উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ বিকশিত হয়ে পশুপালন সমাজে পরিণত হয়।
সমাজবিজ্ঞানিগণ বলেন, মেয়েরাই কৃষিকাজ উদ্ভাবন করেছে। খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা আনত বুনো গম ও বার্লি, মেটে আলু, কচুর মূল ও কন্দ। তাদের থাকার জায়গার আশপাশে গম ও বার্লির দানা পড়ে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। চারা গাছে পরে দেখা দিত শিষ ও দানা। এ ঘটনা দেখেই মেয়েদের মনে বীজ ছিটিয়ে শস্য পাওয়ার ধারণা জন্মে। মেয়েরা জমিতে গর্ত করে বীজ বুনত এবং ফসল ফলাত।
উদ্দীপকের শামসুর রহমান পশুপালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। তার এ পেশার উৎপত্তি পশুপালনভিত্তিক সমাজ থেকে হয়েছে।
উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ বিকশিত হয়ে পশুপালন সমাজে পরিণত হয়। এ সমাজ গড়ে উঠেছে এক বিশেষ ধরনের ভৌগোলিক পরিবেশে। এ ভৌগোলিক পরিবেশের মধ্যে ছিল তৃণভূমি, মরুভূমি, পাহাড়-পর্বতের সেই অঞ্চল যেখানে প্রচুর ঘাস জন্মাত। এ সমাজের মানুষ, গরু-ছাগল, ভেড়া, উট ও বলগা হরিণকে পোষ মানাতে শুরু করে। এরা পশুর খাদ্যের জন্য আর এভাবেই মানুষের পেশার উৎপত্তি হয়েছে।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় উদ্দীপকে শামসুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছে। এর মাধ্যমে তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হয়। এভাবে সমাজের অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছে। শামসুর রহমানের মতো যারা এরূপ পেশার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে, তাদের এ পেশার উৎপত্তি হয়েছে পশুপালনভিত্তিক পেশা থেকে।
শামসুর রহমানের স্বাবলম্বী হওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো পশুপালন। -উক্তিটি যথার্থ।
পশুপালনের মাধ্যমে সমাজের বিশেষ করে বাংলাদেশের অনেক মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে। দেখা গেছে গরু-ছাগল, মহিষ, ভেড়া প্রভৃতি পশুপালন করলে অল্প সময়ে এগুলোর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বাচ্চা বড় হলে তা বিক্রি করে লাভবান হওয়া যায়। পশুর বাচ্চা হওয়া পর্যন্ত দেখাশোনা করতে যে অর্থ ব্যয় হয়, তা অতি সামান্য। তাই বছর পার না হতেই লাভের মুখ দেখা যায়। এছাড়া হাঁস-মুরগি, কবুতর প্রভৃতি উদ্দীপকের শামসুর রহমান একসময় অনেক দরিদ্র ছিল। বর্তমানে গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি পালন করে তারা স্বাবলম্বী হয়েছে। তাদের পরিবারের সবার জীবিকা এর মাধ্যমেই নির্বাহ হয়। এভাবে পশুপালন করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, সমাজে শামসুর সাহেবের মতো স্বাবলম্বী হওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো পশুপালন- উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিসংগত।পালনও বেশ লাভজনক।
Related Question
View Allপোড়াবাড়ি চমচমের জন্য বিখ্যাত।
আদিমকালে জীবজন্তুর আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা বিপদের সামনে মানুষ ছিল অসহায়। অস্তিত্ব রক্ষা আর জীবনযাপনের চাহিদা পূরণের জন্য তারা একে অন্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন অনুভব করে। তাই খাদ্য সংগ্রহ ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য আদিম মানুষ দলবদ্ধ হয়ে বাস করত।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রটি শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে ইঙ্গিত করছে।
শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজ হচ্ছে মানব সমাজের আদিমতম রূপ। তখন স্থায়ী কোনো ঘরবাড়ি ছিল না। মানুষ গুহায় ও বনজঙ্গলে বাস করত। প্রাকৃতিক সম্পদ ছিল প্রচুর। কিন্তু এ সম্পদকে ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করতে শেখেনি। বনজঙ্গল থেকে তারা খাবার খুঁজে নিত আর শিকার করত। খাবারের খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াত। এ সময় মানুষ শীত ও রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ গাছের ছাল ও লতাপাতা এবং পশুর চামড়া ব্যবহার করত।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রে দেখা যায়, একজন মানুষ অস্ত্র (বর্শা) হাতে শিকার করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। লোকটির পরনে রয়েছে পশুর চামড়ার তৈরি বস্ত্র। এসব বৈশিষ্ট্য শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে নির্দেশ করে।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে ইঙ্গিতকারী সমাজটি হচ্ছে উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ।
সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন, মেয়েরাই প্রথম কৃষিকাজের উদ্ভাবন করেছে। আদিম সমাজে পুরুষেরা যেত শিকারের সন্ধানে। আর ফলমূল সংগ্রহের ভার ছিল মেয়েদের ওপর। খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে মেয়েরা নিয়ে আসত বুনো গম, বার্লির মেটে আলু, কচুর মূল ও কন্দ।. তাদের থাকার জায়গার পাশে গম ও বার্লি দানা পড়ে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। চারা গাছে পরে দেখা দিত শিষ ও দানা। এ ঘটনা দেখেই মেয়েদের মনে বীজ ছিটিয়ে শস্য পাওয়ার ধারণা সৃষ্টি হয়। কৃষিকাজের এ পর্যায়কে বলা হয় উদ্যান চাষ।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে দেখা যায়, মেয়েরা কৃষিকাজ করছে। সুতরাং বলা যায়, ২নং চিত্রে মূলত উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের কথা বলা হয়েছে। আর এ সমাজের উদ্ভাবক মেয়েরাই। সুতরাং প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্যটি যথার্থ।
সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ হলো পরিবার।.
সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. বহু লোকের সংঘবদ্ধভাবে রসবাস করা; ২. সংঘবদ্ধতার পিছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!