শিক্ষকের নির্দেশিত অস্থিসন্ধিটি হলো হাতের কনুইয়ের কব্জি সন্ধি। এটি একটি বিশেষ ধরনের অস্থিসন্ধি। কারণ কব্জা যেমন দরজার পাল্লাকে কাঠামোর সাথে আটকে রাখে, তেমনি এই কব্জি সন্ধিটি কনুইয়ের দু'টি অস্থিকে সংযুক্ত করে এবং অস্থিগুলোকে একরকম স্থিতিস্থাপক রজ্জুর মতো বন্ধনী দিয়ে দৃঢ়ভাবে আটকে রাখে। এ কারণেই অস্থিগুলো সন্ধিস্থল থেকে সহজে বিচ্যুত হতে পারে না। এই সন্ধির কারণেই আমরা হাতের কনুই নাড়াতে পারি। যেহেতু এটি কজি সন্ধি, তাই এটি কেবলমাত্র একদিকে নাড়ানো যায়। মানবদেহে এ ধরনের অস্থি-সন্ধি মাত্র দু'টিই রয়েছে, যারা কনুই-এ অবস্থিত।
Related Question
View Allযোজক কলার রূপান্তরিত রূপই হলো অস্থি।
গেঁটেবাত এক ধরনের বাত রোগ। অনেকদিন যাবৎ বাতজ্বরে ভুগলে এবং এর যথাযথ চিকিৎসা না করা হলে এ রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণত বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হয়। কম বয়সী ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রেও গেঁটেবাত হতে পারে।
বিনিতার আঘাতপ্রাপ্ত অংশটি হলো লিগামেন্ট। এর সাহায্যে অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে। এ অংশটিকে দরজার কব্জার সাথে তুলনা করার কারণ কজা যেমন পাল্লাকে দরজার কাঠামোর সাথে আটকে রাখে অনুরূপভাবে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট অস্থিসমূহকে পরস্পরের সাথে আটকে রাখে। এতে অঙ্গটি সবদিকে সোজা বা বাঁকা হয়ে নড়াচড়া করতে পারে এবং হাড়গুলো স্থানচ্যুত ও বিচ্যুত হয় না।
উদ্দীপকের উল্লিখিত বিনিতার কার্যক্রমটি সম্পন্ন করতে টেনডনের সমন্বয় অপরিহার্য। কারণ মাংসপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই শক্ত প্রান্তকে টেনডন বলে। ঘন, শ্বেত তত্ত্বময় যোজক টিস্যু দ্বারা টেনডন গঠিত। এ ধরনের টিস্যুর আন্তঃকোষীয় পদার্থে বা ম্যাট্রিক্সে শ্বেততত্ত্ব ছড়ানো থাকে। পেশি ও টেনডনের সংযোগকে আরও শক্তিশালী করার জন্য টেনডনের আঁটিগুচ্ছ বেষ্টনকারী অ্যারিওলার টিস্যু, পেশি বান্ডল বা আঁটির আবরক টিস্যুর সাথে অবিচ্ছন্ন যোগাযোগ তৈরি করে। পেশি বা অস্থির তুলনায় টেনডনের ভেঙ্গে বা ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। পেশি বন্ধনী পেশি প্রান্তে রজ্জুর ন্যায় শক্ত হয়ে অস্থির সাথে সংযুক্ত থাকে, পেশি অস্থির সাথে আবদ্ধ হয়ে দেহ কাঠামো গঠন ও দৃঢ়তা দানে সাহায্যে করে, অস্থিবন্ধনী গঠনে সাহায্য করে এবং চাপ-টানের বিরুদ্ধে যান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাই বলা যায় বিনিতার কার্যক্রমটি সম্পন্ন করতে টেনডনের সমন্বয় অপরিহার্য।
মাংসপেশির যে প্রান্তভাগে রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত হয় যে শক্ত প্রান্তই টেনডন।
অস্টিওপোরোসিস হলো অস্থি সম্পর্কিত একটি রোগ। সাধারণত বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের এ রোগটি হয়। বহুদিন যাবৎ স্টেরয়েডযুক্ত ঔষধ সেবন, মহিলাদের মেনোপজ হওয়ার পর, অলস জীবন-যাপন ও অনেক দিন যাবৎ আর্থ্রাইটিস রোগে ভুগলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
