শুক্র গ্রহটির বায়ুমণ্ডল প্রাণী বসবাসের অনুপযোগী কেন? (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডল মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড দ্বারা গঠিত, তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি এবং সালফিউরিক অ্যাসিডের ঘন মেঘ থাকায় এটি প্রাণী বসবাসের অনুপযোগী।


শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রায় ৯৬.৫% কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস রয়েছে। এই কার্বন ডাই অক্সাইডের কারণে গ্রিনহাউস প্রভাব অত্যন্ত তীব্র, যা এর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৪৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়িয়ে তোলে। এই উচ্চ তাপমাত্রা এবং বায়ুমণ্ডলের অত্যধিক চাপ (পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলীয় চাপের প্রায় ৯২ গুণ) জীবজগতের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এছাড়া, শুক্রের বায়ুমণ্ডলে সালফিউরিক অ্যাসিডের ঘন মেঘ থাকে এবং সেখানে তরল জলের কোনো অস্তিত্ব নেই। প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অভাবও প্রাণী বসবাসের জন্য একটি বড় বাধা। এই সকল প্রতিকূল পরিবেশগত কারণ সম্মিলিতভাবে শুক্র গ্রহকে প্রাণী বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযোগী করে তুলেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
45

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চে সংঘটিত ভয়াবহ গণহত্যার স্মরণে এই দিনটিকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।


১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র বাঙালির ওপর যে বর্বরোচিত ও সুপরিকল্পিত গণহত্যা চালিয়েছিল, তাকে স্মরণ করার জন্য ২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এই রাতে "অপারেশন সার্চলাইট" নামক সামরিক অভিযানের নামে পাকিস্তানি সৈন্যরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে হাজার হাজার নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করে। এটি ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসের এক কলঙ্কময় অধ্যায় এবং মুক্তিযুদ্ধের সূচনাপর্বের একটি ভয়াবহ ঘটনা। ২০১৭ সালের ১১ই মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সর্বসম্মতিক্রমে ২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব গ্রহণ করে এবং তখন থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এই দিবসের প্রধান উদ্দেশ্য হলো গণহত্যার শিকার শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং ১৯৭১ সালের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করা।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
65
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলা হয় কারণ এটি কেবল সামরিক বাহিনীর যুদ্ধ ছিল না, বরং আপামর বাঙালি জাতির স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পরিচালিত একটি যুদ্ধ ছিল। দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষ এই যুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিল, যা এর গণমুখী চরিত্রকে তুলে ধরে।

এই যুদ্ধে কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমাজের সকল স্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করে। কেউ অস্ত্র হাতে সম্মুখ সমরে অংশ নিয়েছেন, কেউ মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়েছেন, খাবার সরবরাহ করেছেন, তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, আবার কেউবা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও জনমত গঠনের মাধ্যমে যুদ্ধকে সমর্থন জুগিয়েছেন। সমগ্র জাতির এই ঐক্যবদ্ধ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণেই এটি প্রকৃত অর্থেই জনযুদ্ধে পরিণত হয়েছিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
49
উত্তরঃ কেন্দ্রাতিগ শক্তি হলো একটি আপাত শক্তি যা বৃত্তাকার পথে ঘূর্ণনশীল বস্তুর উপর কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে ক্রিয়া করে বলে মনে হয়।

এটি আসলে কোনো মৌলিক শক্তি নয়, বরং বস্তুর জড়তার (inertia) কারণে সৃষ্ট একটি প্রভাব। যখন কোনো বস্তু বৃত্তাকার পথে ঘোরে, তখন তার গতিপথ পরিবর্তনের জন্য কেন্দ্রের দিকে একটি প্রকৃত বল কাজ করে, যাকে কেন্দ্রমুখী শক্তি (centripetal force) বলে। ঘূর্ণনশীল নির্দেশ কাঠামোতে থাকা একজন পর্যবেক্ষকের কাছে, বস্তুটি এই কেন্দ্রমুখী শক্তির বিপরীতে বাইরের দিকে একটি বল অনুভব করে বলে মনে হয়, যা কেন্দ্রাতিগ শক্তি। যেমন, দড়িতে বেঁধে পাথর ঘোরালে পাথরের উপর বাইরের দিকে একটি টান অনুভব করা যায় অথবা ওয়াশিং মেশিনের ড্রামে কাপড় ঘোরার সময় পানি বাইরে ছিটকে যায়, যা কেন্দ্রাতিগ শক্তির উদাহরণ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
43
উত্তরঃ একটি দেশের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত কেন্দ্রীয় দ্রাঘিমা রেখার স্থানীয় সময়কে সেই দেশের প্রমাণ সময় বলে।

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে দ্রাঘিমা রেখার পার্থক্যের কারণে স্থানীয় সময়ের ভিন্নতা দেখা যায়। এই ভিন্নতার কারণে যোগাযোগ, পরিবহন ও অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। এই জটিলতা দূর করার জন্য প্রতিটি দেশ তাদের ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট দ্রাঘিমা রেখাকে কেন্দ্রীয় দ্রাঘিমা রেখা হিসেবে নির্বাচন করে এবং এর স্থানীয় সময়কে সারা দেশের জন্য প্রমাণ সময় হিসেবে গ্রহণ করে। এর ফলে একই দেশের মধ্যে সময়ের এককীকরণ হয় এবং সকল কার্যক্রম সুচারুরূপে সম্পন্ন করা যায়। বাংলাদেশে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার স্থানীয় সময়কে প্রমাণ সময় হিসেবে ধরা হয়, যা গ্রিনিচের প্রমাণ সময় থেকে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
40
উত্তরঃ

সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের চরম, চূড়ান্ত ও অবিচ্ছেদ্য ক্ষমতা, যা রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর প্রযোজ্য এবং বাহ্যিক দিক থেকে রাষ্ট্রকে অন্য সকল রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণমুক্ত ও স্বাধীন রাখে।


রাষ্ট্র গঠনের চারটি অপরিহার্য উপাদানের মধ্যে সার্বভৌমত্ব অন্যতম ও প্রধান। এটি রাষ্ট্রের প্রাণশক্তি। সার্বভৌমত্বের দুটি দিক রয়েছে: অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক। অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব বলতে রাষ্ট্রের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে বসবাসকারী সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর রাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ ক্ষমতাকে বোঝায়। অন্যদিকে, বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব বলতে বোঝায় যে, রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং কোনো বিদেশি শক্তির নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। সার্বভৌমত্ব না থাকলে একটি জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড এবং সরকার থাকা সত্ত্বেও সেটি রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। এটি একটি রাষ্ট্রকে অন্য সকল রাষ্ট্র থেকে স্বতন্ত্র করে এবং তার আত্মমর্যাদা ও স্বাধীন অস্তিত্ব নিশ্চিত করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
38
উত্তরঃ

পৃথিবীর বার্ষিক গতির প্রধান ফলাফলগুলো হলো ঋতু পরিবর্তন, দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য হ্রাস-বৃদ্ধি, এবং সূর্যরশ্মির পতন কোণের পরিবর্তন।


পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর নির্দিষ্ট কোণে (২৩.৫ ডিগ্রী) হেলে থেকে সূর্যকে কেন্দ্র করে উপবৃত্তাকার পথে পরিক্রমণ করে। এই পরিক্রমণকেই বার্ষিক গতি বা আহ্নিক গতি (Annual Motion) বলে। বার্ষিক গতির প্রধান ফলাফলগুলির মধ্যে অন্যতম হলো ঋতু পরিবর্তন। পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ বছরের বিভিন্ন সময়ে সূর্যের দিকে বেশি বা কম হেলে থাকার কারণে সূর্যরশ্মি কোথাও লম্বভাবে আবার কোথাও তীর্যকভাবে পড়ে, যার ফলে গ্রীষ্ম, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত এবং বর্ষা এই ছয়টি ঋতুর আগমন ঘটে।

এছাড়া, বার্ষিক গতির প্রভাবে দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। ২১শে জুন কর্কটক্রান্তি রেখায় সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন হয়। আবার ২২শে ডিসেম্বর মকরক্রান্তি রেখায় সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন এবং উত্তর গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন হয়। বার্ষিক গতির কারণেই মেরু অঞ্চলে ছয় মাস দিন ও ছয় মাস রাত্রি দেখা যায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
38
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews