শব্দদূষণ
শব্দ যখন মানুষের সহ্যের সীমা অতিক্রম করে তখন তাকে শব্দদূষণ বলে। বিজ্ঞানের উন্নতির এই পর্যায়ে যে সমস্যাগুলো মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে পদে পদে ব্যাহত করে চলেছে তার মধ্যে শব্দদূষণ অন্যতম। মাইকের আওয়াজ, গাড়ির হর্ন, কলকারখানার সাইরেন এবং বিভিন্ন যান্ত্রিক তীব্র ও অতিমাত্রার আওয়াজ শব্দদূষণ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, পাখির ডাক, সংগীতের কোমল সুর শ্রুতিমধুর। মানুষের জীবনে শব্দদূষণের প্রভাব অনেক। তীব্র শব্দ কানের পর্দায় জোরালোভাবে আঘাত করে। এতে কানের পর্দা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। শব্দদূষণ- আক্রান্ত মানুষ মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। শব্দদূষণের ফলে দুশ্চিন্তা, উচ্চ রক্তচাপ, উগ্রতা, শ্রবণশক্তি হ্রাস, ঘুমের ব্যাঘাতসহ নানা রকম ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া ঘটে। গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ শব্দের শিল্পকারখানায় যেসব শ্রমিক কাজ করে তাদের শ্রবণশক্তি ১০ বছরে অর্ধেক হ্রাস পায়। সরকার ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতন উদ্যোগের মাধ্যমে উচ্চ শব্দের উৎসসমূহ বন্ধ করলে আমরা শব্দদূষণের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে পারি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!