একটি রেখা অপর একটি রেখার উপর লম্ব হবে যদি এরা একে অপরকে সমকোণে ছেদ করে।
দুইটি রেখা সমান্তরাল হয় যদি এরা সবসময়ই একে অপরের থেকে সমান দূরত্বে থাকে।
কোণের আকৃতি পরিমাপের একক হলো ডিগ্রি।
কোনো কোণের আকৃতি ওই কোণ উৎপন্নকারী রেখাদ্বয় কতখানি খোলা তার উপর নির্ভরশীল।
কোণের আকৃতিই কোণের পরিমাপ নির্দেশ করে।
১৮০° কোণকেসরল কোণ বলে।
৯০° এর ছোটো কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে।
৯৫° কোণকে স্থূলকোণ কোণ বলে।
একটি রেখার উপর দুইটি রেখা লম্ব হলে, রেখা দুইটি সমান্তরাল ।
৯০° এর = ৩০° ।
চাঁদার সাহায্যে কোণের পরিমাপ করা হয়।
৯০° পরিমাপ কোণকে সমকোণ বলে।
সমবাহু ত্রিভুজের প্রত্যেকটি বাহুই সমান ।
সমবাহু ত্রিভুজের প্রত্যেক টি বাহু সমান।
স্থূলকোণী ত্রিভুজের ১টি কোণ ৯০° এর বড়ো।
কোণভেদে ত্রিভুজ ৩ (তিন) প্রকার।
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ২ টি বাহু সমান।
সমবাহু ত্রিভুজের ৩ টি কোণ সমান।
বিষমবাহু ত্রিভুজের কোনো কোণই সমান নয়।
সমবাহু ত্রিভুজের প্রত্যেকটি কোণ ৬০ ডিগ্রি।
সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজের সবগুলো কোণই ৯০° এর ছোটো।
স্থূলকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০° এর বড়ো।
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০°।
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের দুইটি সমান কোণ রয়েছে।
চাঁদা ব্যবহার করে ত্রিভুজের কোণ পরিমাপ করা হয়।
একটি বাহু দিয়ে সমবাহু ত্রিভুজ আঁকা যায়।
স্কেলের সাহায্যে ত্রিভুজের দৈর্ঘ্য পরিমাণ করা হয়।
সমবাহু ত্রিভুজের ৩টি সমান সমান।
সমবাহু ত্রিভুজের ৩টি ৬০° কোণ রয়েছে।
চারটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ আকৃতিকে চতুর্ভুজ বলে।
আয়তের চারটি কোণই সমকোণ।
বর্গের চারটি বাহু সমান।
ত্রিকোণীসেট ব্যবহার করে আমরা লম্ব আঁকতে পারি।
আয়তের চারটি বাহু সমান হলে তাকে বর্গ বলে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View All
২৫°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ২৫° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ২৫° < ৯০°। সুতরাং কোণটি সুক্ষ্মকোণ।

৭৫°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ৭৫° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ৭৫° < ৯০°। সুতরাং কোণটি সুক্ষ্মকোণ।

৯০°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ৯০° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. ∠খকগ = ৯০° যা একটি সমকোণ।

১২০°
১. কখ সরলরেখা আঁকি।
২. ক বিন্দুতে চাঁদার কেন্দ্রবিন্দু স্থাপন করি এবং কখ রেখাকে ০° বরাবর মিলাই।
৩. ১২০° পরিমাপে একটি বিন্দু গ নিই।
৪. চাঁদা সরিয়ে ফেলি এবং ক থেকে গ বিন্দু পর্যন্ত স্কেলের সাহায্যে একটি রেখা টানি।
৫. খকগ = ১২০° যা ৯০° থেকে বড়ো কিন্তু ১৮০° থেকে ছোটো।
সুতরাং কোণটি স্থূলকোণ।
১. এক বাহু আঁকি। (ত্রিভুজের ভূমি কখ: ৪ সেমি)

(২) ভূমির বামপ্রান্ত ক বিন্দু থেকে ৬ সেমি দৈর্ঘ্য আঁকি।

(৩) ভূমির ডানপ্রান্ত খ বিন্দু থেকে ৬ সেমি দৈর্ঘ্য আঁকি।

(৪) প্রাপ্ত বিন্দুটি ব্যবহার করে ত্রিভুজের বাকি দুই বাহু আঁকি।

(৫) এখন, কখগ প্রদত্ত ত্রিভুজটি হলো।
১. এক বাহু আঁকি। (ত্রিভুজের ভূমি কখ: ৫ সেমি)

(২) ক বিন্দুতে ৬০° পরিমাপের একটি কোণ আঁকি।

(৩) খ বিন্দুতে ৬০° কোণ খুঁজে বের করি।

(৪) খ থেকে একটি রেখা আঁকি এবং ক কোণের সাথে গ বিন্দুতে বিন্দুগুলো মিলাই।

(৫) এখন, কখগ প্রদত্ত ত্রিভুজটি হলো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

