শামীম প্লাস্টিকের চিরুনি দিয়ে মাথার চুল আঁচড়ানো শেষে চিরুনিটি টেবিলের উপর রাখল। সে দেখল, চিরুনিটি টেবিলের উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কিছু কাগজের টুকরাকে আকর্ষণ করছে। সে চিরুনিটি হাতে নিয়ে জানার আগ্রহ থেকে হাতের কবজির উল্টোপিঠে গজানো লোমগুলোর সংস্পর্শে আনল। এবার সে দেখল, চিরুনিটি লোমগুলোকেও আকর্ষণ করছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

পদার্থ সৃষ্টিকারী মৌলিক কণাসমূহের অর্থাৎ ইলেকট্রন ও প্রোটনের মৌলিক ও বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্মকে চার্জ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

পরমাণু ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন দ্বারা গঠিত। এদের মধ্যে প্রোটন ও নিউট্রন একত্রে থাকে, যাকে বলা হয় পরমাণুর নিউক্লিয়াস। এর বাইরে ইলেকট্রন ঘুরতে পারে। ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত এবং প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত। নিউট্রন আধান নিরপেক্ষ। একটি পরমাণুতে যে কয়টি ধনাত্মক আধানযুক্ত প্রোটন থাকে ঠিক সেই কয়টিই ঋণাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রন থাকে। একারণে পরমাণু আধান নিরপেক্ষ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শামীম চিরুনি দিয়ে মাথার চুল আঁচড়াচ্ছিল। চিরুনি দিয়ে মাথার চুল আঁচড়ানোর অর্থ চিরুনির সাথে মাথার চুলের ঘর্ষণ হওয়া। ঘর্ষণের পরে চিরুনিটি ছোট কাগজের টুকরাকে এবং লোমকে আকর্ষণ করছিল। কিন্তু সাধারণভাবে চিরুনি কাগজের টুকরা বা লোমকে আকর্ষণ করে না। তার মানে চুলে ঘর্ষণের পর চিরুনি বস্তুকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা লাভ করল। মূলত ঘর্ষণের ফলে চিরুনিতে চার্জের সঞ্চার হয়। আর চার্জগ্রস্ত বস্তু অন্য অচার্জিত বস্তুকে আকর্ষণ করে। চিরুনিটি প্লাস্টিকের তৈরি বলে এ চার্জ কিছুক্ষণ স্থায়ী হয়। কারণ প্লাস্টিক অপরিবাহী পদার্থ। এর ভিতর দিয়ে চার্জ পরিবাহিত হয় না। যদি চিরুনিটি পরিবাহী পদার্থের তৈরি হতো তবে চার্জ চিরুনিতে জমা না হয়ে হাত দিয়ে শরীর হয়ে মাটিতে পৌঁছাত।

অতএব, উদ্দীপকের ঘটনা থেকে প্রমাণ হয়-

১. ঘর্ষণের ফলে চার্জের উৎপত্তি হয়।
২. চার্জগ্রস্ত বস্তু অচার্জিত বস্তুকে আকর্ষণ করে এবং
৩. পরিবাহী পদার্থে চার্জ জমা থাকে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুতে চার্জের সঞ্চার হয়েছে তা বুঝার সবচেয়ে ভালো উপায় অন্য চার্জিত বস্তু দ্বারা বস্তুটির বিকর্ষিত হওয়া।

মতামতের সপক্ষে যুক্তি: আমরা জানি, একটি চার্জযুক্ত বস্তু অন্য একটি চার্জ নিরপেক্ষ বস্তুকে আকর্ষণ করে। আবার সমধর্মী চার্জ পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, একটি চার্জগ্রস্ত বস্তু অপর চার্জ নিরপেক্ষ বস্তু বা একটি বিপরীতধর্মী বস্তুকে আকর্ষণ করে। কাজেই একটি চার্জগ্রস্ত বস্তুর শুধু আকর্ষণ দ্বারাই অপর বস্তুটিও চার্জগ্রস্ত তা নিশ্চিতভাবে বুঝা যায় না। কারণ সেটি চার্জগ্রস্ত হতেও পারে আবার চার্জ নিরপেক্ষও হতে পারে। পক্ষান্তরে যদি দেখা যায় যে, বস্তু দুটি পরস্পরকে বিকর্ষণ করছে তবে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, বস্তুদ্বয় সমধর্মী চার্জসম্পন্ন অর্থাৎ পরীক্ষণীয় বস্তুটিতে চার্জের সঞ্চার হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
104

আমরা জানি ইলেক্ট্রনের আধান বা চার্জ আছে। ইলেক্ট্রনের প্রবাহকে আমরা বলি বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ আমাদের বাড়ি, স্কুল বা অফিসকে আলোকিত করছে। চালাচ্ছে ফ্যান, রেডিয়ো টেলিভিশন, ইস্ত্রি, হিটার, মোটর, কম্পিউটার ও আরও অনেক কিছু। বিদ্যুতের পাশাপাশি চুম্বকের ব্যবহারও আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সমৃদ্ধ করেছে। বর্তমান অধ্যায়ে আমরা বিদ্যুৎ ও চুম্বক-সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোকপাত করব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • আধান বা চার্জ এর ধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • স্থিরবিদ্যুৎ সৃষ্টির মাধ্যমে চার্জের ধর্ম প্রদর্শন করতে পারব।
  • স্থিরবিদ্যুৎ হতে চলবিদ্যুৎ সৃষ্টির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • একটি সরল বর্তনী তৈরি করতে পারব।
  • নিত্য ব্যবহার্য যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুতের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • চুম্বকের ধর্ম প্রদর্শনের মাধ্যমে চুম্বকে ও অচৌম্বক পদার্থের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব।
  • চৌম্বক পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করার প্রক্রিয়া প্রদর্শন করতে পারব।
  • বৈদ্যুতিক চুম্বক বা বিদ্যুৎ চুম্বক ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসব পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
681
উত্তরঃ

একটি দণ্ড চুম্বককে সুতার সাহায্যে ঝুলিয়ে দিলে স্থির অবস্থায় তা সবসময় উত্তর-দক্ষিণ মুখ করে থাকে। ঝুলন্ত চুম্বকটিকে একটু এদিক-সেদিক ঘুরিয়ে ছেড়ে দিলে কিছুক্ষণ দোল খেয়ে আবার উত্তর দক্ষিণ বরাবর অবস্থান নেবে। এ ঘটনা, থেকে অবশ্যই ধারণা করা যায় যে, একটি বাহ্যিক বল দণ্ড চুম্বকটির উপর ক্রিয়া করে তাকে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর থাকতে বাধ্য করছে। পৃথিবীর সবজায়গায়ই এ ঘটনা দেখা যায়। এ থেকে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, পৃথিবী একটি বিরাট চুম্বক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
1.2k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ১ম চুম্বকটি ঘর্ষণ প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়েছে।

কৌশল: একটি দণ্ড চুম্বক ও একটি চৌম্বক পদার্থ লোহার দণ্ড নিই। লোহার দণ্ডটিকে টেবিলের ওপর রাখি। এবার দন্ড চুম্বকটিকে লোহার দণ্ডের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ঘষে নিই। আবার দণ্ড চুম্বকটিকে তুলে নিয়ে পূর্বের মতো এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে ঘষে নিই। এভাবে বেশ কয়েকবার একমুখী ঘর্ষণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করি। এবার একটি লোহার পিন লোহার, দণ্ডটির নিকটে আনি। দেখা যাচ্ছে, লোহার পিনটি দণ্ডটি কর্তৃক আকৃষ্ট হচ্ছে। অর্থাৎ লোহার দন্ডটি চুম্বকে পরিণত হয়েছে। যদি চুম্বকটির উত্তর মেরু দ্বারা ঘর্ষণ করা হয় তাহলে প্রথম যে প্রান্ত থেকে ঘর্ষণ শুরু হয়েছে দন্ডের সেখানে উত্তর মেরু এবং শেষপ্রান্তে দক্ষিণ মেরুর সৃষ্টি হয়েছে।

এটিই হলো ঘর্ষণের মাধ্যমে চুম্বক তৈরির কৌশল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
519
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ২য় প্রকারের চুম্বকটি বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়। এ পদ্ধতিতে একটি লোহার পেরেককে সাধারণ বৈদ্যুতিক তার দিয়ে পেঁচিয়ে কুণ্ডলী তৈরি করা হয়।

চিত্র: বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে তৈরি চুম্বক

তারপর তারের দুই প্রান্তকে একটি ব্যাটারির দুই প্রান্তের সাথে সংযুক্ত করে একটি আলপিনকে পেরেকের যেকোনো প্রান্তে আনলে দেখা যায় যে পেরেকটি আলপিনকে আকর্ষণ করে। কিন্তু তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিলে পেরেকটি আর আলপিনকে আকর্ষণ করে না।

অর্থাৎ পেরেকটি অস্থায়ী চুম্বকে পরিণত হয়েছে। এভাবে তৈরি চুম্বক ক্ষণস্থায়ী কিন্তু শক্তিশালী। কারণ এদের চৌম্বকত্বের মাত্রা নির্ভর করে প্রবাহিত ব্যাটারির বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর। বিদ্যুৎ প্রবাহ বেশি হলে এদের চৌম্বকত্বের মাত্রাও বেশি হয়। অন্যদিকে ঘর্ষণ পদ্ধতিতে তৈরি ১ম চৌম্বক স্থায়ী হলেও তাদের চৌম্বকত্বের মাত্রা এতো বেশি হয় না।

উপরের আলোচনা হতে বলা যায়, ২য় প্রকারের চুম্বকটি শক্তিশালী হলেও ক্ষণস্থায়ী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
267
উত্তরঃ

যখন কোনো বিদ্যুৎ যেখানে সৃষ্টি হয় সেখানেই স্থির বা আবদ্ধ থাকে, কোনো পদার্থের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় না তাকে স্থির বিদ্যুৎ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
1.5k
উত্তরঃ

যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই বিদ্যুৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে। ধাতুসমূহ বিদ্যুৎ পরিবাহী। কারণ ধাতুসমূহের সর্বশেষ কক্ষপথে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে, যা স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারে। আর এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলোই বিদ্যুৎ পরিবহনে অংশগ্রহণ করে। এ মুক্ত ইলেকট্রনগুলোর উপস্থিতির কারণে ধাতু বিদ্যুৎ পরিবাহী হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews