সুচর্বিধা রাজা জানতেই পারেন না, তার রাজ্যে আরেক কী ঘোর ঝামেলা এসে গেছে। দুখিনী কাঞ্চনমালা রাজবাড়ির সকল কাজকর্ম করেন। চোখের জল ফেলেন।

  
 

 

 

 

 

 

 


 

তারপর একদিন রাজপুত্র রাজা হয়। লোকলস্কর, সৈন্যসামন্তে গমগম করে তার রাজপুরি। রাজপুরি আলো করে থাকে রানি কাঞ্চনমালা। চারদিকে সুখ। এত সুখের মধ্যে রাখালবন্ধুর কথা মনে পড়ে না। রাজপুত্র বন্ধুকে ভুলে যায় ।

এদিকে, রাখালবন্ধুর কিন্তু খুব মনে পড়ে বন্ধু রাজপুত্রের কথা। শেষে সে একদিন চলেই আসে বন্ধুকে একটুখানি দেখার জন্য। কিন্তু রাজপ্রাসাদের রক্ষীরা অমন গরিব রাখালকে ভিতরে ঢুকতে দেয় না। মনভরা কষ্ট নিয়ে সারাদিন প্রাসাদের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে সে। রাজার দেখা মেলে না। দিনশেষে মনের কষ্ট নিয়ে দুঃখী রাখাল চলে যায়, কেউ তা জানে না ৷

এক রাতে রাজা ঘুমাতে যান। কিন্তু ভোরবেলা যখন তার ঘুম ভাঙে, তখনই দেখা যায় কী সর্বনাশ ঘটেছে! রাজা দেখেন যে তার শরীরে গেঁথে আছে অগুনতি সুচ। রাজা কথা বলতে পারেন না, শুতে পারেন না, খেতেও পারেন না। রাজ্যজুড়ে কান্নাকাটির রোল পড়ে যায়। রাজা বোঝেন – প্রতিজ্ঞা ভঙ্গের সেই অপরাধেই আজকে তার এই দশা। রানি কাঞ্চনমালা চোখের জল মুছতে - মুছতে রাজ্য দেখাশোনা শুরু করেন।

কাঞ্চনমালা একদিন নদীর ঘাটে স্নান করতে যান ৷ কোথা থেকে জানি একটা মেয়ে এলো। এসে তাকে বলে, রানির যদি দাসীর দরকার হয়, তো সে দাসী হবে। রাজার শরীর থেকে সুচ খোলার জন্য একজনের দরকার ছিল রানি কাঞ্চনমালার। মেয়েটাকে সেই কাজের জন্য নিয়ে নেন রানি। নদীর ঘাটে গেছেন রানি, সঙ্গে কী করে থাকে টাকাকড়ি! তখন হাতের সোনার কাঁকন দিয়েই রানিকে কিনতে হয় ওই দাসী। তাই তার নাম কাঁকনমালা ৷

গায়ের গয়নাগুলো কাঁকনমালার কাছে রেখে নদীতে ডুব দিতে যান রানি । চোখের পলকে কাঁকনমালা রানির সব গয়না আর শাড়ি পরে নেয়। রানি ডুব দিয়ে উঠে দেখেন দাসী হয়ে গেছে রানি, আর

রানি কাঞ্চনমালা হয়ে গেছেন দাসী। নকল রানি কাঁকনমালার ভয়ে কাঁপতে থাকে কাঞ্চনমালা। কাঁপতে থাকে রাজপুরীর সকলে। সকলে ভাবতে থাকে, তাদের রানি তো আগে এমন ছিল না।

সুচর্বিধা রাজা জানতেই পারেন না, তার রাজ্যে আরেক কী ঘোর ঝামেলা এসে গেছে। দুখিনী কাঞ্চনমালা রাজবাড়ির সকল কাজকর্ম করেন। চোখের জল ফেলেন।

মাথার বোঝা নামিয়ে কাঞ্চনমালা যান ছুটে তার কাছে। বলেন, गाখ লাখ সুচ চাও তো? আমি দিতে পারি। এ কথা শুনে সেই মানুষ ঝটপট তার সুতার পুঁটলি তুলে নিয়ে কাঞ্চনমালার সাথে হাঁটা ধরে। যেতে যেতে পথে কাঞ্চনমালা চোখের জল ফেলতে ফেলতে দুঃখের সব কথা বলে। অচেনা মানুষ শোনে, মুখ থমথমে হয়ে যেতে থাকে তার ।

রাজপুরীতে গিয়ে ওই অচিন মানুষ সুচ নেবার কথাটাও বলে না। বলতে থাকে অন্য কথা। বলে, আজকের দিন বড় শুভ দিন। আজ হচ্ছে পিটকুডুলির ব্রত, আজকের দিনে রানিদের পিঠা বিলাতে হয়- এমনই নিয়ম। নকল রানি পিঠা বানাতে যায়। সে কাঞ্চনমালাকেও পিঠা বানাতে ফরমাস দেয়। নকল রানি বানায় পিঠা। সে পিঠা কেউ মুখেও তুলতে পারে না, এমনই বিবাদ। দুখিনী কাঞ্চনমালা বানান চন্দ্রপুলি, মোহনবাণী, ক্ষীর মুরলি পিঠা। মুখে দেওয়া মাত্র সকলের মন ভরে যায়। এমনই স্বাদ তার। নকল রানি উঠানে আল্পনা দিতে যায়। কোথায় নকশা কোথায় কী- এখানে এক খাবলা রং লেপে দেওয়া, ওখানে এক খাবলা লেপা। দেখতে যে কি অসুন্দর দেখায়! আর কাঞ্চনমালা আঁকেন পদ্মলতা। তার পাশে আঁকেন সোনার সাত কলস, ধানের ছড়া, ময়ূর- পুতুল। লোকে তখন বুঝতে পারে কে আসল রানি, আর কে দাসী।

