অবসাদের সর্বজনীন কারণ হলো কৰ্মৰমতা হ্রাস।
অতিরিক্ত কাজ বা পরিশ্রমের চাপে একজন সাধারণ মানুষ বা সাধারণ খেলোয়াড়ের কর্মৰমতা সাময়িকভাবে হ্রাস পায়। আবার, দীর্ঘৰণ একই কাজ করার ফলে সেই কাজের প্রতি মানুষের দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তন দেখা যায়, যার ফলে ব্যক্তির কর্মৰমতা অবনতি হয় এবং শরীরে অবসাদ আসে।
সুনিল বাবুর একঘেয়েমি কর্মসূচি শিৰার্থীদের মধ্যে শারীরিক চাপ সৃষ্টি করে। এই শারীরিক চাপের কারণে তাদের মধ্যে অবসাদ আসতে পারে। অভ্যাসের অভাবেও অনেক সময় অবসাদ আসে। যে কোনো কাজের পেছনে প্রেষণা থাকলে একটানা কাজ করেও অনেক সময় অবসাদ আসে না, আবার যে কাজের প্রেরণা নেই, সেই কাজ তার কাছে বোঝাস্বরু প। এই ধরনের চাপিয়ে দেওয়া কাজে সহজে মানসিক অবসাদ দেখা দেয়। আবার কর্মসূচি বাস্তবায়নে শিৰার্থীর যদি অনীহা থাকে তাহলে সে দ্রবতই মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। মানসিক ইচ্ছা প্রবল হলে অনেক সময় কাজ কঠিন হলেও তা করা সম্ভব হয়। তাই মানসিক ইচ্ছার অভাব অবসাদের একটি বিশেষ কারণ। সুনিল বাবু যেহেতু রগচটা লোক তিনি ছাত্রছাত্রীদের ইচ্ছার বিরবন্ধে কাজ করতে বাধ্য করেন। এ কারণে ছাত্রছাত্রীদের কাজের প্রতি আগ্রহ থাকে না এবং মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। ফলে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে তারা অনেক বতির সম্মুখীন হয়।
শিৰার্থীরা রগচটা শারীরিক শিবার শিৰক সুনিল বাবুর ভয়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও প্রচন্ড রোদে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে অল্প সময়েই অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। যেহেতু তাদের দৈহিক ও মানসিক শক্তি বয়ের ফলেই অবসাদের উদ্ভব হয়, তাই তাদের দেহ ও মনের সুস্থতা ও সক্রিয়তা আনয়নের মাধ্যমে এই অবসাদ দূর করা সম্ভব। তাদের মধ্যে সৃষ্ট অবসাদ দূরীকরণের উপায় নিচে বিশেরষণ করা হলো:
কর্মসূচির প্রতি অনুরাগ সৃষ্টি: শিৰার্থীদেরকে যদি কর্মসূচির প্রতি আগ্রহী করে তোলা যায়, তাহলে তাড়াতাড়ি অবসাদ আসবে না।
কর্মসূচির একঘেয়েমি পরিহারঃবিরক্তিকরণ কর্মসূচির একঘেয়েমি শিৰার্থীকে অবসাদগ্রস্ত করে তোলে। তাই কর্মসূচিকে আনন্দপূর্ণ ও বৈচিত্র্যময় করে শিৰার্থীদের অবসাদ দূর করা যায়।
প্রেষণা: কর্মসূচিতে প্রেষণা থাকলে শিৰার্থীরা আনন্দের সাথে তা পালন করবে এবং তাদের মধ্যে অবসাদ আসবে না।
অতিরিক্ত চাপযুক্ত কর্মসূচি পরিহারঃ সাধ্যের অতিরিক্ত কোনো কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য শিৰার্থীদের চাপ দেওয়া যাবে না।
বিশ্রাম ও ঘুম দেহের বয়পূরণের জন্য পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন। তেমনি অবসাদ দূর করার জন্য প্রয়োজন পরিমিত বিশ্রাম ও ঘুম। বিশ্রাম ও ঘুমের ফলে দেহ ও মস্তিষ্কের অবসাদ দূরীভূত হয় এবং পুনরায় নতুন উদ্যোগে কাজ করার স্পৃহা জন্মে।
পরিবেশগত কারণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ অর্থাৎ স্যাঁতসেঁতে, আলো বাতাসের অভাব এমন পরিবেশ পরিহার করে খোলামেলা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলে শিৰার্থীরা আনন্দের সাথে অংশগ্রহণ করবে এবং মানসিক অবসাদের কোনো প্রভাব পড়বে না।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!