শিউলির জিগজ্যাগ রেখার নকশাযুক্ত জামাটি না কেনার কারণ হলো তার দেহাকৃতি স্থূল ও খর্বকায় এবং গায়ের রং শ্যামলা।
প্রতিটি রেখার নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যা পরিধানকারীর দেহ কাঠামো, উচ্চতা, মুখমন্ডল, গ্রীবা প্রভৃতির ওপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। আবার পরিধানকারীর দেহ ত্বকের ওপর পোশাকের রঙের প্রভাব অনেক বেশি। তাই পোশাকের রং এমনভাবে নির্বাচন করতে হবে, যাতে তার গায়ের রং উজ্জ্বল দেখায়।
শিউলি স্থূল, খর্বকায় ও শ্যামলা প্রকৃতির। সেক্ষেত্রে জিগজ্যাগ রেখার পোশাক তার জন্য উপযুক্ত নয়। কারণ জিগজ্যাগ রেখা দ্বৈত ভূমিকা পালন করে। এই রেখাগুলো কোণের মাত্রা ও দিকের ওপর নির্ভর করে। এতে কোনো কোনো সময় ব্যক্তিকে লম্বা এবং কোনো কোনো সময় উচ্চতায় কম ও স্থূল মনে হয়। শিউলি যেহেতু স্থূল ও উচ্চতায় কম দেহাকৃতির তাই জিগজ্যাগ রেখায় তাকে আরও মোটা ও খাটো দেখাবে। এছাড়া পোশাকটি গাঢ় রঙের। গাঢ় রঙের পোশাক পরলে স্থূল মেয়েদের আরও স্থূল দেখায়। আবার গাঢ় রঙ শ্যামলা মেয়েদের জন্য উপযুক্ত নয়।
হালকা উজ্জ্বল রঙের পোশাকে তাদের কিছুটা ফর্সা লাগবে। এ কারণেই শ্যামলা ও স্থূল হওয়ার কারণে শিউলি গাঢ় রঙের পোশাকটি কেনে না।
Related Question
View Allযেকোনো শিল্পের ভিত্তি হলো শিল্পনীতি।
পোশাকের কেন্দ্র স্থির রেখে যখন দুই দিকে সমদূরত্বে সমওজনের বস্তুসামগ্রী রাখা হয় তখন তাকে পোশাকের ভারসাম্য বলে।
ভারসাম্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উপাদান এমনভাবে বিন্যস্ত করা হয় যাতে কোনো একটি অংশ অন্যটির চেয়ে অধিক ভারি বা ক্ষমতাসম্পন্ন না হয়।
বন্যার সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা না কেনার কারণ তার দৈহিক গঠন।
গোলাকার চেহারার বন্যা উচ্চতায় কম হওয়ার কারণে সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা কেনেনি। কারণ সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা লম্বা ও রোগা মানুষের জন্য উপযোগী। এতে তাদের দেহের কৃষভাব কিছুটা কম মনে হয়। এই রেখা আপাতদৃষ্টিতে কোনো কিছুর দৈর্ঘ্যকে হ্রাস এবং প্রশস্ততা বৃদ্ধি করে। তাছাড়া যাদের গ্রীবা খাটো তাদের জন্য ছোট গলা বা উঁচু কলার উপযুক্ত নয়। তাদের জন্য 'ভি' বা 'ইউ' আকৃতির গলার নকশা মানানসই।
বন্যা কম উচ্চতার ও গোলাকার চেহারার অধিকারী। এ কারণে সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত ও উঁচু কলার দেওয়া গলার বড় ছাপাযুক্ত জামা তার জন্য উপযোগী নয়। উপরিউক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে বন্যা সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা কেনেনি।
বন্যার পোশাক নির্বাচন সঠিক হয়েছে বলে আমি মনে করি।
দেহের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে পোশাকের প্রয়োজন রয়েছে। ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য রুচিসম্মত পোশাক পরা উচিত।
বন্যা গোলাকার চেহারার খর্বকায় প্রকৃতির মেয়ে। সে মার্কেটে পোশাক কিনতে গিয়ে সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত ও উঁচু কলার দেওয়া গলার বড় ছাপাযুক্ত দুটি জামা পছন্দ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ঐ দুটি না কিনে 'ইউ' আকৃতির গলাযুক্ত খাড়া রেখার নকশাসমৃদ্ধ অন্য একটি জামা কেনে। এর কারণ হলো পোশাকে রেখা ও আকৃতির প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমান্তরাল রেখা লম্বা ও রোগা মানুষের জন্য উপযোগী। খাটো ও মোটা ব্যক্তির জন্য খাড়া রেখার নকশা উপযুক্ত। এতে তাদের খাটোভাব কিছুটা দূর হয়ে লম্বা মনে হবে এবং মোটা ব্যক্তিদের কিছুটা কম মোটা লাগবে। অপরদিকে খাটো ও মোটা মেয়েরা বড় বড় ছাপার শাড়ি বা জামা পরলে তাদের উচ্চতা আরো কম মনে হয় এবং মোটা লাগে। এদের জন্য ছোট ছোট ছাপার পোশাক উপযোগী। বন্যার মতো যাদের গ্রীবা খাটো তাদের জন্য 'ভি' বা 'ইউ' আকৃতির গলার নকশা মানানসই কিন্তু উঁচু কলার উপযুক্ত নয়।
এসকল দিক বিবেচনা করে বলা যায় যে, বন্যার 'ইউ' আকৃতির গলাযুক্ত খাড়া রেখার নকশাসমৃদ্ধ অন্য একটি জামা নির্বাচন সঠিক হয়েছে।
রং মূলত তিন প্রকার। যথা- মৌলিক, গৌণ ও প্রান্তিক রং।
পোশাকের রং নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
প্রত্যেক রঙেরই নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে। ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব, দেহত্বকে উজ্জ্বলতা, দেহাকৃতির পরিবর্তন, প্রাধান্য সৃষ্টি ইত্যাদি ক্ষেত্রে রং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে। তাছাড়া পোশাকে সমন্বয় রক্ষার জন্যও রং নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!