তখন সেই অচেনা মানুষটা কাঁকনমালাকে ডাক দেয়, বলে- হাতের কাঁকনে কেনা দাসী, জলি সত্যি কথা কা। কাঁকনমালার সেকি রাগ। সে গর্জে উঠে জল্লাদকে হুকুম দেয়, অচেনা মানুষ আর কাঞ্চনমালার গর্দান নিতে। জল্লাদ ওদের ধরতে আসার আগেই অচেনা মানুষ তার সুতার পুঁটলিকে হুকুম দেয়। এক গোছা সুতা গিয়ে জন্মাদকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে। নকল রানি আবার গর্জে ওঠার আগেই অচিন মানুষ নতুন মন্ত্র পড়া ধরে

সুতন সূত্ৰন সরুলি, কোন দেশে ঘর

সুচ রাজার সূচ গিয়ে আপনি পর।

সঙ্গে সঙ্গে লাখ লাখ সুতা রাজার গায়ের লাখ লাখ সুচে ঢুকে যায়। আবার মন্ত্র পড়ে অচিন মানুষ। সব সূচ রাজার শরীর থেকে বেরিয়ে এসে নকল রানির চোখেমুখে বিধে যায়। জ্বালা যন্ত্রণায় ছটফট করে। নকল রানি শেষে মারা যায়। কাঞ্চনমালার দুঃখের দিন শেষ হয় ৷

 

 

 

 

 

এদিকে, রাজা বহু বছর পরে চোখ মেলেন। সামনে কে যেন দাঁড়িয়ে! কে! সেই রাখালবন্ধু! রাজা দুহাতে জড়িয়ে ধরেন তাকে। রাজা ক্ষমা চান তাঁর বন্ধুর কাছে। কথা দিয়ে কথা রাখেন নি। রাজা বলেন,“আজ থেকে তুমি আমার মন্ত্রী। এই রইল রাজ্য আমার, শুধু তুমি আমার পাশে থেকো সারা জীবনের জন্য থেকো।” রাখাল বন্ধু কি তখন না থেকে পারে।

রাজা তাঁর বন্ধুকে নতুন সোনার বাঁশি গড়িয়ে দেন। রাখাল সারাদিন মন্ত্রীর কাজ করে, প্রজাদের দুঃখ সরিয়ে তাদের মুখে হাসি আনে। সারাদিনের কাজ শেষে রাজা বন্ধুকে নিয়ে যান। পুরানো দিনের মতো রাখালবন্ধু তখন বাঁশি বাজায়, আর রাজা সেই সুর শোনেন। সুখে রাজার মন ভরে ওঠে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রতিজ্ঞা ভঙ্গের অপরাধে আজকে তার এই দশা

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

রাজপুত্রের জন্য বাঁশি বাজিয়ে রাখাল বড়ো সুখ পায়।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

নিঝুম দুপুরে রাখাল বাঁশি বাজায়।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

লোকলস্কর, সৈন্যসামন্তে  গমগম করে রাজার রাজপুরী।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

রাজপুত্র রাখালকে মন্ত্রী বানানোর  প্রতিজ্ঞা করে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

নকল রানি রাজার  রাজ্য দখল করে নিয়েছে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

কাঞ্চনমালার সকল  দুঃখের  দিন শেষ হয়।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
70
উত্তরঃ

তারপর একদিন রাজপুত্র রাজা হয়।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

লোকলস্কর, সৈন্যসামন্তে গমগম করে তার রাজপুরী।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

শেষে সে একদিন চলেই আসে বন্ধুকে একটুখানি দেখার জন্য

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

তাদের রানি তো আগে এমন   ছিল না।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

সুচরাজা জানতেই পারেন না, তার রাজ্যে তখন কী হচ্ছে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
65
উত্তরঃ

সন্তানের মৃত্যুতে তিনি কান্না ধরে রাখতে পারলেন না।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

মন্দ লোকটির ফাঁদে পা দিয়ে সে তার সবকিছু হারিয়েছে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

রাসেল বয়সে ছোটো হলেও সংসারের অনেক কাজে মাকে সাহায্য করে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

লোকটিকে আমি কোথায় যেন দেখেছি, খুব চেনা মনে হচ্ছে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় চারদিকে আঁধার নেমে এলো।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
72
উত্তরঃ

রাজপুত্র ও রাখালের বন্ধুত্ব সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য-
ক. রাজপুত্র ও রাখাল ছেলের মধ্যে খুব ভাব।
খ. তারা দুই বন্ধু পরস্পরকে খুব ভালোবাসে।
গ. রাখাল রাজপুত্রকে বাঁশি বাজিয়ে শোনায়।
ঘ. বাঁশির সুর শুনে রাজপুত্রের মন খুশিতে ঝলমলিয়ে ওঠে।
ঙ. রাজপুত্র বড়ো হয়ে রাজা হলে রাখালকে মন্ত্রী বানাবে বলে প্রতিজ্ঞা করে।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
127
উত্তরঃ

একদিন ভোরবেলা যখন রাজার ঘুম ভাঙে, তখন দেখা যায়, তাঁর সারা শরীরে অগুনতি সুচ গেঁথে আছে। তিনি কথা বলা, শোয়া, খাওয়া কোনো কিছুই করতে পারেন না। রাজার এ অবস্থার সংবাদ শুনে রাজ্যজুড়ে কান্নাকাটির রোল পড়ে যায়।

Satt Team 10
Satt Team 10
10 months ago
124
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews