শিক্ষক ইসলাম শিক্ষা ক্লাসে ইসলামি অর্থব্যবস্থার ধারণা ও বৈশিষ্ট্য বিষয়ে পাঠদানের পর শিক্ষার্থীদের ইসলামি অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো পর্যালোচনা করতে বললেন। পর্যালোচনার সুবিধার্থে তিনি শিক্ষার্থীদের ৩টি দলে ভাগ করে দিলেন। শিক্ষার্থীরা নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো পর্যালোচনা করল।

ক দল

খ দল

গ দল

১. ইসলামি অর্থব্যবস্থা ইসলামি শরিয়তভিত্তিক।

১. জাকাতভিত্তিক।

১. মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান।

২. হালাল উৎপাদন ও উপার্জন নীতি।

২. সুদমুক্ত।

২. অর্থনৈতিক সদাচার ও সুবিচার সমৃদ্ধ।

৩. হালাল ব্যয়নীতি

৩. সুষম বণ্টননীতি।

৩. আখিরাতভিত্তিক।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ইসলামি অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো জাকাত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ইসলামি অর্থব্যবস্থা এক আদর্শিক অর্থব্যবস্থা। ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো কুরআন-সুন্নাহে বর্ণিত মানুষের সম্পদ উপার্জন, বণ্টন ও ব্যয়ের নির্দেশনা। অর্থসম্পদ সম্পর্কীয় সবক্ষেত্রে এর আদর্শিক চেতনা ও অর্থব্যবস্থাকে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত রাখে। ইসলামি অর্থব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কেবল পৃথিবীর অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধান নয় বরং এ ব্যবস্থা মানুষের পরকালের মুক্তিও নিশ্চিত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' দল ইসলামি অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য হিসেবে ইসলামি শরিয়তভিত্তিক, হালাল উপার্জন, উৎপাদন নীতি, হালাল ব্যয় নীতি সম্পর্কে উল্লেখ করেছে। ইসলামি অর্থব্যবস্থা শরিয়তের প্রধান উৎসমূহের আলোকে গঠিত। শরিয়তের নির্দেশিত পথের বাহিরে অর্থব্যবস্থা পরিচালিত হবে না। আর হালাল উপার্জন ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত তাই হারাম বর্জনের নির্দেশ এসেছে।

উদ্দীপকের 'ক' দলের পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রমানিত ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো ইসলামি শরিয়তভিত্তিক অর্থব্যবস্থা। কুরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াসের মাধ্যমে উৎসারিত অর্থব্যবস্থা হলো ইসলামি অর্থব্যবস্থা। শরিয়ত পরিপন্থি কোনো বিধান ইসলামি অর্থব্যবস্থায় অনুসৃত হয় না। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় যা খুশি উৎপাদন করা যায় না, যেভাবে খুশি উর্পাজনও করা যায় না। উপার্জনের ক্ষেত্রেও হালাল উৎপাদন ও উপার্জনকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মহানবি (স) বলেছেন, 'হালাল উপার্জন করা ফরজের পরে একটি ফরজ'। আর ইসলামি অর্থব্যবস্থায় অপচয়কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, তোমরা খাও এবং পান করো কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না (সুরা আল-আ'রাফ: ৩১)। সুতরাং বলা যায় যে, ইসলামি শরিয়ত অনুসারে ইসলামি অর্থব্যবস্থা পরিচালিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি, উদ্দীপকে 'গ' দলের উল্লেখিত ইসলামি অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ আদর্শভিত্তিক। ইসলামি অর্থব্যবস্থা একটি আদর্শিক এবং পূর্ণ ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক অর্থব্যবস্থা। অর্থাৎ ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো কুরআন-সুন্নাহে বর্ণিত মানুষের সম্পদ উপার্জন, বণ্টন ও ব্যয়ের নির্দেশনা। উদ্দীপকে 'গ' দল তাদের আলোচনায় এদিকেই ইঙ্গিত করেছে।

উদ্দীপকের 'গ' দলের উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যানুসারে ইসলামি অর্থব্যবস্থা চমৎকার বৈশিষ্ট্যে মণ্ডিত। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় মানুষের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা হয়েছে। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সমাজের সব পর্যায়ের মানুষের মৌল মানবিক অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা হয়। এ ব্যবস্থায় এমনভাবে অর্থ উপার্জন ও ব্যয়ের নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে সমাজের কোনো পর্যায়ের মানুষকেই খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিনোদন নিয়ে ভাবতে না হয়। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় অর্থ সম্পর্কীয় কার্যক্রমের সাথে ন্যায়নিষ্ঠা ও সুবিচার এবং ইহসান বা সদাচার সম্পৃক্ত। মহানবি (স) বলেন- 'ঘাম শুকাবার আগে শ্রমিকের পাওনা মিটিয়ে দাও' (সুনানে নাসাই)। ইসলামি অর্থব্যবস্থা আখিরাতভিত্তিক অর্থব্যবস্থা। এ অর্থব্যবস্থায় মানুষের পৃথিবীর সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার পাশাপাশি আখিরাতের সুখ নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও নেয়া হয়।

তাই আমি মনে করি ইসলামি অর্থব্যবস্থার উক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ তথা মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, অর্থনৈতিক সদাচার ও সুবিচার সমৃদ্ধ এবং আখিরাতভিত্তিক অর্থব্যবস্থা যেগুলো আদর্শভিত্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
147

Related Question

View All
393
উত্তরঃ

দ্বিতীয় স্তরের তাকওয়া অনুশীলনকারী ব্যক্তিকে বলা হয় সুলাহা। 

তাকওয়ার দ্বিতীয় সোপান হলো এমন হালাল কথা, কাজ, বিষয় ও বস্তু বর্জনের স্তর, যে হালালের হালাল হওয়া সম্পর্কে সন্দেহ রয়েছে। কেননা, সন্দেহযুক্ত হালাল বর্জন না করলে সন্দেহাতীতভাবে হারাম থেকে মুক্ত থাকা যায় না। রাসুলুল্লাহ (স) যা সন্দেহযুক্ত তা বর্জন করতে এবং যা সন্দেহযুক্ত নয় তা গ্রহণ করার কথা বলেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
311
উত্তরঃ

অর্থনীতিবিদ রফিকুল ইসলামের আলোচনায় ইসলামি অর্থব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। 

ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানুষের সম্পদ উপার্জন, বণ্টন ও ব্যয়ের নির্দেশনা। এটি একটি মানবকল্যাণময় ও প্রগতিশীল অর্থব্যবস্থা। জাকাত, হালাল উপার্জন ও ইসলামি শরিয়তের অনুসরণ এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যা রফিকুল ইসলামের আলোচনায় ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের রফিকুল ইসলাম এমন একটি অর্থব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, যেখানে হালাল উপার্জন এবং জাকাতের বিষয়টি বাধ্যতামূলক। তার আলোচিত অর্থব্যবস্থার সাথে ইসলামি অর্থব্যবস্থার মিল রয়েছে। ইসলামি অর্থব্যবস্থা একটি আদর্শিক অর্থব্যবস্থা। এ অর্থব্যবস্থায় সম্পদের প্রকৃত মালিক মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। মানুষ তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে তা ব্যবহার করেন। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় যা খুশি এব উৎপাদন করা যায় না, যেভাবে খুশি উপার্জনও করা যায় না। এ অর্থব্যবস্থায় হালাল পন্থায় উপার্জন বাধ্যতামূলক। এ ব্যবস্থায় সম্পদের সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টননীতি অনুসরণ করা হয়। এ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো- হালাল-হারাম নির্ধারণ। সম্পদ উপার্জন, ব্যয় ও ভোগের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের নির্ধারিত সীমা- পরিসীমা মেনে চলা অত্যাবশ্যক। এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- জাকাতভিত্তিক ও সুদমুক্ত। এ অর্থব্যবস্থায় ধনীদের সম্পদে গরিবদের জন্য নির্ধারিত অংশ রয়েছে। ইসলামের বিধান অনুযায়ী সঠিকভাবে জাকাত প্রদানের মাধ্যমে ধনী-গরিবের মধ্যকার বৈষম্য কমে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
250
উত্তরঃ

ইবাদত কবুলের জন্য আমাদের হালাল উপার্জন করতে হবে এবং হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকতে হবে- মাওলানা মুহিবুর রহমানের উক্তিটি ইসলামের আলোকে যথার্থ। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক। তাই মাওলানা মুহিবুর রহমানের উক্তিটি ইসলামের দৃষ্টিতে যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
242
উত্তরঃ

স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে বিশেষ করে অভাবগ্রস্ত ও নিঃস্ব লোকদের কিছু দান করাকে সাদাকাত বলে। সাদাকাত অর্থ হলো দান। এটি দুই প্রকার। যথা- ১. নফল বা ঐচ্ছিক সাদাকাত এবং ২. ওয়াজিব বা বাধ্যতামূলক সাদাকাত। অর্থাৎ বাধ্যবাধকতা ছাড়া অথবা বিশেষ শর্তসাপেক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে যে দান করা হয় তাই ওয়াজিব সাদাকাত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
357
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews