প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ বলে।
মানুষ, প্রাণী ও কীট পতঙ্গসহ জীবজগৎ প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই বেঁচে থাকে। প্রকৃতির মধ্যে সব রকমের জীব যে নিয়মে বেঁচে থাকে' তাকেই সংক্ষেপে জীববৈচিত্র্য বলা হয়।
উদ্দীপকে শিল্প Q দ্বারা পাট শিল্পকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
'সোনালি আঁশ' নামে খ্যাত পাট এক সময় এদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল ছিল। পাট বিক্রি করে কৃষক তার পরিবারের টাকার চাহিদা পূরণ করত। ১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জের আদমজি পাটকল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে পাট শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে দেশে ৭৬টি পাটকল আছে। একসময় পাটকলগুলো শুধু পাটের বস্তা উৎপাদন করত। এখন পাট দিয়ে নানা-সামগ্রী উৎপাদন হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও হবে। পাট দিয়ে এখন পলিথিনের বিকল্প ব্যাগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর পাটজাত সামগ্রী বিক্রি করে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে।
অতএব নিশ্চিতভাবে বলা যায়, উদ্দীপকে Q দ্বারা পাট শিল্পকে বলা হয়েছে।
দারিদ্র্য বিমোচনে 'P' শিল্প অর্থাৎ পোশাক শিল্পের অবদান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
আর্থসামাজিক পরিবর্তন ঘটিয়ে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে পোশাক শিল্পের অবদান অনস্বীকার্য। গত শতকের আশির দশকে এ শিল্পের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। অতি অল্প সময়ে শিল্পটি দেশের বৃহত্তম রপ্তানিমুখী শিল্পে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৪০ লক্ষ শ্রমিকের কাজের ব্যবস্থা করেছে। ফলে তাদেরকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করেছে; বাংলাদেশ, আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোতে পোশাক রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। যা জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে, নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে। যা জাতীয় অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
সুতরাং বলা যায়, পোশাক শিল্প দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
Related Question
View Allপ্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ রলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে।
প্রকৃতির মধ্যে নানা ধরনের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে- পানি, বায়ু, মাটি, গাছপালা, জীবজন্তু, ফসল, খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি।
মাটি বাংলাদেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। এদেশের সমতল ভূমি খুবই উর্বর। বেশিরভাগ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন হয়। দেশের ১০ ভাগের এক ভাগ অঞ্চল পাহাড়ি এলাকা। পাহাড়ে প্রচুর প্রাণিজ, বনজ ও খনিজ সম্পদ রয়েছে।
বাংলাদেশে ছোটো-বড়ো, অনেক নদী আছে। নদীগুলো মালামাল পরিবহনের সহজ- মাধ্যম। নদীর পানি প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া আমাদের নদ-নদীতে বিপুল পরিমাণ মৎস্যসম্পদ রয়েছে। এসব মানুষের নদ-নদীকেন্দ্রিক জীবনব্যবস্থা এবং জালের মতো ছড়ানো ছিটানো অসংখ্য নদী থাকার কারণে বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।
যেসব পদার্থ মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে এবং যেগুলোকে উত্তোলন করে ব্যবহার করা যায় তাকে খনিজ সম্পদ বলে। বাংলাদেশের মাটির নিচে রয়েছে নানা রকম মূল্যবান খনিজসম্পদ। এগুলো মধ্যে কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চিনামাটি, সিলিকা বালি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৪.৯৩৮ বর্গকিলোমিটার। দেশের মোট ভূ-ভাগের ১৬ ভাগ হচ্ছে বন। বনে রয়েছে মূল্যবান পাছপালা। এগুলো আমাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বনে রয়েছে পাখি ও প্রাণিসম্পদ। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য রনের গুরুত্ব অপরিসীম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!