'শলভ' শব্দের অর্থ পতঙ্গ। আসন অবস্থায় দেহ অনেকটা পতঙ্গের মতো দেখায় বলে এই আসনের নাম শলভাসন। শলভাসন নিয়মিত অনুশীলনে শরীর ও মনের উপর যে প্রভাব পড়ে তা হলো-কোমর ও মেরুদন্ডের যেকোনো ব্যাথায় এই শলভাসন উপকারী। এই আসনে মেরুদণ্ড নমনীয় ও সবল হয়। তলপেটে ও পিঠের নিচের অংশের মেদ কমে। এতে উরু ও কোমরের পেশীর গঠন সুন্দর হয় এবং হৃৎপিন্ড সবল হয়।
শলভাসন বাত রোগের আশ্চার্য প্রতিষেধক। ক্ষুধামন্দা, অম্ল, অজীর্ণ, কোষ্ঠকাঠিন্য, প্রভৃতি, রোগ নিরাময় হয়। এই আসনে গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর হয়। পেটে বায়ুর প্রকোপ কমে, পেটফাঁপা সারে, হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।
Related Question
View Allসূর্যোদয়ের কিছু আগে ঘুম থেকে উঠতে হবে।
সায়াহ্ন মানে সন্ধ্যা। সন্ধ্যাকালে হাতমুখ ধুয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হতে হবে। এরপর ঈশ্বরের উপাসনা করতে হবে। সাধারণ কথা, স্তব-বা গানে শ্রদ্ধাভক্তিতে ঈশ্বরের গুণগান করতে হবে।
সুজন পশ্চিমোত্তানাসনটি নিয়মিত অনুশীলন করে সুফল পেয়েছেন।
অনুশীলন পদ্ধতি: দু পা সোজা করে ডান হাতের বুড়ো আঙুল, তর্জনী আর মধ্যমা দিয়ে ডান পায়ের বুড়ো আঙুল এবং বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল, তর্জনী আর মধ্যমা দিয়ে বাঁ পায়ের বুড়ো আঙুল শক্ত করে চেপে ধরতে হবে। মেরুদণ্ড টানটান ও পিঠ সমান রাখতে হবে। এরপর চোখ বন্ধ রেখে হাঁটুতে কপাল ঠেকাতে হবে। সেই সঙ্গে হাতের কনুই ভাঁজ করে হাঁটুর পাশে রাখতে হবে। পেট ও বুক যথাসম্ভব উরুর সাথে মিশে থাকবে। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে এ অবস্থায় ৩০ সেকেন্ড থাকতে হবে। এরপর নিঃশ্বাস নিয়ে হাঁটু থেকে মাথা তুলে দু পায়ের বুড়ো আঙুল ছেড়ে দিয়ে ৩০ সেকেন্ড শবাসনের বিশ্রাম নিতে হবে। এভাবে ৩/৪ বার অনুশীলন করতে হবে।
সুজনের অনুশীলনকৃত আসনটি হচ্ছে পশ্চিমোত্তানাসন। যে আসনটিতে পশ্চিম অর্থাৎ শরীরের পেছন দিকে বেশি ব্যায়াম হয়, তার নাম পশ্চিমোত্তানাসন। ব্যায়ামের জন্য যে কয়েকটি আসন আছে তার মধ্যে অধিকতর উপকারী হচ্ছে পশ্চিমোত্তানাসন। এ আসনটি মেরুদণ্ড ও পেটের পক্ষে বিশেষ উপকারী। এ আসনে গোটা মেরুদণ্ড সতেজ হয়। হাঁটুর পেছন দিকের পেশি ও পেটের সমস্ত যন্ত্র মজবুত হয় এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এ আসনে অম্বল, ক্ষুধামন্দা, আমাশয়, পেটে বায়ু প্রভৃতি রোগের উপশম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়। স্নায়ুদৌর্বল্য, সায়টিকা, বাত ও ডায়াবেটিস রোগেও এ আসনে উপকার পাওয়া যায়। এতে কিডনীও ভালো থাকে। পেট ও কোমরের মেদ কমিয়ে দেহের গড়ন সুন্দর করে। কিশোর-কিশোরীদের লম্বা হতে সাহায্য করে। মনের অস্থিরতা, চঞ্চলতা ও উদ্যমহীনতা নিবারণে এ আসনটি খুবই উপকারী।
পরিশেষে বলা যায়, সুজনের অনুশীলনকৃত আসনটির নানা ধরনের উপকারিতা রয়েছে।
এ আসনটি মেরুদণ্ড ও পেটের পক্ষে বিশেষ উপকারি।
এ আসনটির মাধ্যমে শরীরে সকল পেশি ও গোটা মেরুদণ্ড সতেজ হয়। হাঁটুর পেছন দিকের পেশি ও পেটের সমস্ত যন্ত্র মজবুত হয়। এছাড়া অম্বল, ক্ষুধামন্দা, আমাশয়, পেটে বায়ু প্রভৃতি রোগের উপশম হয় এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়। তাই প্রদীপ এ আসনটি অনুশীলন করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
