শিক্ষক জনাব আব্দুল হাফিজ শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় ছাত্রদেরকে স্বদেশপ্রেম সম্পর্কে পোস্টার তৈরি করার নির্দেশ দেন। রফিক ও জাহাঙ্গীর নিম্নোক্ত পোস্টার উপস্থাপন করল।

স্বদেশপ্রেমের গুরুত্ব

দেশসেবার পন্থা

অধিক সওয়াব

শাসন কাজে অংশগ্রহণ

মহানবি (স)-এর আদর্শ

সীমান্ত পাহারা

শহিদের মর্যাদা লাভ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা

রাস্তাঘাট নির্মাণ

 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

তাওয়াক্কুল অর্থ আল্লাহর ওপর ভরসা বা নির্ভর করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দূর্বল হলে যে কোনো সময় শত্রুর হস্তগত হতে পারে, আর পরাধিন আবস্থায় ধর্ম পালন করা কষ্টকর।

স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা ইমানের অঙ্গ। প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তি নিজ জন্মভূমিকে ভালোবাসেন। মুমিন হতে হলে ইবাদত করা যেমন জরুরি দেশের স্বার্থরক্ষায় কাজ করাও জরুরি। দেশকে অরক্ষিত রেখে ইবাদতে মশগুল হওয়া অনুচিত। দেশকে যারা অরক্ষিত রেখে ধর্মপালনে ব্যস্ত হয় তারা প্রকৃত মুমিন ও ধার্মিক হতে পারে না। তাই বলা হয় দেশ রক্ষা করতে না পারলে ঠিক মতো ধর্ম পালন করা যায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জাহাঙ্গীরের উপস্থাপিত পোস্টারে স্বদেশপ্রেমের গুরুত্বের কথা বলা হয়েছে। স্বদেশপ্রেম মহানবি (স) এর আদর্শ। তিনি ছিলেন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক। মদিনা সনদের প্রতিটি ধারায় দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে। সনদের একটি ধারায় বলা হয়েছে, মদিনার কোনো সম্প্রদায়কে লোকেরা একত্রিত হয়ে প্রতিহত করবে। এছাড়া মক্কা থেকে মদিনা হিজরতের সময় মহানবি (স) বারবার মক্কার দিকে ফিরে ফিরে তাকাচ্ছিলেন। দেশপ্রেমের মাধ্যমে শহিদের মর্যাদালাভের সুযোগ রয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে দেশের জন্য জীবন দেন, তিনি শহিদ হিসেবে গণ্য হবেন। সর্বোপরি দেশপ্রেম অধিক সওয়াবের কাজ। কারণ দেশকে ভালোবাসতে হলে দেশের জন্য ভালো ভালো কাজ করতে হয়। দেশের প্রয়োজনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়। এতে জান-মালের ক্ষতি সাধন হয় এবং কখনো কখনো প্রাণ ত্যাগও করতে হয়। আর দেশের জন্য প্রাণ ত্যাগ করলে সে মহান আল্লাহর কাছে শহিদ বলে বিবেচিত ও পুরস্কৃত হয়। আল্লাহ তাকে অধিক সওয়াব প্রদান করেন।

উদ্দীপকের জাহাঙ্গীর তার উত্থাপিত পোস্টারে উপরে উল্লেখিত দিকগুলোই তুলে ধরে দেশপ্রেমের গুরুত্বের বিষয়টি ফুটিয়ে তুলেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

রফিকের উপস্থাপিত পোস্টারটি যথাযথ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

রফিকের উত্থাটিত পোস্টারে দেশ সেবার যে পন্থাগুলোর কথা বলা হয়েছে তা অত্যন্ত যৌক্তিক। দেশের সেবা করতে হলে দেশের শাসনকাজে অংশগ্রহণ করতে হবে। রাসুল (স) বলেন, 'সাবধান তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে' (বুখারি ও মুসলিম)। দেশের শাসন কাজে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বহিঃশত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য কাজ করতে হবে। হাদিসে এসেছে- 'যারা সীমান্ত পাহারায় বিনিদ্র রজনী কাটায় তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত।' দেশ সেবার জন্য দেশের মানুষকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। আর এ জন্য মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। জাতি শিক্ষিত না হলে তারাও দেশের সেবায় অংশ নিতে পারবে না। সর্বোপরি দেশকে উন্নত করতে হলে দেশের সব কাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে। দেশের মধ্যে রাস্তাঘাট নির্মাণ করতে হবে। যাতে দেশের সর্বত্র রাষ্ট্রের সব ধরনের সেবা পৌঁছে দেওয়া যায়। এভাবে দেশের সেবা করে স্বদেশের প্রতি কর্তব্য পালন করা উচিত।

সুতরাং বলা যায় যে, রফিকের উপস্থাপিত দেশ সেবার পোস্টারটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
134
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলামি শরিয়ত নির্দেশিত বৈধ উপায়ে উপার্জন করাকে হালাল উপার্জন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
321
উত্তরঃ

পারস্পরিক সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করা ইসলামি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। সালাম অর্থ শান্তি। ইসলামি সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী এক মুসলমানের সঙ্গে অন্য মুসলমানের দেখা হলে প্রথমে সালাম বিনিময় করে। এর মাধ্যমে অন্যের শান্তি তথা কল্যাণ কামনা করা হয়। সালাম দেওয়া সুন্নত এবং সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। কেউ সালামের উত্তর না দিলে ইসলামের বিধান অনুযায়ী সে গুনাহগার হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
381
উত্তরঃ

আবদুল বাতেন তার ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম- পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখার জন্য ইসলাম শিক্ষা অধ্যয়ন করতে বলেছেন। যে শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে ইসলাম শিক্ষা বলে। এটি কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক একটি আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থা। আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা, হালাল উপার্জন ও কর্মমুখী জীবন গঠন, দুনিয়ার কল্যাণ ও আখিরাতে মুক্তিলাভ প্রভৃতি ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য। আবদুল বাতেন তার ছেলেকে এ বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন।

উদ্দীপকের আবদুল বাতেন তার একমাত্র ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম-পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখানোর জন্য একটি বিশেষ বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন। তিনি এখানে ইসলাম শিক্ষার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। ইসলামের বিধিবিধান এবং আল্লাহর ইবাদতের পদ্ধতি শেখানো, জীবনের সবক্ষেত্রে ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা করা এবং ব্যক্তির চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। ইসলাম শিক্ষা মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথ প্রদর্শন করে এবং অন্যায় ও অসত্য থেকে দূরে রাখে। আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন এবং মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব সংরক্ষণ করাও ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
301
উত্তরঃ

দৈনন্দিন জীবনে আবদুল বাতেন হালাল-হারামের বিধান মেনে চলেন। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। আবদুল বাতেন দৈনন্দিন জীবনে এ বিধানটি মেনে চলার চেষ্টা করেন।

উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, জনাব আবদুল বাতেন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করেন। তিনি হালাল পথে উপার্জন করেন। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করেন। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের প্রধান পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন। হারাম বা অবৈধ জিনিস প্রহণের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এর জন্য পরকালে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
236
উত্তরঃ

হাক্কুল্লাহ বলতে আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্যকে বোঝায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্য পালনের মানে হচ্ছে যথাযথভাবে তার ইবাদত করা। জীবনের সবক্ষেত্রে তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলা। যেকোনো অবস্থায় আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করা এবং তার অনুগ্রহ প্রার্থনা করা। তার নেয়ামতের শোকর করা এবং সুখে-দুঃখে তার ওপর ভরসা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
568
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews