শায়লা প্রথমবার মা হতে চলেছে। সে খুবই চিন্তিত। সন্তানের যত্নের ব্যাপারে তার কোনো ধারণা নেই। এ ব্যাপারে পরিবারের অভিজ্ঞ সদস্যরা তাকে সবরকমের সহযোগিতা করছেন। শায়লা ও তার স্বামী রেহান বিভিন্ন রকম প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

যক্ষ্মা রোগের টিকার নাম বিসিজি।

উত্তরঃ

শিশুর জন্য নরম সুতি কাপড় সবচেয়ে ভালো। শিশুকে অত্যধিক কাঁথা, কম্বল দিয়ে আবৃত করে রাখলে শিশুর শ্বাস চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। হালকা ডিজাইনের ঢিলেঢালা সুতি জামা শিশুর জন্য স্বাস্থ্যকর ও আরামপ্রদ। শিশুর কাপড়-চোপড়, বিব, ন্যাপকিন ও কাঁথা নিয়মিত ফুটানো উচিত এবং ধুয়ে পরিষ্কার রাখা উচিত।

উত্তরঃ

নতুন বাবা-মা হিসেবে রেহান ও তার স্ত্রী শায়লার বেশ কিছু প্রস্তুতির প্রয়োজন। পরিবারের আনন্দময় সুন্দর ও সুস্থ সম্পর্ক নির্ভর করে মায়ের উপরে। শায়লা প্রথমবার মা হবে। তাই প্রথম সন্তানের জন্য তার প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ।

শায়লা তার সন্তানের আগমনে খুবই আনন্দিত। মাঝে মাঝে তিনি আবেগিকভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারেন। অনেক নতুন মা হতাশায় ভোগেন। অনেক মা মাতৃত্ব বা নতুন জীবনের হতাশা কাটিয়ে উঠতে সময় নেন। সন্তানকে সফল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার গুরুদায়িত্বের জন্য শায়লাকে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। এক্ষেত্রে রেহানের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। শায়লার শারীরিক ও মানসিক যত্নের ব্যাপারে তাকে সচেতন হতে হবে। রেহানের সহানুভূতি, সহযোগিতা ও নিরাপত্তার আশ্বাস শায়লাকে তার দায়িত্ব নিতে সাহস যোগাবে। পারিবারিক কাজেও তার সহযোগিতা খুব প্রয়োজন। যেকোনো কাজে দুজনের অংশগ্রহণ পারিবারিক পরিবেশ আনন্দময় করে তুলবে।

উত্তরঃ

রেহান ও শায়লার মানসিক প্রস্তুতি ছাড়াও নতুন শিশুর আগমনে আরও কিছু প্রস্তুতি প্রয়োজন।

গর্ভাবস্থা নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় শায়লাকে মাসে একবার চিকিৎসকের নিকট যেতে হবে। ৭ মাসের পর থেকে মাসে দুইবার যেতে হবে। নিয়মমাফিক পরীক্ষাগুলো তার জন্য দরকার। চিকিৎসক নিয়মিত তার ওজন নেবেন, রক্তচাপ পরীক্ষা করবেন, প্রস্রাবও পরীক্ষা করবেন। যেকোনো দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য শায়লার চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রাথমিক দায়িত্ব।

নতুন শিশুর আগমনে শায়লার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও প্রস্তুতি প্রয়োজন। স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসবের পর শায়লা বেশ দুর্বল বোধ করবেন এবং কাজকর্ম তেমন করতে পারবে না। তাই অন্যান্য পারিবারিক কাজের দায়িত্ব আত্মীয়স্বজন অথবা কাজের লোকের উপর ন্যস্ত করতে হবে। এ সকল দায়িত্ব তাই যথাযথভাবে পালনের জন্য পরিবারের সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

সুতরাং নতুন শিশুর আগমনে শায়লা ও রেহানের মানসিক প্রস্তুতি ছাড়াও উপরিউক্ত প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে।

