শরিফ স্টাইল লি. একটি উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১,০০০ কর্মী কাজ করে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মনে করেন কর্তৃপক্ষের বেশি সহানুভূতিশীলতার সুবাদে কর্মীরা অলস হয়ে পড়েছে এবং তারা কাজ এড়িয়ে চলায় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ক্ষমতা কমছে। তাই ন, তিনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে কর্মীদের থেকে কাজ আদায় করতে চান এবং কোনো পরিকল্পনা তৈরিতে কর্মীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মুক্ত নেতৃত্বে নেতা কর্মীদের ওপর দায়িত্ব দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, তা যাচাই, ত্রুটি-বিচ্যুতি নির্ণয় এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনীমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া হলো নিয়ন্ত্রণ। ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া পরিকল্পনা থেকে শুরু হয়ে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শেষ হয়। প্রণীত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, তা যাচাই করেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়। নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পরিকল্পনার ত্রুটি-বিচ্যুতি নির্ণয় করা হয়। এছাড়া পরবর্তী কাজ পরিচালনার জন্য সংশোধনীমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নিয়ন্ত্রণ একটি ধারাবাহিক কার্যক্রম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ক্ষমতা প্রয়োগের ধরন বিচারে শরিফ স্টাইল লি.-এ মুক্ত বা লাগামহীন নেতৃত্ব বিদ্যমান।

এ ধরনের নেতৃত্বে কর্মীদের দায়িত্ব দিয়ে নেতা নিশ্চিন্ত থাকেন এবং কর্মীরা ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করে। এক্ষেত্রে নেতা নিজে কাজ করতে পছন্দ করেন না। আবার কর্মীদের সুনির্দিষ্ট আদেশও দেন না।

উদ্দীপকের শরিফ স্টাইল লি. একটি উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১,০০০ কর্মী কাজ করে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মনে করেন, কর্তৃপক্ষের বেশি সহানুভুতিশীলতার জন্য কর্মীরা অলস হয়ে পড়েছে। তারা কাজ এড়িয়ে চলায় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ক্ষমতা কমছে। এ কাজগুলো লাগামহীন নেতৃত্বের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। তাই বলা যায়, শরিফ স্টাইল লি.-এ মুক্ত বা লাগামহীন নেতৃত্ব অনুসরণ করা হয়। 

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানে পরবর্তী পদক্ষেপে নেওয়া স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতিতে যৌক্তিক বলে আমি মনে করি। এ ধরনের নেতৃত্বে নেতা সব ক্ষমতা নিজের কাছে রাখেন এবং এককভাবে সিদ্ধান্ত নেন। এ নেতৃত্বে নেতা যা ভালো মনে করেন তা-ই করেন। তিনি কাজের জন্য কারো কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকেন না। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মনে করেন কর্তৃপক্ষের বেশি সহানুভূতিশীলতার কারণে কর্মীরা অলস হয়ে পড়েছে। তারা কাজ এড়িয়ে চলায় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। তাই তিনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে কর্মীদের কাছ থেকে কাজ আদায় করতে চান। এছাড়া, কোনো পরিকল্পনা তৈরিতে কর্মীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ সিদ্ধান্তটি স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বেরই প্রতিফলন। প্রতিষ্ঠানটি প্রথম দিকে যে নেতৃত্ব অনুসরণ করেছে তাতে কর্মীদের অলসতা ও অবহেলার প্রবণতা দেখা যায়। তাই ব্যবস্থাপক পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের কাজ ভালোভাবে করার জন্য স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করতে চান। এতে নেতার নির্দেশে কর্মীরা কাজ করতে বাধ্য থাকবে। আর কাজের চাপ ও শাস্তির ভয়ে তারা দ্রুত কাজ করবে। প্রতিষ্ঠানে নেতার কর্তৃত্বও বজায় থাকবে। এ নেতৃত্ব কর্মীরা অপছন্দ করলেও এটি প্রতিষ্ঠানের জন্য অনেক সাফল্য নিয়ে আসে। সুতরাং, প্রতিষ্ঠানটিতে সাময়িকভাবে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করা বেশি যুক্তিযুক্ত হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
114

মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে ব্যবস্থাপনার উৎপত্তির সহ-সম্পর্ক রয়েছে। শুরুতে ব্যবস্থাপনা ছিল পরিবার ও দলভিত্তিক। সভ্যতার বিকাশের সাথে সাথে সকল ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার ধারণা ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবস্থাপনার ধারণাটি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে ব্যবসায়ী সমাজের ব্যবসা পরিচালনা পদ্ধতি থেকে। সাধারণভাবে বলতে গেলে, কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে অন্যদের দ্বারা প্রয়োজনীয় কাজ করিয়ে নেওয়ার কৌশলকে ব্যবস্থাপনা বলে। আলোচ্য অধ্যায়ে আমরা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার ধারণা, কার্যাবলি, এবং ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন উপাদান সম্পর্কে জানতে পারব।


এ অধ্যায়টি পাঠ শেষে আমরা-

  • ব্যবস্থাপনার ধারণা ও কার্যাবলি ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিকল্পনার ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করতে পারব।
  • সংগঠিতকরণের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • নেতৃত্বের ধারণা ও প্রকারভেদগুলো বর্ণনা করতে পারব।
  • ভালো নেতার গুণাবলি চিহ্নিত করতে পারব।
  • ব্যবসায় অর্থায়নের ধারণা ও উৎসগুলো বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অধীনস্থ কর্মীদের পূর্ণ কার্যক্ষমতা ব্যবহারের লক্ষ্যে তাদেরকে কাজের প্রতি অনুপ্রাণিত বা উৎসাহিত করার প্রক্রিয়া হলো প্রেষণা।

মানুষের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষাকে প্রভাবিত করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করার আগ্রহ তৈরি করা প্রেষণার উদ্দেশ্য। এটি কর্মীদের মানসিক অবস্থাকে প্রতিষ্ঠান ও কাজের প্রতি ইতিবাচক করে তোলে। এতে কাজের প্রতি কর্মীর মনোবল বাড়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
300
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব মাহিনের কাজটি হলো ব্যবস্থাপনা।

এর মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া হয়। একজন ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ, যোগ্য কর্মী নিয়োগ, কর্মীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং দক্ষতা বাড়াতে কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। তাছাড়া তিনি কর্মীদের কাজের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য প্রেষণা দেন।

উদ্দীপকের জনাব মাহিন 'হাসি-খুশি নকশি ঘর'-এর মালিক। তিনি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করেন। এরপর তিনি কর্মীদের কাজের জন্য দিক-নিদের্শনা ও পরামর্শ দেন। প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন বিবেচনা করে তিনি দক্ষ কর্মী নিয়োগ ও যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। এভাবে তিনি কর্মীদের দিয়ে কাজ করিয়ে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের চেষ্টা করেন। এসব কাজ ব্যবস্থাপনার কার্যাবলির সাথে সম্পৃক্ত। তাই জনাব মাহিনের কাজটিকে ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত বলা যায়

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
324
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মাহিনের দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে 'হাসি-খুশি নকশি ঘর' স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের উপকরণ ও সম্পদসমূকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে প্রত্যাশিত ফল অর্জন করা যায়। একজন ব্যবস্থাপক দক্ষতার সাথে কাজ পরিচালনা করতে পারলেই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হয়। বর্তমানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই দক্ষ ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়।

উদ্দীপকের জনাব মাহিন অনেক ভেবে-চিন্তে প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করেন। আবার উকরণাদির যাতে সুষ্ঠু ব্যবহার হয় সেজন্য কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন। পণ্যের মান বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি দক্ষ কর্মী নিয়োগ দেন। প্রয়োজনে তিনি কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করেন।

জনাব মাহিনের কার্যকর দিক-নির্দেশনা ও পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানটি সহজেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়। তার দক্ষতার কারণেই মানবীয় (শ্রমিক-কর্মী) ও অমানবীয় (কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি) উপাদানের সদ্ব্যবহার হয়। এভাবেই 'হাসি-খুশি নকশি ঘর' স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
344
উত্তরঃ

নারী-পুরুষের ভিন্ন-ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকাকে 'জেন্ডার সচেতনতা' বলে।

একজন কর্মী নারী বা পুরুষ যাই হোক না কেন উভয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। এতে প্রতিষ্ঠানে নারী-পুরুষ পক্ষপাতহীন আচরণ বজায় রাখতে হবে। কারও প্রতি কোনো পক্ষপাতিত্ব না করাই জেন্ডার সচেতনতার মূল বিষয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews