শিশুরা আগুন দেখলে ভয় পায়। পিন ফোটালে বাথা পায়। দেহের দূষিত পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে নির্গত করে। এসবগুলো একটি চক্র ও তন্ত্রের মাধ্যমে সংঘটিত হয়।

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

পশ্চাৎ মস্তিষ্কের মধ্যে পনসের বিপরীত দিকে অবস্থিত খন্ডাংশটিকে সেরিবেলাম বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ইথিলিন এক ধরনের গ্যাসীয় হরমোন, যা ফল পাকাতে সাহায্য করে। এ হরমোন ফল, ফুল, বীজ, পাতা ও মূলেও দেখা যায়। এর প্রভাবে চারা গাছে বিকৃত বৃদ্ধি লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

দেহের দূষিত পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়। এর সাথে সম্পর্কিত তন্ত্রটি হচ্ছে রেচনতন্ত্র। রেচনতন্ত্র যেভাবে কাজ করে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

রেচনতন্ত্র দেহে বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনঘটিত ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া প্রভৃতি বর্জ্য নিষ্কাশিত হয়। এছাড়া দেহে সামান্য পরিমাণে ক্রিয়েটিনিন ও অ্যামাইনো এসিড যকৃতের মধ্যে অবশিষ্ট থাকে। এগুলো আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। বৃক্ক রক্ত থেকে এ ক্ষতিকর পদার্থ ছেঁকে নেয় যা পানির সাথে মিশে মূত্র তৈরি করে। উৎপন্ন মূত্র প্রথমে সংগ্রাহক নালির মাধ্যমে বৃত্তের পেলভিসে পৌঁছায়। পেলভিস থেকে ইউরেটারে প্রবেশ করে তা মূত্র থলিতে এসে সাময়িকভাবে জমা হয়। এরপর মূত্রথলি মূত্রে পূর্ণ হলে মূত্রত্যাগের ইচ্ছা অনুভূত হয়। এর ফলে মূত্রথলির নিচের দিকে অবস্থিত ছিদ্র খুলে যায় এবং মূত্রনালির অগ্রভাগের এক ছিদ্রপথ দিয়ে মূত্র প্রবাহিত হয়ে দেহের বাইরে নিষ্কাশিত হয়। এভাবেই রেচনতন্ত্র রেচনকার্য তথা নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ মূত্র নিষ্কাশন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যে চক্রটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা হচ্ছে প্রতিবর্ত চক্র। এ চক্রের কারণে শিশুরা আগুন দেখলে ভয় পায়, পিন ফোটালে ব্যথা পায়। নিচে প্রতিবর্ত চক্রটির বিধরণ দেওয়া হলো-

তাৎক্ষণিক আত্মরক্ষার জন্য কোনো অঙ্গের তড়িৎক্রিয়ার নাম প্রতিবর্ত ক্রিয়া। যেমন- ১. আগুনে হাত লাগা বা পিনে হাত ফোটামাত্র টেনে নেওয়া, ২. চোখে প্রখর আলো পড়ামাত্র চোখের পাতা বন্ধ হয়ে যাওয়া। প্রতিটি প্রতিবর্ত চক্রের পাঁচটি অংশ থাকে। যথা- ১. গ্রাহক অঙ্গ, ২. অনুভূতিবাহী স্নায়ু, ৩. প্রতিবর্ত কেন্দ্র, ৪. আজ্ঞাবাহী স্নায়ু এবং ৫. সাড়া প্রদানকারী অঙ্গ। এদের যেকোনো একটির অভাবে চক্রসম্পন্ন হয় না। মেরুরজ্জু দিয়ে প্রতিবর্তী চক্র নিয়ন্ত্রিত হয়। যেমন-হাতের চামড়ায় পিন ফোটামাত্র অনুভূতিবাহী স্নায়ুতন্তু পিন ফোটার যন্ত্রণা গ্রহণ করে। এ যন্ত্রণাদায়ক তাড়না অনুভূতিবাহী স্নায়ুতন্তুর মাধ্যমে মেরুরজ্জুতে পৌঁছে। ঐ একই তাড়না অনুভূতিবাহী স্নায়ুকোষ থেকে আজ্ঞাবাহী স্নায়ুতে প্রবাহিত হয়। স্নায়ুতাড়না আজ্ঞাবাহী কোষে পৌঁছামাত্র পেশিতে প্রেরণ করে। ফলে পেশি সংকুচিত হয় এবং যন্ত্রণার উৎস থেকে হাত সরিয়ে দেয়। এভাবেই একটি প্রতিবর্ত চক্র সম্পন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
121

জীবে সমন্বয় একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রাণীর মতো উদ্ভিদের বিভিন্ন কাজের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন হয়। জীবের বৃদ্ধি, প্রজনন, বংশবিস্তার, অনুভূতিগ্রহণ ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। উদ্ভিদের এ কাজগুলো করার জন্য হরমোনের পুরুত্ব অপরিসীম। এক্ষেত্রে প্রাণীর মতো উদ্ভিদের আলাদা কোনো ভগ্ন থাকে না। নিম্নশ্রেণি ব্যতীত উচ্চশ্রেণির প্রাণীর দেহে বিভিন্ন জৈবিক কার্যাদি সম্পাদনের জন্য নির্দিষ্ট ভগ্ন থাকে। দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সংযোগ সাধন এবং এদের কাজের মধ্যে সমম্বয় সাধন করে উদ্দীপনার সাড়া দিয়ে পরিবেশের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করে স্নায়ুতন্ত্র।

 

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
   • উদ্ভিদ ও মানুষের ক্ষেত্রে সমন্বয় ব্যাখ্যা করতে পারব ; প্রবাহ চিত্রের সাহায্যে স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • উদ্ভিদের উদ্দীপনামূলক ক্রিয়া উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করতে পারব
   • মানুষের উদ্দীপনামূলক ক্রিয়া উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • উদ্ভিদ ও প্রাণীর বর্জ্য নিঃসরণ ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মস্তিষ্কের প্রধান অংশের নাম হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
174
উত্তরঃ

উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি উদ্ভিদদেহে উৎপাদিত বিশেষ কোনো জৈব রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে হয়ে থাকে। উদ্ভিদের সকল কাজ নিয়ন্ত্রণকারী এ জৈব রাসায়নিক পদার্থটিকে ফাইটোহরমোন বা বৃদ্ধিকারক বস্তু হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। ফাইটোহরমোন কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল হতে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
223
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রের A ও B চিহ্নিত অংশ দ্বারা যথাক্রমে ডেনড্রাইট ও অ্যাক্সনকে নির্দেশ করা হয়েছে। উল্লেখিত A ও B আমাদের দেহে উদ্দীপনা তৈরিতে যে ভূমিকা পালন করে তা নিচে বর্ণনা করা হলো-

চিত্রে প্রদর্শিত নিউরন বা স্নায়ু কোষ বিভিন্ন ধরনের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ উদ্দীপনা বা স্নায়ু তাড়না গ্রহণ করতে পারে এবং দেহের অভ্যন্তরে তা পরিবহন করতে পারে। একটি নিউরনের প্রধানত তিনটি অংশ। যথা- দেহ কোষ, ডেনড্রাইট ও অ্যাক্সন নিয়ে গঠিত। এভাবে অসংখ্য নিউরনের সমন্বয়ে গঠিত স্নায়ুতন্ত্র। পরস্পর দুটি নিউরনের প্রথমটার অ্যাক্সন (B) এবং পরেরটার ডেনড্রাইট (A) এর মধ্যে একটি স্নায়ুসন্ধি গঠিত হয়। প্রথম নিউরনের অ্যাক্সন (B) গৃহীত উদ্দীপনা মূলত সিন্যাপসের মধ্যদিয়ে দ্বিতীয় নিউরনের ডেনড্রাইট (A) তে প্রেরণ করে। এভাবে সিন্যাপসের মধ্য দিয়ে এক নিউরন থেকে অন্য নিউরনে উদ্দীপনা প্রেরণ করা হয় যা ক্রমান্বয়ে কেন্দ্রীয় মায়ুতন্ত্রে পৌছে। ফলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র উদ্দীপনা গ্রহণ করে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করতে পারে। অর্থাৎ সিন্যাপসের মধ্য দিয়েই একটি নিউরন থেকে স্নায়ু উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনে প্রবাহিত হয়।
উপরোক্ত আলোচনা হতে বুঝা যায় যে, অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইট আমাদের দেহে উদ্দীপনা তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
133
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদর্শিত কোষটি হলো নিউরন বা স্নায়ুকোষ। একটি সাধারণ কোষ থেকে এ কোষটির গঠন ভিন্নতর। নিচে এর সপক্ষে যুক্তিগুলো তুলে ধরা হলো-

১. দেহকোষ সাধারণত গোলাকার, সর্পিলাকার, চ্যান্টা প্রভৃতি আকৃতির হতে পারে। কিন্তু স্নায়ুকোষ লম্বাটে অনেকটা সুতার মতো।
২. দেহকোষে সাধারণত সাইটোপ্লাজম প্লাজমামেমব্রেন দ্বারা আবৃত কিন্তু স্নায়ুকোষে সাইটোপ্লাজম দীর্ঘ তন্তু গঠন করে।
৩. দেহ কোষের সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বডি বিভিন্ন ধরনের অঙ্গাণু থাকে। কিন্তু স্নায়ু কোষের সাইটোপ্লাজমে কোনো অঙ্গাণু থাকে না।
৪. দেহকোষ বিভাজিত হয় কিন্তু স্নায়ুকোষ বিভাজিত হয় না।
৫. স্নায়ুকোষ প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত। যথা- কোষদেহ ও প্রলম্বিত অংশ। কিন্তু সাধারণ কোষকে এ ধরনের কোনো অংশে ভাগ করা যায় না।
বিজ্ঞান
৬. সাধারণ কোষে কোনো ডেনড্রাইট উপস্থিত না থাকলেও স্নায়ুকোষে কোষদেহের বাইরে চারদিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সূতার ন্যায় ডেনড্রাইট থাকে। উপরের বর্ণিত যুক্তিগুলোর আলোকে স্পষ্টভাবেই বলা যায় স্নায়ুকোষের গঠন প্রকৃতি সাধারণ কোষ থেকে ভিন্ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
110
উত্তরঃ

যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ জীব কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে তাকে হরমোন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
430
উত্তরঃ

নাইট্রোজেনযুক্ত তরল পরিত্যাগকারী অঙ্গ হচ্ছে বৃদ্ধ। অর্থাৎ বৃক্কের মাধ্যমে দেহের নাইট্রোজেনযুক্ত তরল, দূষিত পদার্থ পরিত্যক্ত হয়। মূত্রের মাধ্যমেই দেহের শতকরা আশি ভাগ নাইট্রোজেনঘটিত, বর্জ্য পদার্থ পরিত্যক্ত হয়। তাই নাইট্রোজেনযুক্ত তরল পরিত্যাগকারী অল্প অর্থাৎ বৃদ্ধকে প্রধান রেচন অঙ্গ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
126
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews