ব্রহ্মা সৃষ্টি করেন।
বিষ্ণু আমাদের পালন করেন।
যাঁরা বিষ্ণুর উপাসনা করেন তাঁদের বলা হয় বৈষ্ণব ।
শিবের উপাসকদের শৈব বলা হয়।
শিবের বাহন ষাঁড় ।
দুর্গাপূজায় শ্রীশ্রীচণ্ডী পাঠ করতে হয়।
ঈশ্বরের কোনো গুণ বা শক্তি যখন আকার পায়, তখন তাকে দেবতা বা দেব-দেবী বলে।
দেব-দেবীদের পূজা করলে তাঁরা সন্তুষ্ট হন।
দেব-দেবীরা সন্তুষ্ট হলে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন।
ঈশ্বর যে-রূপে সৃষ্টি করেন তাঁর নাম ব্রহ্মা ।
ব্রহ্মা সৃষ্টির দেবতা।
বিশ্বের সবকিছুই তিনি সৃষ্টি করেছেন।
ব্রহ্মার বাম দিকের দুইহাতে আছে কমণ্ডলু ও ঘৃতপাত্র ।
ব্রহ্মার ডান দিকের দুইহাতে আছে ঘি ঢালার চামচ ও অক্ষমালা ।
ব্রহ্মার গায়ের রং রক্ত-গৌর ।
ব্রহ্মার পূজা করলে আমাদের মঙ্গল হয়।
ব্রহ্মাপূজার নির্দিষ্ট তারিখ নেই।
তিথি গণনা করে ব্রহ্মাপূজার দিন ঠিক করা হয়।
ভারতীয় উপমহাদেশে পুষ্করতীর্থে ব্রহ্মার মন্দির আছে।
ব্রহ্মা লাল ফুল ভালোবাসেন।
ঈশ্বর বিষ্ণুরূপে আমাদের পালন করেন।
বিষ্ণুর চার হাত।
বিষ্ণুর বাহন গরুড় পাখি ।
বিষ্ণুপূজার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নেই।
যেকোনো দিন বিষ্ণুপূজা করা যায়।
তুলসীপাতা বিষ্ণুর খুব প্রিয়।
তুলসীপাতা ছাড়া বিষ্ণুপূজা হয় না।
বিষ্ণুর উপাসকদের বলা হয় বৈষ্ণব।
বিষ্ণুর আর এক নাম নারায়ণ।
বিষ্ণুকে স্মরণ করলে এবং তাঁর পূজা করলে পাপ দূর হয়।
সকল পূজার সময় বিষ্ণুর নাম স্মরণ করে তাঁর পূজা করা হয়।
ঈশ্বর অনাদি ও অনন্ত।
ঈশ্বরের যেকোনো সৃষ্টির আয়ুর সীমা আছে।
ঈশ্বর যে-রূপে ধ্বংস করেন তাঁর নাম শিব।
শিব আমাদের মঙ্গলের জন্য অশুভকে ধ্বংস করেন।
শিবের গায়ের রং তুষারের মতো সাদা।
ত্রিশূল শিবের প্রধান অস্ত্র।
শিবের পরনে থাকে বাঘের চামড়া ।
ষাঁড় শিবের বাহন।
বিশেষভাবে শিবপূজা করা হয় ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে।
শিবের উপাসকেরা শৈব নামে পরিচিত।
বেলপাতা শিবের খুব প্রিয়।
শিবপূজায় বেলপাতার অবশ্যই প্রয়োজন।
শিবের পূজা করলে অশুভ ধ্বংস হয়।
শিবের পূজা শেষে আমরা তাঁর প্রণাম মন্ত্র বলে তাঁকে প্রণাম করি।
দুর্গা শক্তির দেবী।
সকল শক্তির মিলিত রূপ দুর্গা।
দুর্গম নামে এক অসুরকে বধ করেন বলে তাঁর নাম হয় দুর্গা।
তিনি জীবের দুর্গতি নাশ করেন।
অতসী ফুলের মতো গাঢ় হলুদ দুর্গার গায়ের রং।
পূর্ণিমার চাঁদের মতো সুন্দর তাঁর মুখ।
দেবী দুর্গার দশ হাত।
আমাদের ধর্মগ্রন্থ শ্রীশ্রীচণ্ডীতে দেবী দুর্গার কাহিনি আছে।
দুর্গা মহিষাসুরক্লে বধ করেছেন।
শরৎকালে দুর্গাপূজা হয়।
দুর্গানাম স্মরণ করলে সকল বিপদ দূর হয়।
ব্রহ্মার আশীর্বাদে আমরা সৃষ্টির কাজে প্রেরণা পাই।
বিষ্ণুর কাছে প্রেরণা পেয়ে আমরা ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠায় উদ্বুদ্ধ হই
দুর্গা দেবীর প্রেরণায় শক্তি পাই।
Related Question
View Allব্রহ্মা সৃষ্টি করেন।
বিষ্ণু আমাদের পালন করেন।
যাঁরা বিষ্ণুর উপাসনা করেন তাঁদের বলা হয় বৈষ্ণব ।
শিবের উপাসকদের শৈব বলা হয়।
শিবের বাহন ষাঁড় ।
দুর্গাপূজায় শ্রীশ্রীচণ্ডী পাঠ করতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!