শব্দ কাকে বলে ? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

মানুষের চিন্তা, ইচ্ছা, অনুভব করার কথিত ধ্বনি বা লিখিত চিহ্নকে শব্দ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
626

Related Question

View All
উত্তরঃ

পদ' হলো এক বা একাধিক শব্দের সমষ্টি যা যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

একটি যুক্তিবাক্যে সব সময় দুটি পদ থাকে, কিন্তু শব্দ থাকে দুই বা ততোধিক। যেমন- পানি হয় তরল। যুক্তিবাক্যে পানি ও তরল দুটি পদ। কিন্তু ভাসানী ছিলেন একজন বলিষ্ঠ দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। বাক্যে ৬টি শব্দ আছে। যুক্তিবাক্যে পদ আছে দুই ধরনের, কিন্তু শব্দ আছে তিন ধরনের। সুতরাং ব্যাপকতার দিক থেকে শব্দ পদের চেয়ে বেশি ব্যাপ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
316
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ৩নং চিত্র ব্যাপ্যতার দিক থেকে E-যুক্তিবাক্যের প্রতিনিধিত্ব করছে। 'পদের ব্যাপ্যতা' বলতে পদের প্রসারতাকে বোঝায়। একটি পদ যখন কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন পদটি দ্বারা যে পরিমাণ ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে তার দ্বারা সে পদের ব্যাপ্যতা বা ব্যাপ্তি নির্ণয় করা হয়। কোনো কোনো যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে প্রকাশ করে, আবার কোনো কোনো যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে। আবার কোনো পদ যখন আংশিক ব্যক্ত্যর্থ গ্রহণ করে তখন তাকে 'অব্যাপ্য পদ' বলে। 

E- যুক্তিবাক্য বলতে আমরা বুঝি যে যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে বিধেয় পদ অস্বীকার করে। যেমন- কোনো মানুষ নয় অমর। একে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকের ৩নং চিত্রে যা বোঝানো হয়েছে তা হলো- একটি যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ উভয়-ই ব্যাপ্য। কারণ কালো দাগ বিশিষ্ট চিত্র দ্বারা ব্যাপ্যতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। আর E- যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদ ব্যাপ্য। E-যুক্তিবাক্য সার্বিক বলে এর পদটি পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। সুতরাং উদ্দেশ্যটি ব্যাপ্য। আবার E-যুক্তিবাক্যটি নঞর্থক বলে বিধেয় পদটিও পূর্ণ ব্যাক্ত্যর্থ প্রকাশ করে। এজন্য বিধেয় পদটিও ব্যাপ্য। যেমন- কোনো মানুষ নয় অমর। সুতরাং ৩নং চিত্র ব্যাপ্যতার দিক থেকে E- যুক্তিবাক্যের প্রতিনিধিত্ব করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
388
উত্তরঃ

চিত্রে কালো দাগ বিশিষ্ট অংশটি হলো ব্যাপ্য। সুতরাং ১নং চিত্রের একটি যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য এবং ২নং চিত্রে একটি যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ ব্যাপ্য হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। ব্যাপ্যতা হলো প্রসারতা। যখন কোনো পদ একটি যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন পদটি দ্বারা যে পরিমাণ ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে, তার দ্বারা সে পদের ব্যাপ্তি নির্ণয় করা হয়। যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদটি ব্যাপ্য হতে পারে, আবার বিধেয় পদটি ব্যাপ্য হতে পারে।

উদ্দীপকের ১নং চিত্রে উদ্দেশ্যটি ব্যাপ্য, আর বিধেয় অব্যাপ্য হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। এই যুক্তিবাক্যকে A-যুক্তিবাক্য বলে। ২নং চিত্রে বিধেয়টি ব্যাপ্য এবং উদ্দেশ্যটি অব্যাপ্য হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। সুতরাং এটি একটি O-যুক্তিবাক্য।

A-যুক্তিবাক্য হলো সার্বিক সদর্থক। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের সমগ্রকে স্বীকার করে নেয় তাকে A-যুক্তিবাক্য বা সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। -যুক্তিবাক্য হলো বিশেষ নঞর্থক। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় উদ্দেশ্য পদের অংশিককে অস্বীকার করে তাকে -যুক্তিবাক্য বা বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- কিছু মানুষ নয় সাহসী। সুতরাং ১নং চিত্র ও ২নং চিত্রকে সম্পূর্ণ বিপরীত বলা যায়। কারণ ১নং চিত্রের যুক্তিবাক্যটি সার্বিক সদর্থক এবং ২নং চিত্রের যুক্তিবাক্যটি বিশেষ নঞর্থক। ১নং চিত্রে উদ্দেশ্য ব্যাপ্য এবং বিধেয় অব্যাপ্য। আর ২নং চিত্রে উদ্দেশ্য অব্যাপ্য এবং বিধেয় ব্যাপ্য হয়েছে। তাই ১নং চিত্র ও ২নং চিত্র বিপরীত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
314
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যায় শব্দ প্রধানত তিন প্রকার। যথা- ১। পদযোগ্য শব্দ, ২। সহ-পদযোগ্য শব্দ, ৩। পদ-নিরপেক্ষ শব্দ।

এটি ছকের মাধ্যমে দেখানো হলো-

শব্দ

পদযোগ্য শব্দ

সহ-পদযোগ শব্দ

পদ-নিরপেক্ষ শব্দ

কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়া যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয়। যথা- মানুষ, কলম

যে শব্দ অন্য পদের সাহায্য ছাড়া যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। যথা- গুলো, টা, টি।

যে শব্দ যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। যথা- হায়! বাহ!

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
464
উত্তরঃ

বাবার বক্তব্যের মাঝে সহ-পদযোগ্য শব্দের দৃষ্টান্ত হলো-গুলো। যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি স্বাধীনভাবে কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত না হয়ে অন্য কোনো অর্থপূর্ণ শব্দের সাহায্য নিয়ে ব্যবহৃত হয় তাদেরকে সহ-পদযোগ্য শব্দ বলে। যেমন- খানি, গুলো, টা, টি ইত্যাদি। এই শব্দগুলো কোনো যুক্তি বাকোর উদ্দেশ্য বা বিধেয় পদ হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে না। এজন্য এগুলোকে সহ-পদযোগ্য শব্দ বলে। যেমন- বদনখানি। এখানে 'খানি' শব্দটি সহ-পদযোগ্য শব্দ।

উদ্দীপকে বাবা ছেলেকে আম নিয়ে এসে হাতে দিয়ে বললেন, আমগুলো খেতে মিষ্টি। এখানে সহ পদযোগ্য শব্দ হলো- 'গুলো'। কারণ 'গুলো' শব্দটি স্বাধীনভাবে কোনো যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে না। এটি আম এর সাথে যুক্ত হয়ে আমগুলো হয়েছে এবং যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
294
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews