রিপন ও মিশু স্কুল থেকে ফিরে রাস্তায় হাটছে।
রিপন: আরে মিশু, আজকাল রাস্তায় এতো শব্দ কেন?
মিশু: তুই কি বোকা? এখন তো সবজায়গায়ই গাড়ি, বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল। এসবের শব্দে তো কান ঝনঝন করে।
রিপন: শুধু গাড়ি-বাসই না, আরও অনেক কিছু। ফ্যাক্টরি, মাইক, স্পিকার, সব মিলিয়ে এক অসহ্য পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে।
মিশু: হ্যাঁ, তুই ঠিক বলেছিস। এই শব্দ দুষণের কারণে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
রিপন: কীভাবে?
মিশু: শব্দ দূষণের কারণে আমাদের কানে ব্যথা হতে পারে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে, রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, মনোযোগের অভাবও দেখা দিতে পারে।
রিপন: তাহলে আমাদের কী করতে হবে?
মিশু: আমাদের সকলেরই সচেতন হতে হবে। যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো, উচ্চ শব্দে গান শোনা, এবং মাইকের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
রিপন: সরকারেরও উচিত কঠোর আইন প্রণয়ন করা এবং শব্দ দুষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া।
মিশু: হ্যাঁ, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালাতে হবে।
রিপন: ঠিক বলেছিস। আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে শব্দ দূষণমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।
মিশু: আশা করি আমরা সকলেই একসাথে কাজ করে একটি সুন্দর ও শব্দমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারবো।
Related Question
View Allজমির নেশা
জকি একজন বিশাল জমির মালিক। জীবনের নেশা যেন তার শুধু জমি কেনা। যখনই কোনো জমি বিক্রির খবর পায়, সে তখনই সেই বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করতে ছুটে যায়। তার স্ত্রীর অনেক বার নিষেধ করার পরও সে এই নেশা ছাড়তে পারে না। জমি কেনা তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাড়িয়েছে।
জকির এই জমি কেনার নেশার কারণে, তার একমাত্র মেয়ে জুহির পড়াশুনার দিকেও সে নজর দিতে পারছে না। জুহি স্কুলে যায়, কিন্তু তার পড়াশুনার অবস্থা ভালো নয়। তার মায়ের দুশ্চিন্তা বাড়ছে দিন দিন। একদিন, জুহির স্কুলের শিক্ষক তার মায়ের সাথে দেখা করতে বললেন। শিক্ষক বললেন, "জুহি খুব মেধাবী মেয়ে, কিন্তু তার পড়াশুনার দিকে যত্ন প্রয়োজন। আপনি কি একটু সময় দিতে পারবেন?"
জুহির মা চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি জানতেন, তার স্বামী যদি একটু সময় দিত, তাহলে জুহি আরও ভালো করতে পারত। তিনি জকিকে বোঝানোর চেষ্টা করলেন।
"জকি, আমাদের মেয়ের পড়াশুনার দিকে একটু মনোযোগ দাও। জমি তো আরও পাওয়া যাবে, কিন্তু আমাদের মেয়ের ভবিষ্যৎ কী হবে?" তিনি করুণ কন্ঠে বললেন।
জকি প্রথমে কিছু বলল না। পরে একটু চিন্তা করে বলল, "ঠিক আছে, আমি চেষ্টা করব। কিন্তু জমি কেনা আমার পেশা এবং নেশা।"
জুহির মা মৃদু হেসে বললেন, "তুমি চেষ্টা করো। জমি তো থাকবে, কিন্তু আমাদের মেয়ের ভবিষ্যৎই সবচেয়ে বড় জমি।"
জকি বুঝল, তার নেশা তার পরিবারকে ভোগাচ্ছে। সে সিদ্ধান্ত নিল, এবার থেকে জমি কেনার পাশাপাশি জুহির পড়াশুনার দিকেও মনোযোগ দেবে। অবশেষে, জুহির মা একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন, কারণ তিনি জানতেন, তার মেয়ে এখন তার বাবার ভালোবাসা এবং যত্ন পাবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!