ঈশ্বর যখন নিরাকার তখন তাকে বলা হয় ব্রহ্ম।-শুদ্ধ
ব্রহ্ম সকল জীব ও জগতের উপর প্রভুত্ব করেন বিধায় ব্রহ্মের আরেক নাম ঈশ্বর।- শুদ্ধ
সকল প্রাণের উৎস ব্রহ্ম নয়। - অশুদ্ধ
ঈশ্বরের কোন গুণ বা ক্ষমতা যখন আকার পায় তখন তাকে ব্রহ্মা বলা হয়। -অশুদ্ধ
দেবী দুর্গার মাধ্যমে ঈশ্বরের শক্তি প্রকাশ পেয়েছে। -শুদ্ধ
ঈশ্বর অবতার রূপে জগতের কল্যাণসমূহ সঙ্গে নিয়ে যান। -অশুদ্ধ
ভগবান বিষ্ণু বিভিন্ন যুগে ১০টি অবতারে নিজেকে প্রকাশ করেছেন। -শুদ্ধ
বরাহ অবতার হাত দিয়ে পৃথিবীকে জলের উপরে তুলে'রক্ষা করেন। -অশুদ্ধ
।নৃসিংহ অবতারের মাথা সিংহের মতো আয় শরীর মানুষের মতো। -শুদ্ধ
অসুরদের রাজা ছিলেন বলি। -শুদ্ধ
বামন অবতার যুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে বলিকে পরাজিত ও হত্যা করেন। - অশুদ্ধ
রাবণ সীতাকে অপহরণ করে হত্যা করে। -অশুদ্ধ
কল্কি অবতার ভবিষ্যতে আবির্ভূত হবেন। -শুদ্ধ
একাগ্রচিত্তে ঈশ্বরের চিন্তা করার নাম ধ্যান। আর ঈশ্বরকে সাকাররূপে আরাধনা করাই পূজা। - শুদ্ধ
উপাসনা দুই প্রকার। যথা- সাকার উপাসনা ও নিরাকার উপাসনা। - শুদ্ধ
ঈশ্বরের প্রশংসা করে নীরবে তাঁর নাম উচ্চারণ করা স্তুতি। -অশুদ্ধ
নিজের ও জগতের কল্যাণের জন্য ঈশ্বরের উপাসনা করা হয়। -শুদ্ধ
প্রতিদিন প্রাতে, মধ্যাহ্নে ও সন্ধ্যায় হাতমুর্খ ধুয়ে দামি জামাকাপড় পড়ে উপাসনায় বসব। -অশুদ্ধ
উপাসনার ফলে দেহ-মন পবিত্র হয় এবং সকলের কল্যাণ হয়। - শুদ্ধ
গীতা হচ্ছে সব শাস্ত্রের সার। তাই এটি হিন্দুদের একখানা অবশ্যপাঠ্য গ্রন্থ। - শুদ্ধ
প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় উপাসনা করতে হয়। -শুদ্ধ
ঈশ্বরের নিকট সশ্রদ্ধচিত্তে কোনোকিছু না চাওয়াকে প্রার্থনা বলে। -অশুদ্ধ
উপাসনার সময় পশ্চিম ও দক্ষিণ মুখা হয়ে বসতে হয়। -অশুদ্ধ
হিন্দুধর্মের ধর্মগ্রন্থগুলো সংস্কৃত ভাষায় রচিত। -শুদ্ধ
উপাসনার জন্য উপযোগী আসন হলো বজ্রাসন ও পদহস্তাসন। -অশুদ্ধ
প্রার্থনা করার সময় আমরা মন্ত্র ও শ্লোক শুদ্ধভাবে আবৃত্তি করব -শুদ্ধ
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allঈশ্বরের কোনো আকার নেই।
ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী প্রভৃতি দেব-দেবী একই ঈশ্বরের বিভিন্ন রূপ।
বামন বিষ্ণু অবতারের অন্যতম।
পরশু হাতে থাকায় ভূগুরামের নাম হলো পরশুরাম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!