জ্ঞানকান্ডের বিষয়বস্তু হচ্ছে ব্রহ্ম।
পৌরাণিক যুগে অনেক নতুন দেব-দেবীর আবির্ভাব ঘটে।
প্রতিদিন নিয়ম মেনে যে কাজ করা হয় তাকে বলে নিত্যকর্ম।
নিত্যকর্মের ফলে নিয়মানুবর্তিতা শেখা যায়।
স্বর্গে রোগ, শোক, জরা, ব্যাধি কিছুই নেই।
যাঁরা মোক্ষলাভ করতে চান তাঁরা ব্রহ্মজ্ঞানে ভালোবাসেন।
পারসিকরা সিন্ধু অঞ্চল দিয়ে ভারতবর্ষে প্রবেশ করতো।
দেব-দেবীর বর্ণনা- পুরাণের মধ্যে পাওয়া যায়।
হিন্দুধর্ম পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্মসমূহের অন্যতম,।
'হিন্দু' শব্দের উৎপত্তি পারসিকদের দ্বারা।
হিন্দুধর্মের প্রাচীন নাম সনাতন ধর্ম।
সনাতন' শব্দের অর্থ চিরন্তন।
একাধিক মুনি-ঋষির সমন্বিত চিন্তার ফল হিন্দুধর্ম।
হিন্দুধর্মকে বৈদিক ধর্মও বলা হয়।
বেদ হিন্দুধর্মের মূল ভিত্তি।
আত্মার মৃত্যু নেই।
ঈশ্বর আত্মারূপে জীবদেহে অবস্থান করেন।
আত্মার নতুন শরীর ধারণ করাকেই বলে জন্মান্তর।
জন্মান্তরের সঙ্গে কর্মফলের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে।
বিভিন্ন মুনি-ঋষি এই বাণীসমূহ দর্শন করেছেন।
উপনিষদে শুধু ব্রহ্ম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
পুরাণে বেদভিত্তিক হিন্দুধর্ম ও সমাজের নানা কথা বলা হয়েছে।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা মহাভারতের একটি ভীষ্মপর্বের অংশ।
হরিনাম শুনে বনের পশুরাও হিংসা ভুলে গেল।
অতীতে শিষ্যরা গুরুর কাছ থেকে শুনে শুনে বেদ মনে রাখতেন।
ব্যাসদেব বেদকে_চার ভাগে ভাগ করেন।
মায়ের আদেশে ধ্রুব হরিকে ডাকতে লাগল।
বেদের গদ্যে রচিত অংশকে ব্রাহ্মণ বলে
অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়বার কথা গীতায় বলা হয়েছে।
ধর্মগ্রন্থে থাকে ধর্মের কথা।
হিন্দুদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ বেদ।
বেদ ঈশ্বরের বাণী।
অতীতে শিষ্যরা গুরুর নিকট থেকে শুনে শুনে বেদ মনে রাখতেন।
যজুর্বেদে যে মন্ত্রগুলো রয়েছে সেগুলো যজ্ঞের সময় উচ্চারণ করা হয়।
সামবেদ সংহিতার মন্ত্রগুলো গানের মতো।
বেদের এক নাম শ্রুতি।
ব্রাহ্মণ গদ্যে রচিত।
উপনিষদের আলোচ্য বিষয় ব্রহ্ম ।
ব্রহ্মের আরেক নাম পরমাত্মা ।
ব্রহ্মই সবকিছুর মূলে।
পুরাণ' শব্দটির সাধারণ অর্থ_প্রাচীন।
মূল পুরাণ ১৮ টি।
গীতার পুরো নাম শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা।
গীতায় সব রকমের দুর্বলতা পরিহার করতে বলা হয়েছে।
গীতা হচ্ছে সব শাস্ত্রের সার।
আমাদের ধর্মগ্রন্থসমূহে অনেক উপাখ্যান আছে।
সুনীতির পুত্র ধ্রুব।
যাঁরা আজীবন জগতের উপকার করে যান, তাঁরাই হলেন_মহাপুরুষ ও মহীয়সী নারী।
মাদারীপুর ছিল বিপ্লবীদের একটি বিখ্যাত কেন্দ্র।
স্বামী প্রণবানন্দ প্রতিষ্ঠিত আশ্রমের নাম ভারত সেবাশ্রম।
মার্গারেটকে শান্তি দেয় বেদান্তের ধর্মমত।
রবীন্দ্রনাথ মার্গারেটের নাম দিয়েছিলেন লোকমাতা।
স্বামী প্রণবানন্দ মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
স্বামী প্রণবানন্দ_অস্পৃশ্যতাকে ঘৃণা করতেন।
স্বামী প্রণবানন্দ মিলন-মন্দির প্রতিষ্ঠার কথা বলতেন।
স্বামী প্রণবানন্দ_১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে বাজিতপুর আশ্রমে এক হিন্দু মহাসম্মেলনের আয়োজন করেন।
১৯২১ খ্রিস্টাব্দে সুন্দরবন অঞ্চলে প্রচণ্ড দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।
স্বামী প্রণবানন্দ ১৯৪১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দের ৮ই জানুয়ারি কলকাতার _বালিগঞ্জের ভারত সেবাশ্রম সংঘের বাড়িতে তিনি দেহত্যগ করেন।
ভগিনী নিবেদিতা_১৮৬৭ খ্রিষ্টাব্দে ইউরোপের_আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
ভগিনী নিবেদিতার প্রকৃত নাম মার্গারেট এলিজাবেথ নোবল।
মার্গারেট শৈশবে_পিতৃহীন হন।
অবসর সময়ে একটি চার্চের কর্মী হিসেবে মার্গারেট জনসেবা করতেন।
মার্গারেটের সাক্ষাৎ হয় স্বামী বিবেকানন্দের সঙ্গে।
বেদান্তের ধর্মমত মার্গারেটকে শান্তি দেয়।
মার্গারেট খুব প্রতিভার অধিকারিণী ছিলেন।
গুরুর নির্দেশে মার্গারেট কলকাতার বাগবাজারে একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন।
নিবেদিতার শিক্ষা-পদ্ধতি ছিল_চিত্তাকর্ষক।
ভারতকে ভগিনী নিবেদিতা_ধাত্রী দেবতা রূপে গ্রহণ করেছিলেন।
ব্যক্তিজীবনে নিবেদিতা ছিলেন ভারতীয়_নারী-জীবনের প্রতীক।
১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে মার্গারেটের জীবনাবসান ঘটে।
মানবসেবার জন্য মহীয়সী নারীদের জন্ম।
Related Question
View Allজ্ঞানকান্ডের বিষয়বস্তু হচ্ছে ব্রহ্ম।
পৌরাণিক যুগে অনেক নতুন দেব-দেবীর আবির্ভাব ঘটে।
প্রতিদিন নিয়ম মেনে যে কাজ করা হয় তাকে বলে নিত্যকর্ম।
নিত্যকর্মের ফলে নিয়মানুবর্তিতা শেখা যায়।
স্বর্গে রোগ, শোক, জরা, ব্যাধি কিছুই নেই।
যাঁরা মোক্ষলাভ করতে চান তাঁরা ব্রহ্মজ্ঞানে ভালোবাসেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!