169

Related Question

View All
উত্তরঃ

ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন, বয়স, পজিশন এবং অ্যামনিউটিক ফ্লুইডের পরিমাণ পরীক্ষা করার পদ্ধতি হলো আলট্রাসনোগ্রাম।

294
উত্তরঃ

২০ বছরের নিচে গর্ভধারণকারী মা-কে ঝুঁকিপূর্ণ মা বলার কারণ হলো এদের মা হওয়ার মতো মানসিক পরিপক্কতা ও শারীরিক পূর্ণতা থাকে না।

অপরিণত বয়সে যেসব মেয়ে মা হয়, তারা নানা রকম শারীরিক ও মানসিক জটিলতায় ভোগে। এছাড়াও এ বয়সে একটি মেয়ের সন্তান ধারণ করা, জন্ম দেওয়া ও পালন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকে না। ফলে সে নিজে ও তার গর্ভের সন্তান ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

271
উত্তরঃ

রহিমা ৩ মাসের গর্ভবর্তী। গর্ভবতীর ১ম তিন মাস হলো গর্ভসঞ্চারের পর থেকে ১২ সপ্তাহ।

গর্ভাবস্থায় ভূণের বৃদ্ধি-সামান্য হয় বলে পুষ্টির চাহিদা খুব একটা বৃদ্ধি পায় না। তাই রহিমার দেহকে সুস্থ রাখার জন্য, দেহের প্রয়োজনীয় গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সুষম খাদ্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়গুলো প্রাধান্য দিতে হবে। এ সময় তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যে বিষয়গুলো জরুরি সেগুলো হলো-

১. মূত্র পরীক্ষা: গর্ভসঞ্চার নির্ধারণের জন্য করা হয়।

২. রক্তের নিয়মিত পরীক্ষা: রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, হিমোগ্লোবিন, হেপাটাইটিস ভাইরাস, যৌনবাহিত রোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষা।

৩. আলট্রাসনোগ্রাম: ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন ইত্যাদি নির্ণয় করা।

249
উত্তরঃ

রহিমার মানসিক বিপর্যয় তার গর্ভের শিশুর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

রহিমার আশেপাশের পরিবেশে ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কলহ ও অশান্তি লেগেই রয়েছে। ফলে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

রহিমা গর্ভবতী, এই অবস্থায় শারীরিক যত্নের সাথে সাথে মানসিক যত্ন নেওয়া আবশ্যক। কারণ শরীর ও মন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। জন্মের পূর্বে মায়ের অনুভূতি, আবেগ, ক্রোধের সাথে ভ্রূণ শিশুর কোনো রকম যোগাযোগ থাকে না। তবুও মায়ের মনের তীব্র ক্ষোভ, উত্তেজনা, মায়ের দেহে রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে, যার প্রভাবে ভ্রূণ শিশুর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়াসহ দেহের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এতে ভ্রূণ শিশুর অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। রহিমার পারিবারিক ক্লেশ, ক্লান্তি ও অতিরিক্ত উদ্বেগ ভূণের গঠনে অস্বাভাবিকতা আনতে পারে এবং গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এ ধরনের মানসিক ক্লান্তি ও ক্লেশ শিশুর মধ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে। মায়ের মনের মানসিক অশান্তির কারণে সন্তানেরা পরিবেশের সাথে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না।

তাই রহিমার উচিত গর্ভাবস্থায় পরিবারের সকলের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখা। সবসময় ইতিবাচক পরিবেশে অবস্থান করা। রহিমা যাতে আনন্দ ও প্রফুল্লচিত্তে থাকেন, সেদিকে সকলের সচেষ্ট থাকা উচিত।

246
উত্তরঃ

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ দেখা যায়। গর্ভাবস্থায় রুবেলা (German measels), সিফিলিস, ম্যালেরিয়া এবং ধনুষ্টংকার প্রভৃতি রোগ হতে পারে। এ জাতীয় রোগ ভূণের ক্ষতিসাধন করে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।

285
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews